ভেরিফিকেশন
আমার মেয়ের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছিলো। এবং পুলিশের নির্ধারিত যায়গায় গিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার মেয়ের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছিলো। এবং পুলিশের নির্ধারিত যায়গায় গিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছিলো।
ক্রয়কৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে ১০২০০ হাজার টাকা বেশি দেয়া লেগেছে সরকারি ফি এর চেয়ে। মহরি বলে এটা নাকি অফিসার কে না দিলে রেজিষ্ট্রি করে না। পরিস্থিতির শিকার হয়ে টাকা বেশি দিতে বাধ্য হয়েছি। এবং শুধু আমি না সবাইকেই দিতে হচ্ছে যেকোনো সেবার জন্যই। আরও একটা আছে সেটা হচ্ছে দলিল এ টিপসই এর জন্য ২০০ টাকা দেয়া লাগে।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - জোন ০১(উত্তরা) এর অফিসের আওতাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দিয়াবাড়ী এলাকায় আমার ভবনের নির্মাণাধীন কাজ সরকারি নিয়ন মেনে সমাপ্ত করার শেষ পর্যায়ে এসে গতবছর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - রাজউক কতৃক মোবাইল কোর্ট এসে আমাদের ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেইন মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং অপরাধ দেখায় রাজউকের নকশা দেখাতে না পারা কিন্তু আমরা তাৎক্ষনিক রাজউকের পাস করা নকশার কপি দেই এবং বলি যে নকশার মূলকপি অফিসে আছে, সেটা দেখাতে পারবো বা জমা দিতে পারবো কিন্তু তারপরেও নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং আমরা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করি, কিন্তু তারপরও রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা জোন-১ এর ইন্সপেক্টর — ৫ লাখ টাকা গত মার্চ ২০২৬ এ নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সমাধান করেনি।
পাসর্পোট ভেরিফিকেশন এর সময় আমার এনআইডি কপির সাথে সরাসরি ৫০০ টাকা চাইলো বললো খরচ দিতে হয় এইটাই নাকি নিয়ম। আমার সৌদি আরবে ভিসা হওয়ার কিছু দিন আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে গেলাম তখন ১৫০০ টাকা নিলো। বলে যে একটা লোক আপনার এই কাগজ টা নিয়ে জেলা শহরে আসবে যাবে গাড়ি ভারা আছে না তার নাস্তা পানি দরকার পরে না এই খরচ আবার অফিশিয়াল খরচ মনে করবেন না। এই হইল অবস্থা।
আমি এবং আমার খালাতো ভাই নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আবেদনপত্রের কপি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আমাদের আবেদনে ভুল রয়েছে। আমি তখন বললাম, “ঠিক আছে, কোথায় ভুল হয়েছে সেটা উল্লেখ করে দিন।” কিন্তু ভুলটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করে আমাদের নিচের একটি দোকানে যেতে বলা হয়। সেখানে যাওয়ার পর দোকানের লোকজন জানায়, ২,০০০ টাকা দিলে তারা সমস্যাটি সমাধান করে দেবে। বিষয়টি আরও আশ্চর্যের ছিল, কারণ পাসপোর্ট অফিসের ওই কর্মকর্তাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে ১,৫০০ টাকায় তারা রাজি হয়। এরপর আমরা আগের সেই একই ডকুমেন্টস নিয়ে আবার গেলে তারা আবেদনটি সম্পূর্ণ করে দেয়। অর্থাৎ, আগে যে ডকুমেন্টস ও আবেদনপত্রে ভুলের কথা বলা হয়েছিল, অতির
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দায়রা জজ আদালত ছয় (6) এর বিচারক আসামী পক্ষ থেকে প্রভাবিত হয় ২ লক্ষ টাকা প্রায় ঘুষ গ্রহণ করেন এবং চেক ডিজাইনার মামলা হতে অব্যহতি দেন কোন প্রকার সাক্ষী শুনানি ছাড়াই বাদীপক্ষের এতে বুঝা যায় যে কোর্টে পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন হয়... এবং আপনারা দেখবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাইরাল নিউজ জর্জ কোট হামলা এবং ভাঙচুর... মানুষ বা জনগণ আইনের প্রতি যখন শ্রদ্ধাশীল থাকে না তখন এ সকল প্রতিষ্ঠানে হামলা করে.
গভীর নলকূপ বার্ষিক নবায়ন। নবায়ন ফি ৬৯০০০/- নবায়ন সার্টিফিকেট পেতে হলে আরও ৯০০০/- টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে।তাই ৯০০০/- টাকা ঘুষ পরিশোধ করা হয়, যাহা পরিশোধের কোনো রশিদ গ্রাহকে দেয়া হয় নাই।
আমি মুক্তাগাছা জমি ক্রয় করি তার নাম জারি করার জন্য অনলাইনে ভূমি অফিসে আবেদন করি ওরা মেসেজ দিয়ে আবার আবেদনটি বাতিল করে দেয় এবং ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে বলে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে বলে এই কাগজ সমস্যা আছে তো আপনি 8-10 হাজার টাকা খরচ করলে এটা সম্ভব দরদাম করে আমি টাকাটা দিলাম আমার কাগজ হয়ে গেল আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানে আমাকে আর কোন বাড়তি কাগজপত্র কোন কিছু ডকুমেন্ট দিতে হয়নি পূর্বের দেওয়া কাগজপত্রে আমার নামজারি হয়ে গেল প্রশ্ন হল তাহলে পূর্বে কেন বাতিল হলো টাকা দিলেই যদি সব হয় তাহলে অনলাইন সিস্টেম টা কি...?
রাজউক থেকে কেনা Flat registration করার সময়
Private flat registration
মেডিকেল লিভ কাটিয়ে বেতন চালু করতে টাকা চেয়েছিল। টাকা দিতে না চাওয়ায় বিভিন্ন কাজ দেখিয়ে বেতন চালু করতে দেরি করছিল। টাকা দেওয়ার পর দ্রুত কাজ করে দিয়েছে।
1170 টাকার নামজারিতে নিছে 10000 টাকা
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ঢাকাতে পাঠাতে হয়। এই উপজেলা থেকেই ফাইলটা ঢাকা পাঠাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রত্যেক শিক্ষককে প্রায় 5000+ টাকা করে দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ফাইলটা উপজেলা থেকে ঢাকাতে সাবমিট করবে। এই টাকা তারা সরাসরি নেন না, প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে নিয়ে থাকেন। আমি নিজেই এটার ভুক্তভোগী। মনে করেছিলাম ঘুষ ছাড়া চাকরি করব, কিন্তু এখানে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। শুধু এমপিও ফাইল নয়, আরো যত ফাইল আছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়।
আমার ৬ শতাংশ জায়গা আমি খাজনা দেওয়ার জন্য গিয়েছি দুই বছরের আমার হিসাবে হয়তো ২৪ থেকে ৩০ টাকা হতে পারে আমার থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি ভূমি অফিসে অফিসার আমি বলেছি আমার দুই বছরে আর কত টাকায় আসে না হয় ৩০ টাকা আসে বা ৪০ টাকা আমি কেন ২০০ টাকা দিব উনি আমাকে বলতেছে ২০০ টাকা দিলে আপনার দাখিলা বা খাজনা কেটে দেব না হলে চলে যান পরে আমি ২০০ টাকা দিয়ে কেটে নিই তবে এটা প্রথমবার না এভাবে যতবার গিয়েছি তত বারে আমার কাছ থেকে টাকা বেশি দাবি করেছে এবং নিয়েছে আজকে প্রায় ১০-১২ বছর পর যাবৎ এভাবে চলতেছে
বিষয়: প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব ও অনৈতিক অর্থ দাবির বিষয়ে অভিযোগ জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার স্ত্রী দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সিনিয়র স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি বদলির কারণে তিনি অন্য উপজেলায় যোগদান করেছেন। তবে পূর্বের কর্মস্থলের কিছু প্রশাসনিক কার্যক্রম এখনো সম্পন্ন করা বাকি রয়েছে। উক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা —ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ ও অনুরোধ করা হয়েছে। দুঃখজনকভাবে, প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে অযথা বিলম্ব করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ প্রদানের বিষয়ে চাপ/দাবি করা হয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি। বর্তমানে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে বাকি প্রশাসনিক কাজগুলো আরও বিলম্বিত করা হবে—এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আমি একটা পুরাতন বাইক কিনি সেটার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য চুয়াডাঙ্গা বি আর টি এ তে যায় সেখানে আমার কাছে সব কাগজপত্র ছিল বিক্রেতাও আমার সাথে ছিল তো বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া ছিল না, উনারা বললেন পুরাতন বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে তারপর কাজ করা যাবে আমি বিক্রেতাকে সাথে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার জন্য গেলাম সেখানকার কর্মরত অফিসার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে না, সব কাগজপত্র সঠিক নেই উনি বললেন আমি সবকিছু থাকে ভালোভাবে যাচাই করতে বললাম সবকিছুতেই কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছিল আমি বললাম সঠিক নেই তাহলে স্বাক্ষর করলেন কিভাবে? উনি উনি কোন কথাই শুনলেন না পরে উনি 500 টাকা নিয়ে ফিঙ্গার দেয়ার সুযোগ দিলেন। আমি তাকে ৫০০ টাকা দিয়েছি, তখন সব কাগজপত্র সঠিক হয়ে গিয়েছে আর কোন ভুল ছিল না সবকিছু পানির মতন পরিষ্কা
নামজারি পতিবেদন এর জন্য ৫০০টাকা।হোল্ডিং খোলার জন্য ২০০টাকা
রিটার্ন তৈরী করতে সহযোগিতা করেছিল বলে অর্থ দাবি করেন এবং এর ধারাবাহিতায় পর পর আরও ২ বার অর্থ তাবি করেন
বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স এর জন্য ৫০০০/- দাবি করেছিল। আমি পরিশোধ করে লাইসেন্স নেই।
ফাইল অডিটে পড়ার পর আমি একজন উকিল ধরি। উক্ত টাকা শুধু অফিস খায় নাই আমার মনে হয় উকিল জড়িত ছিল। কারণ এত টাকা লাগার কথা না। হাউজ রেন্ট ছিল ইনকাম সোর্স। এরপর রিসেন্টলি ওই অফিস আরো দুইটি ফাইল থেকে ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছে। ভয় দেখিয়েছে অডিটে পড়লে আরো বেশি খরচ হবে। এই সবগুলোই উকিলের মাধ্যমে। আয়কর উকিল গুলোকে বিশ্বাস করা যায় না। মনে হয় সবগুলো অফিসের সাথে উকিলদের সম্পর্ক থাকে।