সংশোধন
আমার পাসপোর্টে nid কার্ডের বয়স ছিলনা, সেটা সংশোধন করতে গেলে ১৭০০০ দাবি করে। আমার সংশোধন করার দরকার ও ছিল তাই নিরুপায় হয়ে সংশোধন করে নিলাম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসপোর্টে nid কার্ডের বয়স ছিলনা, সেটা সংশোধন করতে গেলে ১৭০০০ দাবি করে। আমার সংশোধন করার দরকার ও ছিল তাই নিরুপায় হয়ে সংশোধন করে নিলাম
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে, এক মাসের মধ্যে মালিকানা পরিবর্তনের কথা বলে মিরপুর বিআরটিএর কর্মচারী ১০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি ১০০০০ টাকা পরিশোধ করার পরেও আজ চার মাস হয়ে গেলো মালিকানা পরিবর্তন হয় নাই, যোগাযোগ করলে আরো অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করছে।
ই পাসপোর্ট ফর্ম জমা নিচ্ছিলনা,,বাহিরে একজন বললো ঘুষ দিলে কাজ হবে। যখন ১২০০ টাকা ঘুষ দিলাম,,ছবি তুলতে আর কোন দেরি হলো না,,সাথে কাজ করে দিল
নামজারি বাতিল সংক্রান্ত কাগজপত্র ফটোকপি জন্য । চারটি কাগজে ফটোকপি জন্য 12000 টাকা দাবি করে পরে আমি ২০০০ টাকা দিই। সে বলে আরোও 4000 টাকা দিতে হবে
আমি যে বাসায় থাকি সে বাসার একটা মিটার নষ্ট হয়ে যায। মানিক মিটার চেঞ্জ করে দেওয়ার পর।পুরাতন মিটার য়ে দিয়ে টাকাটা ছিল সেগুলো যখন রিফিল করতে চাই। তখন আমর টাকায় ঘুষ নিয়েছি। টাকা না দিয়ে মিটারের টাকা দিবে না।
সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের মূল্য বাবদ সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রদত্ত বিলের বিপরীতে ব্যাংক পুণঃভরণ পদ্ধতিতে কৃষক/মিলারগণকে তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে। এখানে ব্যাংক ১% কমিশন পায়। পরবর্তীতে ফান্ড প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক কর্তৃক পুনঃভরণ বিবরনী দাখিল করলে নিরীক্ষান্তে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস চেক ইস্যু করে। উক্ত জেলা হিসবরক্ষণ অফিস প্রতি চেক এর জন্য ১০০০ (এক হাজার মাত্র) টাকা ঘুষ নেয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৫টি চেকের জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
নামজারি আবেদন এই টাকা না দিলে প্রত্যাখ্যান করা হবে এই জন্য টাকা দেয়া হয়েছে। পরের স্টেপে আরও টাকা লাগবে, নাহলে নামজারি হবে না
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য টাকা চেয়েছিলেন
বলা হয়েছিল এখানে দুইশ টাকা দিন
চাকরি এমপিও করতে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক তাই ঘুষ না দিয়ে বেতন পাওয়া যাচ্ছিল না তাই ঘুষ দিতে হইল।
১। বাড়ীর ভুমি উন্নয়ন কর দিতে গেছিলাম কিন্তু পূর্বে পরিশোধ করা থাকা সত্ত্বেও দায়ত্বরত কর্মকর্তা ৩০০০০ এর উপরে কর নির্ধারন করেন এক পর্যায়ে তিনি বলেন ২০০০০ টাকা দিলে উনি নিজেই পরিশোধ করে দিবেন। পরবর্তীতে ১৫ হাজারে উনি রাজি হয় এবং ১ দিন পর খাজনা কপি হাতে দেয়। তবে দুঃখের ব্যপার হলো ওখানে তিনি খাজনা পরিশোধ করেছিলেন মাত্র ১৭ টাকা ২। নাম জারী করার ক্ষেত্রে দলিল RS দাগের হওয়ায় প্রতি খতিয়ানে ১৫০০০ করে নিয়েছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করার জন্য দ্রুত পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
প্রতিটা অফিসের মধ্যে অফিসের লোকজন কিছু দরবেশ বাবা রাখছেন তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দরবেশ বাবা ছাড়া কাজ করতে গেলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়
ঝালকাঠি পৌরসভার বিদ্যুৎ ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে এবং আমাদের এর কাছ থেকেও বাড়ির প্লানের বিভিন্ন ত্রুটি ধরে ঘুষ নিয়ে থাকে। এবং যে বিল্ডিং এর অনুমোদন আছে তিন তালা সেটা যদি পাশের বাসায় কেউ অবজেকশন দেয় তাহলে — ওই বিল্ডিং এর মালিকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিল্ডিংয়ের কাজ করতে যায় এরকমের বহুৎ ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ভেরিফাই এর নামে ঘুস
সাইনবোর্ডে শুধু রেজিষ্ট্রেশন এর টাকা লেখা এবং তা পরিশোধ করার পরেও ডাটা এন্ট্রির নাম করে অবৈধ ভাবে ২০০ টাকা এক্সটা নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি হল আমি প্রথমে ভোলা রেকর্ড অফিসে সই মোহরের জন্য আবেদন করি , ভোলা রেকর্ড রুমে উক্ত খতিয়ানটি ছিল না তাই তারা উক্ত খতিয়ান টির সইমোর এর জন্য বোরহানউদ্দিনে পাঠায়, এবং তারা চিঠি ইস্যু করে,, এই চিঠি ইশু করতে আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়। এরপর উক্ত চিঠি বোরহানউদ্দিন আসার পর, বোরহানউদ্দিন অফিসে আসার পর তারা আমাকে উক্ত খতিয়ানের ছেঁড়া রেকর্ড দেখায় এবং বলে এটি দেওয়া যাবে না, এরপর এদেরকে ২০০০ টাকা ঘুষ চায়, ঘুষ দিলে এরা এটিকে অনুসন্ধানের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পাঠায় ফুলকাছিয়া, সেখানে যোগাযোগ করলে ওখানকার তফসিলদার আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নেয়, তারপর তারা এটি বোরহানউদ্দিনে পাঠায়, এরপর তারা ভোলা রেকর্ড অফিসে পাঠায় এখানে যোগাযোগ করলে তারা আবার ১ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উক্ত সই মোহর দেয়
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে আমি নিজেই এপ্লাই করেছিলাম। বারংবার বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে সংশোধন করতে ফেরত পাঠানো হয়। কয়েকদিন যাওয়ার পরে বিরক্ত হয়ে আনসারের সাথে কথা বললে, আনসার বলে, উপপরিচালক টাকা ছাড়া নিজে আবেদন করলে সেটা জমা নেয় না। দালালের মাধ্যমে হলে জমা নেয়া হয়। তখন উপপরিচালকের সাথে কথা হয় এবং ২০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সাথে সাথেই উনি বলেন যে টাকা ছাড়া এটা যে হবে না এটা এখন বুঝলেন? এর পরে কাগজ জমা রাখে এবং ছবি তুলে।। আমি যে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ২০০০ টাকা ক্যাশ আউট করেছি তার প্রমাণও আছে। এটা শুধু আমার সাথে না সেখানে দালাল মুক্ত যারা যাচ্ছে তারা সবাই এর শিকার।।
পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে শুধুমাত্র এড্রেসে কমা থাকার অযুহাতে ৩ টা পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ক্যান্সেল করেন, যিনি ডকুমেন্টস যাচাই করেন তাকে এর সমাধান কি জিজ্ঞাসা করলে বলেন আশেপাশে অনেকেই আছে সমাধান করে দিতে পারে, কারা করে তিনি জানেন না কিন্তু ইশারায় আনসার সদস্য কে দেখায়ে দেন, আনসার সদস্যার কাছে গেলে তিনি ভেতরের একজন কে ডেকে নিয়ে আসেন। পাসপোর্ট খুব জরুরি থাকায় উপায় না পেয়ে বাধ্য হই টাকা দিতে।
জমির নামজারি করতে দিয়েছিলাম। তসিলদার কিছু খরচ চেয়েছিলো। পরে দিয়ে দিসি। আমার কাগজপত্র লিগাল ছিলো। আমি ঝামেলা করতে না চেয়ে দিয়ে দিসি।