পাসপোর্ট করতে
পাসপোর্ট অফিসে ঘুম বেশি চলে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট অফিসে ঘুম বেশি চলে
খাজনা দিতে গেছি।১৯৮৯ সাল থেকে খাজনা শুরু।মোট ১১,০০০ টাকা মতো হয়।দিয়েছি।পরে উনি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কম্পিউটার সাল ইডিট করে ২০২২ থেকে ২০২৩,দুই বছর বাকী দেখিয়ে দুইবছরের টাকার রশিদ দিয়েছে।কিন্তু টাকা নিয়েছে প্রায় ৩০ বছরের।
এটি মূলত আমি যে কোম্পানি চাকরি করি সেই কোম্পানির কাজে গিয়েছিলাম উনারা সরকারি ফিস বাদে অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে ১৫০০০ টাকা ঘুস প্রদান করি।
ঢাকা মেডিকেল এর আনসার কে ওটি তে রোগীর চিকিৎসা শেষে বকশিস দাবি করে নাহলে সমস্যা সৃষ্টি করে
ময়মনসিংহ সঞ্ছয়পত্র অফিসে সঞ্চয়পত্রের মোবাইল নম্বার পরিবর্তনের জন্য যাবার পর তারা বললো যে ঢাকা থেকে করাতে হবে।তারা ময়মনসিংহ থেকে নম্বার পরিবর্তন করতে পারবেনা, সেইজন্য কিছু খরচ দিতে হবে। আমি ৩০০ টাকা দিতে চাইলে তারা বলে ১০০০ দিতে হবে এইটা নাকি তাদের রেইট করা।
e-Passport with 48 pages and 10 years validity Regular delivery: TK 5,750 সেখানে এমন সিন্ডিকেট করা যে, কেও চাইলে ও নিজে এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন না। দালাল ছাড়া গেলে আবেদন জমা নেয়না। বাইরে এসে দালাল কে ৮৫০০ টাকা দিলে উনারা জাস্ট একটা মেসেজ করে দেয়...(আবেদনে হাজার ভুল থাকলে ও জমা নেয়)।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসে গেলে অফিস সহকারী জানান ১০০০ টাকা লাগবে। তা না হলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হবে না।
হাসপাতালে রোগি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিতে স্টেচার এর জন্য ঘুষ চাওয়া হয় কর্মচারীর কাছ থেকে।
রোগি নিয়ে হাসপাতালের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্টেচার এর জন্য ঘুষ চাওয়া হয় হাসপাতালের কর্মচারীর কাছ থেকে।
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও আমার সাটিফিকেট সংশোধন করতে 15 হাজার টাকা লাগলো। আমার বাবার বিয়ের কাবিননাম না থাকলে সংশোধন করা যাবে না এই কারণ দেখিয়ে ফাইল আটকে রেখেছিল ২ বছর। টাকা দেওয়ার পর ৩ মাসে কাজ শেষ। নিজে আবেদন করলে শুনানীর তারিখ আসে অনেক দেরিতে, ওদের মাধ্যমে করলে 7 দিনে হয়ে যায়।
রাজবাড়ী সদর, ১২নং সুলতানপুর এ ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ***,সরকারি যেকোনো আবেদন জন্য ২০০-৫০০টাকা দাবি করে অথবা তাকে ইয়াবা সেবন করাতে হয় এছাড়াও তিনি চেয়ারম্যান(বর্তমান বিসিএস ক্যাডার ভারপ্রাপ্ত) তার সাক্ষাৎ নকল করে দিলে আরো ৫০০টাকা দাবি করে এবং সাধারণত কোনো সেবা নিতে গেলেও সময় লাগে ৫-৭দিন ১২নং সুলতানপুর ইউনিয়ন বাসী অনেক ভোগান্ত মধ্যে আছে
যখন আমি নিজে নিজে নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে যায়। আমি নিজে অনলাইন এ আবেদন করে নিয়ে যায়, যখন জমা দি, তখন একজনে দেখে বলে যে সব কিছু আনছ কিনা? আমি বলি জ্বি, তারপরও উনি আমাকে একটি কক্ষে যেতে বলে, যেয়ে দেখি কেও নাই। অনেক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর একজন ব্যাক্তি এসে উনি উনার কাজ করতেছে আমার দিকে তাকাইতেছে না, যখন আমি মোবাইল বের করি তখন উনি আমার দিকে তাকিয়ে বলে কেন আসছ, মোবাইল বের করছ কেন? ভিডিও করবা? এর মাঝে আমার পিছনের আরও কয়েকজন আসছে, তখন কিছু কথা কাটাকাটি হয়, এর পর বের হয়ে একজন জিজ্ঞেস করছি আর উনি বলে টাকা দেন নাই তাই ঘুরাইতেছে, তখন আমি বলি কত দিতে হবে, তখন 1500 টাকায় চায় আমি 1400 দিয়ে করতে হইছে।
আমার নামে এক ব্যক্তি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তখন মামলা টি তদন্তের জন্য থানায় আসে থানার ওসি মহোদয় একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন তখন তিনি আমাকে মামলা হতে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য একদম বিনা কারণে 60000 টাকা নেয়
আলোকদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মডেল মাদ্রাসা, বহুলী, সিরাজগঞ্জ এর অধ্যক্ষ সাহেব নিয়োগ বানিজ্য করে আসছে। কমিটির মাধ্যমে সে ২০ লাখ টাকা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। তেমনি নিজে ৫ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে আরো ৫০/৬০ লাখ টাকা নিয়েছে। এমনকি NTRCA এর মাধ্যমে যারা নিয়োগ পান, তাদের কাছ থেকে ১৫/২০ টাকা জোর করে আদায় করে। আমিও এর ভুক্তভোগী।
নামজারি করতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে না দিলে কাগজে ভুল আছে ইত্যাদি বলে আবেদন বাতিল করে দেয় এবং বর্তমানে চলমান ডিজিটাল সার্ভে জরিপে ইচ্ছাকৃতভাবে দাগ ছোট করে জমির অংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ঠিক করতে টাকা দাবি করেছে শতাংশের হিসাব করে টাকার পরিমান দাবি করছে
প্রায় ৩ মাস আগে কোনো দালাল ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্সের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। পরীক্ষার দিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ভাইভা ও প্র্যাকটিক্যাল ছিল। চার চাকার গাড়ি চালানোর সময় যশোর বিআরটিএর এক ব্যক্তি ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বলেন, টাকা না দিলে গাড়ি পেতে দেরি হবে, এমনকি সেদিন নাও পাওয়া যেতে পারে। পরে টাকা দেওয়ার পরই গাড়ি চালানোর সুযোগ পাই। আমার অভিযোগ, যশোর বিআরটিএ অফিসে এভাবে প্রতিদিন ঘুষ বাণিজ্য চলছে। দুঃখজনকভাবে, পাশে ম্যাজিস্ট্রেটরাও দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এসব ঘটছে, অথচ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সরকারি কর্মচারীর মারা গেলে ডিসি অফিস থেকে ৮ লক্ষ টাকা দিয়া হয় ।এটার জন্য আমরা ১ বসর দৌড়াইসি কিন্তু কোনও কাজ হয়নি ১ বসর পরে তার বলে তাদের ৪০০০০ টাকা না দিলে নাকি টাকা পাওয়া যাই না । যদি টাকা না দেই তাহলে এই টাকা কোনদিন পাবনা
আইসিডি কাস্টম চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার — ও — শুল্কায়ন পেপারের ফাইলে ধরে ধরে ঘুষ নেন। দৈনিক অন্তত ৫০০০০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওনারা। বলে ওই কাষ্টম অফিসে যেভাবে দিতেন এখানেও সেভাবেই দিতে হবে। অফিস থেকে কাস্টম খরচ না দিলে আইন আর এসআরও বলে হয়রানি করে। কাজে অনেক বিলম্ব হয়। কোনো অনুরোধ করলে বাজে ব্যবহার করে। শাস্তি চাই।
আমাদের স্খায়ী ঠিকানা কুমিল্লায়। বর্তমান ঠিকানায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মনসুরাবাদ পাসপোর্টের আবেদন করলে রিজেক্ট করে দেয়। কারন দেখায় বর্তমান ঠিকার সাপেক্ষে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। পরে সেটাও জমা দিলেও রিজেক্ট করে দেয়। পাসপোর্ট কর্মকর্তা জানায় আপানাদের বাড়ি কুমিল্লা, সেখানে গিয়ে করেন, চট্টগ্রামে হবে না। পরবর্তীতে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ/আনসারদের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম, আমরা কোন এজেন্সির মাধ্যমে না এসে সরাসরি নিজেরায় আবেদন করাতে জমা নিচ্ছেনা। তারা জানালো এজেন্সির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা প্রতি পাসপোর্টের আবেদন ২৫০০ টাকা পায়। তাই নিরুপায় হয়ে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে ২৫০০ টাকাসহ যে অফিসার রিজেক্ট করে দিল তার কাছেই জমা দেয়। পুলিশ ভাইকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি ছবি আপলোড করেছিলাম কিন্তু তারা আপলোড না দেখিয়ে বলে ছবি আপলোড হয়নি এজন্য টাকা দিতে হয়েছে।