জন্মনিবন্ধন সংশোধন
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে গেছিলাম, প্রথমে টাকা চায়নি, পরে টাকা চাইলো শেষ ভেরিফিকেশন শেষে, গাজীপুরের টঙ্গী পুরাতন পৌরসভায় নিচের ২ মহিলা এসব করে। তারা ১০০০ চাইলো, নিরুপায় হয়ে দিতে হয়েছে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে গেছিলাম, প্রথমে টাকা চায়নি, পরে টাকা চাইলো শেষ ভেরিফিকেশন শেষে, গাজীপুরের টঙ্গী পুরাতন পৌরসভায় নিচের ২ মহিলা এসব করে। তারা ১০০০ চাইলো, নিরুপায় হয়ে দিতে হয়েছে ।
Police clearance certificate tolar jonno extra 1500 taka dite hoise. Prothome dite chaini,pore police bole j taka na dile clearance o paben na. Police Clearance Certificate ta amar onek dorkar silo jonno ak porjayee baddho hoyei taka ta diyesi
তিনটি প্লট(৪ কাঠা ২ টা এবং ৫ কাঠা ১টা) রেজিস্ট্রেশন বাবদ মোট ১৭ লাখ খরচ হয়েছে। তার মধ্যে আমার মনে হচ্ছে ১,২৬,০০০/- টাকা বেশি দিয়েছি এবং নামজারি বাবদ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি।
কারেকশন এর জন্য দিতে হয়, ম্যানুয়ালি কয়েকবার চেষ্টা করছি।
আমি ৪৮শতক জমির নামজারি করতে কয়েক দফায় ১২০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাজটি এখনও পেন্ডিং
My father die in 2024. And we got my father pension to my mother name in 2026. We make our all papers works. Then we go to the Rajshahi account office and submit our paper. And officer chake our paper . Than that officer call me out and he said to me if i give him 50000 thousand . But I give him 40000 thousand .
আমার অভিজ্ঞতায়, রোগী বহন/স্থানান্তরের জন্য ১০০ টাকা, বেডের জন্য ৮০০ টাকা, রোগী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য ১০০ টাকা এবং রিং (স্টেন্ট) পরানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসককে প্রায় ২০,০০০ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। এসব অর্থ সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে নেওয়া হচ্ছে তা তদন্ত করে দেখা এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
রোগী দেখার জন্য ওয়ার্ডে ঢুকতে বাধা দেয়। নলে সময় শেষ। তারপর অনেক তর্কের পর বলে চা-নাস্তার টাকা দিলে দেখতে দিবে। কত টাকা দিব জিজ্ঞেস করলে বলে ১০০ টাকা। বললাম এতো টাকা। বলে আমি একা ভাগ পাবোনা, আরো অনেককে দিতে হবে। তাই ১০০ টাকা দিতে হবে।
আমি একজন গ্রাহক , আমি খাজনার আবেদন যখন করি তখন দেখাচ্ছে ১৯০০ টাকা তারপর যখন নায়েব সাহেবের কাছে যাওয়া হয় ভূমি অফিসে তখন সে করে দিয়েছে 50000 টাকা তখন সে বলে আমাকে ফিফটি পার্সেন্ট দিতে হবে ফিফটি পার্সেন্ট দিলে তারপরে আমি অর্ধেক করে দিব তারপর সে ১১ হাজার টাকা করে দিয়েছে সেটাই হলো প্রমাণ।
আমার এখানে যখন ভিসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন নোটিস অফিস আছে তখন তারা আমাকে কল দিয়ে তাহলে আসতে বলে এবং আমি যখন থানায় যাই তারা আমার কছে তিন হাজার টাকা চায় যদি আমি না দেয় তবে তারা ভেরিফিকেশন করবে না বলে এবং উল্টাপাল্টা কিছু লিখে বাতিল করে দিবে তখন আমাকে বাদ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়
সমাধান না দিয়ে হয়রানি করেছিল
লালবাগ থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে স্কুল থেকে পাঠানো যে কোনো এম পি ও ফাইলের অনুমোদন এর জন্য , অর্থাৎ থানা থেকে জেলা অফিসে ফাইল ট্র্যান্সফারের জন্য ফাইল প্রতি মিনিমাম ২০০০ টাকা না পেলে উনি ফাইল এপ্রুভ করেন না। নানা রকম টালবাহানা করে। ক্ষেত্রবিশেষ এ আরও বেশি দাবী করেন।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট অফিসে বিভিন্ন রকম কাগজ চেয়েছিল যেখানে আমার উপযুক্ত কাগজপত্র ছিল পাসপোর্ট করার জন্য । এরপরেও আননেসেসারি কিছু ডকুমেন্ট চেয়েছিল যেগুলোর প্রয়োজন ছিল না । তারপরেও আমি সেগুলো সংগ্রহ করে গিয়েছিলাম ইভেন যাওয়ার পরেও আরো বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছিল, এক কথাই বলতে গেলে ওয়ান কাইন্ড অফ হারাসমেন্ট করছিল আমাকে ৷ পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করার জন্য একটি দোকান রয়েছে একদম পাসপোর্ট অফিসের সামনেই । যেখানে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করেছিল বলেছিল কোন কাগজপত্র লাগবে না, যেগুলোর কথা অফিসে বলেছিল । আপনি আমাকে টাকা দেন এতেই হয়ে যাবে। আর কোন কাগজপত্র লাগবেনা ৷ এভাবেই হ্যারাসমেন্ট এড়াতে বাধ্য হয়েছি টাকা দিতে হয়েছে, এরপর টাকা নেওয়ার পর সরাসরি আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা রুমে দিয় আসে
আমি ৫০০০ হাজার দিয়া বাকিটাকা কাজ হওয়ার পর দেব।
মুকসুদপুর থানায় ভুমি অফিসে ৭৫ শতক ভুমি ক্রয় বাবদ রেজিস্টার করতে গেলে লেখক সাবরেজিস্টারের খরচ বাবদ. ৫ ℅ চুক্তি করে নগদ নিয়ে নিলো এবং বল্ল মুকসুদপুর ভুমি অফিসে আগে সাবরেজিস্টার ১% নিত এখন আমাদের. ৫% ছার দিয়েছে। বাধ্য হয়েই ৪৫০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হলাম
আমি ৭ম গনবিজ্ঞপ্তিতে বাগেরহাটের একটি মাদ্রাসায় প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি প্রায় ২৮০ কি.মি. দূর থেকে।কিন্তু আমার থেকে এখানের প্রিন্সিপাল ৩০০০০ টাকা দাবি করে। আমি ২৫০০০ টাকা দিয়েছি। বর্তমানে উনি সাবেক প্রিন্সিপাল উনার বিরুদ্ধে এলাকায় প্রচুর অভিযোগ। শুধু আমি না আমার আগে আমার আরো ৫ কলিকের থেকে ১০০০০০ টাকা নিয়েছে।তার আগে অনেকের থেকে ৮০/৫০ হাজার টাকা নিয়েছে।
Acquire er tk neyar somoy
I bought an iphone x from facebook marketplace and then 1 month later i got a call from a SI from police station he asked me to visit the station and I went there. He said the phone I bought is a theft phone and he took the phone from me and he also took 35,000tk cash from me! There is no justice in Bangladesh. I proved to him that I bought it from marketplace by paying cash yet he took the phone from me and on top of that he took 35,000 bribe indirectly. I beared a total loss of 70,000tk.
Passport renewal er jonno
পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী —, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেবাপ্রত্যাশিদের নিকট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করে দিতে বিভিন্ন অযুহাতে ছোট বড় অংকের টাকা নেয়। কিন্তু বিনিময়ে দেয় কম্পিউটার দিয়ে বানানো ভুয়া আইডি। যা গ্রাহক বুঝতেও পারেনা। বা তার কর্মকর্তারও কোনো ভ্রুখেপ নাই। আমার থেকে নিয়েছে ৭০০টাকা।