পাসপোর্ট তৈরীর সময়
পাসপোর্টটি খুব দ্রুত প্রয়োজন ছিল। তখন এসবের আশ্রয় নিতে হয়েছিলো। দালাল ছাড়া পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হতো না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্টটি খুব দ্রুত প্রয়োজন ছিল। তখন এসবের আশ্রয় নিতে হয়েছিলো। দালাল ছাড়া পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হতো না।
টাকা দিলে রাতে এসে অফিশ খুলে কাজ করে দেয়। দিনে লাইনে দাড় করিয়ে অযাচিত ভূল ধরে। অথচ রাতের বেলা সেই কাজ ১-২ দিনে করে দেয়।
চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ-তে একজন আপা থাকেন ১৫০০-১ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল বের করে দিতে চায়না তাকে প্রথমে ৩০০ টাকা দিয়েছি খুব রাগ করেছে পরে আর ২০০ দিয়ে মোট ৫০০ দিয়ে রাজি করিয়ে তারপরে আমার ফাইল বের করিয়েছি আমি শুনেছি আপা প্রচন্ড ঘুষখোর আপার সাথে দেখা করা বা পরামর্শ চাইলেও ৫০ টাকা ১০০ টাকা লাগে।
হাড়ের ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য আলাদা কক্ষে নিয়ে ১,৫০০ টাকা নিয়ে ইঞ্জেকশন পুশ করে।
আমি ঢাকায় থাকি কোরবানির ঈদে বাড়িতে যাই সিদ্ধান্ত নিলাম আমার, আমার বাচ্চার ও বাচ্চার মায়ের পাসপোর্ট করাবো। আমি সব কিছু অনলাইনে আবেদন করি এবং ব্যংক এ সরকার কর্তৃক নিধারিত ফি জমা দিই। পিগঙার ও ছবি দিতে ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার ২ দিন পরে যাই সকাল ১০ টার মধ্যে আমরা পৌঁছে যাই আমার বাচ্চার বয়স ২ বছর। সারাদিন আমাকে ঘুরিয়েছে এক বার বলে আমার এত আই ডি ঠিক নাই। অথচ ২০০৮ সালের ভোটার আমি৪ বার ভোট দিয়েছি। এরপর শুরু হল ছেলে যে আমার এটার প্রমাণ দাও টাকা কাড জন্ম সনদ সত্যিইত কপি জমা দেওয়ার পর ও বলে এই বাচ্চা যে আপনার প্রমাণ কি।এই রকম করে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আমাকে ঘুরাতে থাকে। পরের দিন আমরা ঢাকায় ফিরবো। কি জামেলা। ঠিক শেষ সময় এসে আনসার বলে ভাই ৫000 হাজার দেন সব ঠিক করে দিব নির উপায় হয় দিলাম ৫ মিনিট এর মধ
নতুন লাইসেন্স করতে গেলে হাজারো ভুল ধরে পরে ১০০০ টাকা দিলে সব ঠিক।
আমি নাম খারিজের আবেদন করেছিলাম।তিন তিন বার বিভিন্ন অজুহাতে বাদ দেয়। চতুর্থ বার ৩৫০০টাকার বিনিময়ে নাম খারিজ হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সময় আলাদা আলাদা ১০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। প্রতিবার ১০০ টাকা করে। বিষয়টা যেন নির্ধারিত।
৬ তলা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণে এ যাবত প্রায় ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কিন্তু কোন নাগরিক সেবা নেই।
তারা সরকারি কর্মচারিদের বেতন, পে ফিক্সেশন করে। নতন চাকরি হলে পে ফিক্সাশন করতে,বদলী হলে এলপিসি নিতে গেলে তাদেরকে ১০০০,২০০০ টাকা সম্মানি দিতে হয়। এটা সবার ক্ষেত্রে।
প্রতিষ্ঠানে এসে বলে, ভাই ঈদের পাঞ্জাবি কেনার টাকা পাঠিয়ে দিয়েন, দুইদিন দেরি হলে আবার ফোনও দেয়, কই ভাই দেখা করলেন না তো! এভাবেই চালিয়ে যাওয়া লাগছে ক্ষুদ্র ব্যাবসা, যার পুঁজি পর্যন্ত পুলিশ চান্দাই খেয়ে নিচ্ছে!
প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাকডেটেড এসিআর নিতে চাইলে জনপ্রতি 500 টাকা করে এ টি ই ও কে দিতে হবে।
আমার একটি জমির পুরনো দলিলের কপি বের করতে বলি প্রথম আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়নি যখন বললাম আমি কিছু চা খাওয়ার টাকা দিচ্ছি আপনি বের করে দেন তখন সে বললো সাইডে দাড়ান আমি ডাকলে আসবেন...
5600 টাকা না দিলে তারা আমার নামজারি করবে না
ঠিকাদারের মাধ্যমে উত্তরায় ৬ তলা বাড়ির গ্যাস সংযোগ পেতে ২৫০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়।
দীর্ঘদিন যাবত প্রায় ১ বছর আয়কর রিটার্ন এর ফাইলটি কিশোরগঞ্জ কর অঞ্চল থেকে সিলেট কর অঞ্চল এ আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। আয়কর অফিস কিন্তু আবার কোন টাকা দাবি করে না। উনারা খুব ভাল মানুষ!!! পরে সিলেট আয়কর অফিস এ যোগাযোগ করে ২০০০ টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কর অঞ্চল পরিবর্তন হয়ে গেছে। দারুন ব্যাপার না!!!
ঘটনাটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী বা মার্চের দিকে। গেলাম পাসপোর্ট অফিসে বড় বড় ব্যানার পোস্টারে লিখা বিভিন্ন রকম পাসপোর্টের তৈরির সময়সীমা, মেয়াদ ও টাকার পরিমান। এসব দেখে ভালোই লাগলো কিন্তু মন খারাপ হলো যখন দ্বিতীয় তলায় একটা রুমে গেলাম, তার আচরণ খুবই ভালো কিন্তু টাকা লাগবে ৪ হাজারের জায়গায় ৮০০০ হাজার। শুধু নাম ঠিকানা পরিচয় আর ফিংগার প্রিন্ট আর ফটো দিয়ে আসলেই হবে। আমি রীতিমতো অবাক, গেলাম অফিস প্রধানের কাছে ওনি বলে এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না, তাড়াহুড়ো করে নামাজে চলে গেলেন। তারপর আবার আগের জায়গায় এসে দেখি এক ছাত্র লীগের নেতা বলতেছে আমি ছাএলীগ করি আমাকেও গত ১মাস ধরে দিচ্ছেন না, আমি আপনাকে দেখে নিবো। তখন ঐ কর্মকর্তা বলেন আমার ভাই সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা কিছুই করতে পারবি না, আর আমার বাসা শেরপুর।
নামজারির করার জন্য নিয়েছে
অনন্যা আবাসিক এলাকায় জমির লিজ দলিল ও অতিরিক্ত জমি ক্রয়ে ধাপে ধাপে ২.৫ লক্ষ টাকার অধিক ঘুষ প্রদান করা হয়েছে।
আমি মোটরসাইকেল এবং হালকা জনের লাইসেন্স করতে গেছিলাম সেখানে আমাকে আপনাকে সকল বিভাগের সহজে পাস করাই দেয়া হবে এই শর্তে সে টাকাটা দাবি করে