হুইল চেয়ার সেবা
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ হুইল চেয়ারে ৩/৪ তলায় রোগি নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ৫০০ টাকা চায়, পরে ৪০০ টাকা নিয়ে গেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ হুইল চেয়ারে ৩/৪ তলায় রোগি নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ৫০০ টাকা চায়, পরে ৪০০ টাকা নিয়ে গেছে।
আমি ১৯.০৮.২৬ ইং তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মহুরি দারা পেপারস রেডি করি। জানতে সাব-রেজি. সেই দিন ১৫০ -১৮০ দলিলের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কিন্তু সাব-রেজি. ১১৬ টি দলিল দেখার পর ওনি চলে যেতে চান। সাব-রেজি. মহুরি সমিতির সভাপতিকে বলেন আমি যদি থাকি তাহলে দলিল প্রতি আমাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। অথচ আমার দলিল সিরিয়াল ছিল ১৩১ নম্বর। ওনি ১১৬ টি করার পর যখন ১০০০ টাকার চুক্তি হয়, তারপর আরও তিনি ৩০-৩৫ টা দলিল পার করে দেন। সেক্ষেত্রে আমাকেও ১০০০ টাকা দিয়ে দলিল কাজ সম্পূর্ণ করে নিতে হয়। আমাত ছুটি শেষ হওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের অপেক্ষায় থাকতে পারবো না, সে কারনে আমাকেও এই ১০০০ টাকা দিয়ে পার করে নিতে হয় দলিল। এখানে সাব-রেজি. কৌশল করে এই ঘুষ গুলো করেন।
MPO আবেদনের সময় তা অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রদানের মাধ্যমে মাউশি আঞ্চলিক অফিসের ডিরেক্টর বা ডেপুটি ডিরেক্টর এর জন্য ঘুষ প্রদান করতে হয়৷
জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য ৬বছর ঘুরে কোর্টে কেস ফাইল করতে পেসকার এই দাবি করছে। না দিলে আরও ৬বছর ঘুরতে হবে জানিয়েছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেনস করতে গিয়ে কোনো সমস্যা নেই তার পরেও আবেদন করার পরেও ৩ ৪ দিন সময় পার হওয়ার পরে থানায় যোগাযোগ করি কিন্তু তারা বলে আমার কাগজে নাকি সমস্যা আছে পরে আমার কাছ থেকে 4000 টাকা দাবি করে পরে আমি 1000 টাকা দিতে চেয়েছি কিন্তু তাতে হবে না পরে 2000 টাকা দিয়ে কাজ করেছি লোকেশন:- গাজীপুর কালিয়াকৈর থানা
কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — চরম ঘুষখোর সে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক পারসেন্ট থেকে দুই পার্সেন্ট পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — একই পরিমাণে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়ে থাকে তাদের তত্ত্বাবধানে চলা সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার অ্যামাউন্ট যাচাই করলে জানতে পারবেন তারা ঠিক কি পরিমান ঘুষ নিয়েছে এটি অনেক বেশি পরিমাণ আপনারা হিসাব করলে পাবেন,
Agent maddhome ghush chawa hoyche
Cheyechilo 1000 diyechi 500
Amar Jomir Tax a 4lakh taka dekhiye, 2 lakh dabi kore, ami badho hoye 2lakh dei, tar moddo theke 1.5lakh ar tax rosid pai.
আমার মায়ের শ্যামলীতে অবস্থিত সরকারি কিডনি হসপিটালে কিডনির পাথর অপারেশনের জন্য ভর্তি করা হয়। কিডনির অপারেশনের জন্য তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর, অপারেশন শুরুর ঠিক আগে দুজন ব্যক্তি এসে জানান যে, অপারেশনের জন্য বাইরে থেকে আনা একটি যন্ত্রের ভাড়া বাবদ আমাকে ৫,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, টাকা পরিশোধ না করলে অপারেশন করা হবে না। রোগী তখন অপারেশন থিয়েটারে অবস্থান করছিলেন এবং অপারেশন শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে রোগীর জীবন ও চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে আমি ৫,০০০ টাকা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধের পরই অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। আমার অভিযোগ হলো, অপারেশন থিয়েটারে রোগীকে রেখে এভাবে চাপ সৃষ্টি করে যন্ত্রের ভাড়া বাবদ টাকা আদায় করা অত্যন্ত অনৈতিক ও অনভিপ্রেত।
সরকারি অফিসে প্রতি অর্থবছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের মূল্যের স্টেশনারী মালামাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। সেটি আঞ্চলিক সরাকরি প্রকশনা ও মূদ্রন অফিস থেকে আনতে হয়। সেখানে ফাইল রিসিভ করা থেকে শুরু করে প্রতিটা টেবিলে ৩০০/৪০০ টাকা দাবি করে। শেষপর্যায়ে ম্যানেজার ৮০০০/১০০০০ টাকা দাবি করেন না দিতে পারলে বলে মালামাল আসেনি। তাই তার সাথে নেগোসিয়েশন করে মালামাল আনতে হয়। যার ৬০০০/৭০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হতে হয়।
2024 sale ami akta jomi regestration kori suvadda te jotharite ami namjari jnno jai form fillup kori and 11500 tka moto govt fee dei but amr namjari 14 din to dure tak 1 mounth hy ni pore ofic gelam kotha bollam bollo file jachai hobe sunani korbe ei sei onk kichu ami bollam ata to sab kobla jobi namjari o digital kintu tara teder rules bole and ata o bole j onk r namjari 10 years hy na.jai hok pore anak date dilo gelam sob kichu deklo ..then oder assenten bollo porsu 20 -25 hajar nia asben nahole postig hobe na then porsu din gelam 20 dilam nei nai 25 dilm ..sath sath online posting dilo..disgustig nahole amak amk amr namjari aknoo kore dito na ora..ami suffer kortam year to year
সাতক্ষীরা - কালীগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস খাজনা ও নামজারীর টাকা না দিলে আবেদন পড়ে থাকবে ।
গৃহায়ন (প্লট মালিকের নাম পরিবর্তন) এবং পুনর্নির্মাণ আবেদন, নগদ টাকা - ধাপে ধাপে (টেবিল ও প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করুন)
ফ্ল্যাট কেনার পরে ব্যক্তির নাম পরিবর্তন করতে সরকারি ফি বাদে অতিরিক্ত 5000 টাকা দাবি করে, বলে যে এটা না দিলে 1 বছরেও হবেনা। ব্যস্ততা ও অতিরিক্ত ঝামেলা এড়াতে টাকাটি দিয়ে দিলেও 6 মাস হবার পরেও এখনও সংশোধন হয়নি, যোগাযোগ করলেই বলে আরও সময় লাগবে। এছাড়াও বলে রাখি, প্রথম মালিকের নাম ও সমস্ত ডকুমেন্ট নেওয়ার পরে ওনারা নাম ভুল এন্ট্রি দেই, অনারদের এই ভুল সংশোধন এর জন্য আবার 3000 টাকা নিয়েছে। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া ছাড়া আর কিছু বলার নাই, শুধু এটাই মনে হয় যাদের সামর্থ্য কম না জানি তারা আরও কতো হেনস্থা হন এমন সরকারি সেবা কেন্দ্র থেকে। ধন্যবাদ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য, কোনো রকম যদি পদক্ষেপ নেওয়া হয় আর ঘুষ ও দূর্নীতি প্রকৃতপক্ষে বন্ধ হয় তবেই সার্থক হবে। জাজাকাল্লাহ খয়রান।
আমার বাবার জমির একটা খতিয়ান তুলতে গিয়ে সেটি সমস্যা আছে বলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে।।কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে দিই।।দারুসা ভুমি অফিস
আমার জমি রেলওয়ে অধিগ্রহণ এর মধ্য পরে। এর মধ্য আমার জমি ও বাড়ি থাকায় ঠিক মত আমার বাড়ি লেখা হয় নাই যে কারনে আমার কাছে ১৫লক্ষ টাকা দাবি করে ভূমি পরিদর্শক করা এবং তারা আমাকে আস্থা রাখতে বলে তাদের উপর টাকা দিলেই সব ঠিক করে দিব না হলে আমাদের পেছন পেছন ঘুরতে ঘুরতে শেষ হয়ে যাবেন আর টাকা উঠাতে পারবেন নাহ। পরে তাদের বুঝিয়ে কোন মতে NGO আর কিছু আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে তাদের ঘুষ এর ১০লক্ষ টাকা দেই। পরে আমার অধিগ্রহণের টাকা টার চেক প্রদান করে। মাওয়া হতে ভাংগা পযন্ত যেখানে রেলওয়ে ভূমি অধগ্রহণ করেছে সকলের থেকে চেক এর ১০-৩০ +% টাকা ঘুষ আগে নিয়েছে পরে চেক দিচ্ছ না হয় হয়রানি করেছে। আমার এক পরিচিত লোক ঘুষ না দেওয়ায় এখন ও চেক নিতে পারে নাই।
এদের সার্কুলারে পুরাতন গিটার সংযোগ রয়েছে তাদের ভোটার আইডি কার্ড যথেষ্ট। এছাড়াও অনেক ধরনের কাগজ চাওয়া হয়। চাইলে এরা বাসার উপর যোগ করতে পারে। কতদিনের শেয়ার করবেন নিশ্চয়তা নেই। সংযোগের তার নিয়ে সমস্যা। কিচ্ছু জটিলতা রয়েছে। কিছু জটিলতা নিজেরা তৈরি করে রেখেছে অর্থ পাবার জন্য। মনে হয়েছে তো অর্থ বা ঘুষ ছাড়া মিটার পাওয়া সম্ভব নয়। অফিসে একটা চক্র রয়েছে, এরা অর্থ ছাড়া সাইন করে না। কারণ একজন অফিসে অস্থায়ী কর্মকর্তা দায়িত্ব দেয়ার পরও, অফিস থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। অত্যাবশ্যকিয় সেবা, তাই ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
যে টাকা নিয়েছে তার নাম ও ডিটেইলস নাম — ঠিকানা : — মোবাইল নম্বর — পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড এ চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২৮০০০০ টাকা নিয়ে ১১-১২-২৪ তারিখ এ আমাকে লেটার দেয় যে লেটারে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সিল ছিল ও জবের জন্য বিস্তারিত ডিটেলস ছিল। লেখা ছিল জয়নিং হবে জানুয়ারির ১ তারিখে ২০২৬ সালে কিন্তু পরবর্তীতে ডেট চেঞ্জ করে এরপরে আমার থেকে লেটারটা নেওয়া হয়েছে। এর কিছু দিন পর বলে লোক নিচ্ছে না টাকা ফেরত দিবে কিন্তু এখনও এক টাকাও দেইনি আবার ফোন রিছিভ করে না। সে পেট্রোলিয়াম গ্যাস কোম্পানিতে জব করতো তখন খুলনায়। উক্ত শাখায় ১১ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালের লগ ইন রিপোর্ট দেখলে ওনার নাম পাওয়া যাবে।
১১২ জন,২০২৩ এর ব্যাচ, যখন আত্রাই উপজেলায় শিক্ষা অফিসে সেলারি একাউন্ট তৈরি করতে চাই, তাদের কাছ থেকে জন প্রতি 500 টাকা করে নেওয়া হয়েছিল, শিক্ষা অফিস ও একাউন্টস অফিসের জন্য । ২০২৪ সালের ব্যাচের কাছ থেকে জন প্রতি এক হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ব্যাচের শান্তি বিনোদন ভাতার জন্য জন প্রতি তাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকতা মহান পেশা শুধু মুখে মুখে কিন্তু শিক্ষকদের প্রতিটি কাজের জন্য শিক্ষা অফিসে ঘুষ দিতে হয় কমবেশি। এটাই বাস্তব।