Immigration office , Vomra , Satkhira
Every passport holder who wnat to go india via Vomra land port, have to must pay 500+ taka to custom officer . otherwise they will not release or stamp on passport.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Every passport holder who wnat to go india via Vomra land port, have to must pay 500+ taka to custom officer . otherwise they will not release or stamp on passport.
উকিলের ডেট পড়ায় সার্টিফিকেটটা খুব জরুরী ছিল কিন্তু তারা দিচ্ছিল না পরবর্তীতে টাকা না দিয়ে কোন উপায় ছিল না।
৩ বার এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করি কিন্তু বার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে,ডিডি অফিসের প্রোগ্রামার — 50 হাজার টাকা দাবি করে,আমি 30 হাজার টাকা দিয়ে আসি। তারপর ও কাজ হয়নি।
বাচ্চার প্রথম ৪৫ দিনের টিকাতে আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু সরকার এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্য পরিশোষ করে। আমি না করাতে বলে টিকা কার্ড দিবে না এবং এর পরে কোন টিকাও এই জায়গা থেকে নেওয়াতে দিবে না, বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
আমি আমার পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় যায়।হাতে লেখা ফরমে আবেদন আমি করি স্কুল প্রধানের সাক্ষরসহ যাবতীয় কাজ আমি করি।ওই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর শুধু আমাকে ফোন দিছে যে আমার সার্টিফিকেট আসছে অফিসে গিয়ে সংগ্রহ করতাম।সার্টিফিকেট আনতে গেলে আমাকে বলে খরচ দিতে আমি বলি কিসের খরচ ওনি বলে ওনি নাকি উপজেলা মিটিং, জেলা মিটিং নাকি তিনি নিজ তাগিদে করছে সে খরচ দিতাম।মজার কথা হচ্ছে সেই অফিসে লেখা আছে এখানে চায়ের খরচ নেওয়া হয় না।
আমি যতটুকু জানি একটা জমি খারিজ করতে সরকারি খাতে দেওয়া লাগে ১৬০০ টাকা আর কম্পিউটার খরচ বাবদ আর মুড়িকে 500 সব মিলে ৩০০০ হাজার টাকার মধ্যে হওয়ার কথা কিন্তু আমার ভূমি অফিসে মোহরি এবং ভূমি অফিসের কর্মচারীরা মিলে আমার কাছে প্রতিটা খারিজের জন্য 10000 টাকা করে নিয়েছে এবং আমি একটু ইমারজেন্সির কারণে ১০০০০ টাকাদিতে বাধ্য হয়েছি
আমার জমি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে একটি জমির দলিলের নকল উঠানোর জন্য মিঠাপুকুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস যাই । তারপর অফিসের একজনের সাথে দেখা করলাম জমির নকল উঠানোর কথা বললাম । উনি বললো হবে, তবে ভাই এখন তো আগের থেকে খরচ অনেক বেড়ে গেছে, বললাম কতো বাড়ছে আগে তো ৯০০/১০০০ টাকা ছিল এখন কতো, এ তো অনেক আগের কথা এখন ১৫০০ নিচে পারবো না ভাই এবং কয়েকদিন সময় লাগবে । কি আর করার কাগজটা আমার খুব জরুরি ছিল বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়ে আসলাম আর কয়েকদিন পর কাগজটি পেয়েও গেলাম । কয়েকদিন আগে এক ভিডিওতে একজন স্পিকারের ভূমি অফিসে অভিযানের মাধ্যমে জানতে পারলাম নকল উঠানোর ফি নাকি মাত্র ৭০ টাকা আর তারা আমাদের থেকে নিচ্ছে ১৫০০ টাকা 💸
ফাইল আটকে রেখেছিল। 10,000 টাকা দিয়ে ফাইল ছাড়ানো লেগেছে।
নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন করতে যায়ে আমার সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ডে নাম ঠিক ছিল কিন্তু- পিতার নামের আগে মোঃ ছিল না। (পিতার আইডি কার্ডে)
DESCO te meter change er abedon korte cheyesi, oikhaner ek kormi 30,000/- te contact kore kaj kore dise. Tarpor nana vabe blackmail kore onek hoyrani korse, still kortese
মামলার রায়ের কপি উত্তোলনের জন্য এসটানোর সাথে যোগাযোগ করি। উনি ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি ২৫০০ টাকা উনাকে দেই। পরবর্তীতে কাগজ সংগ্রহের জন্য উনার কাছে গেলে উনি বাড়তি আরো ১৫০০ টাকা দাবি করে। পনেরশো টাকা না দিলে উনি আমাকে কাগজে দেয় নি পূর্বের ২৫০০ টাকা ফেরত দেয়নি।
দেশের জ্বালানি খাতের বিপর্যয়ের মূল কারণ — ভয়াবহ দুর্নীতি কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (Coal Power Generation Company) ব্যবস্থাপনা কমিটি সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত। C&F (Clearing & Forwarding) সার্ভিস নিয়ে C&F-এর বিল থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ খাওয়া হয়। C&F এজেন্টরা ঘুষ দিতে না চাইলে তাদের এনলিস্টমেন্ট (enlistment) থেকে বাদ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিল দেওয়ার কথা ০.২৫%, কিন্তু C&F-কে বিল দেওয়ার সময় দেওয়া হয় ০.১৭%। বাকি অংশ তারা ঘুষ হিসেবে কেটে রাখে, যার পরিমাণ প্রায় প্রতি বিলে ৮ লক্ষ টাকা। প্রতি বছর তারা প্রায় ২ কোটি টাকার মতো ঘুষ নেয়। জড়িতরা হলেন — — (নির্বাহী প্রকৌশলী / Executive Engineer) — — —
আমাদের ১০ শতাংশ জমির নাম জারি করাতে গিয়ে ভুমি অফিসের কর্মকর্তা আমাদের কাছ থেকে ১০০০০ টাকা দাবি করে।এবং দাবিকৃত অর্থ তার বাড়িতে গিয়ে আমার ছোট ভাই দিয়ে আসে। টাকা দেওয়ার পরে আমাদের কে একমাসের সময় দেয়।হইত এইপ্তাহে আমাদের নাম জারির কাজ শেষ হবে।জকসিন বাজার ভুমিকা অফিসের ঘটনা।
জমির নাম খারিজ করার জন্য এসি ল্যান্ড অফিসে জমা দিয়া কাগজপত্র তশীল অফিসে পাঠানো হয়েছিল সেখানে উক্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে সেটা আবার এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠানোর কথা। সেই কাগজ তারা নিজ ইচ্ছায় এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠায় না আমাদের সেখানে যে তদবির করে উক্ত কাগজ এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠাতে হয়। আর এই কাজের জন্য তারা বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকমের ঘুষ দাবি করে। কারো কাছে ৫০০ কারো কাছে ১০০০ কারো কাছে ১৫০০। আমার কাছে এক হাজার টাকা চেয়েছিল আমি বলেছিলাম আমার কাছে টাকা নেই শুধুমাত্র ৫০০ টাকা আছে ওই অফিসের একজন কর্মচারী বলল যে ৫০০ টাকা আপাতত দেন আর ৫০০ টাকা পরে আবার দিয়ে যাবেন মনে করে। এভাবে আমাদের দের-কাঠা জমির নাম খারিজ করেছিলাম। তবে একটি ভালো বিষয় কুষ্টিয়ার এসি ল্যান্ড অফিসে ঘুষ কার্যক্রম নেই।
আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায় অষ্টগ্রাম থানায় ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে এটার বিচার কে করবে বিবাগী বিচার নেওয়া দরকার আমরা সাধারন জনগণ অসহায় তাদের কাছে সহায়তার জন্য গেলে ঘুষ ছাড়া কোনকাজহইনা
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার বাবার সঞ্চয়পত্র আমার মায়ের নামে হস্তান্তরের (নাম পরিবর্তনের) জন্য আবেদন করার সময় বিভিন্ন বিভাগ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছিল, এবং আমি মোট ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
ভূমি জরিপের নাম উত্তোলনের জন্য প্রদান করা হয়েছে
বন্দরে প্রবেশের জন্য গেট পাশ চাইলে, তারা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে দেয়। যাতে বাধ্য হয়ে তাদেরকে ঘুষ দেই। ঘুষ না দিলে অযথা হয়রানি কম প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে বা সেবার সীমাবদ্ধতা দেখিয়ে বা অযথা অযুহাত দেখিয়ে হয়রানি করে। পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দিলে সব দ্রুত করে দেয়। আর কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া লাগে নাই।
টাকা না দিলে ড্রাইভিং টেস্ট ফেইল আসে