এসানইনেন্ট
সব ঠিক থাকার পরও আয়কর বিবরণী রিটার্ন তদন্তের নামে হয়রানি। বাড়ি ভাড়ার চুক্তি নাই, অথচ বাড়ি টিনসেড এইটা দিয়ে টাকা নিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সব ঠিক থাকার পরও আয়কর বিবরণী রিটার্ন তদন্তের নামে হয়রানি। বাড়ি ভাড়ার চুক্তি নাই, অথচ বাড়ি টিনসেড এইটা দিয়ে টাকা নিলো
বাবার সূত্রে পাওয়া জমি, 2 টি বন্টন নামা দলিল করার প্রথমেই চুক্তি করি নেই, ১ টি দলিল ২৪ হাজার টাকা ওপর টি ৬০ হাজার টাকা. আমার বোন তার প্রাপ্য জমি বন্টন এর পূর্বেই বিক্রি করে যা বন্টন নামা দলিল এ তার বিক্রয় কৃত জমি শূন্য বা না দাবি লেখা হয়. (যদিও এইটা দলিল লেখকদের পরামর্শেই করি) কিন্তু ফাইল অফিসারের টেবিলে পৌঁছানোর আগেই জমি রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা না দাবি লেখার কারণে ভুল ধরে. পরবর্তীতে 2 টি দলিল পার করতে চুক্তি টাকা ছাড়াও ৯৫০০০/- টাকা অতিরিক্ত প্রদান করতে হয়. যা আমাদের মতো প্রবাসীদের পক্ষে মেনে নেয়া অত্যন্ত কষ্টের😒. কিন্তু দেখার কেউ নেই এক আল্লাহ ছাড়া.
আমি পাসপোর্ট বানাতে জাই রিয়াদ দূতাবাস সৌদি আরবের আকামা নাম একটু ভুল ছিল আমাকে পাসপোর্ট হবেনা ওনি আমাকে বের করে দেয় ওনার এক লোক এসে বললো হবে টাকা লাগবে আমি বললাম কত টাকা দিতে হবে 2000 রিয়াল আমি বললাম কম হবে না ওনি বলে না হবে না ইমেইল [redacted]
তখনকার সাবরেজিস্টার ছিলেন একজন হাজি সাব।আমার মার জমি দলিল করতে গেলে উনি টাকা চান।আরো মজার ব্যাপার হলো উনি ঘুষের টাকা নেন আসরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফায়ার লাইসেন্স প্রতিবছর নবায়ন বাবদ এক্সট্র ৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়।
বিস্ফোরক লাইসেন্স, সরকারি ব্যাংক জমা ১২৪০/- কিন্তু এখানে ৩০০০০/- টাকা কন্টাক্ট করে কাজ করে। নইলে লাইসেন্স হয় না।
বিদ্যুতের মিটারে সমস্যা দেখিয়ে মামলা করার ভয় প্রদর্শন করে ঘুষ চেয়েছিল!
Renewal License for 2026-27
জমি হহস্তান্তরের পরে খতিয়ের নাম জারির জন্য ধানমন্ডি ভুমি অফিসের কর্মকর্তার প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য প্রথম এ বিভিন্ন অযুহাত পরে ৫০,০০০/-টাকা ঘুস চায়, ৪০,০০০/-টাকায় কাজ করা হয়
বললো এটা দপ্তরিক খরচ তারপর কোথায় কোথায় কাগজ পাতি দেওয়া লাগবে তাই এই খরচ হবে। আমি জানতাম হয়তো ২০০০-৩০০০ হাজার লাগতে পারে। কিন্তু এতো বেশি নিল তাই এই দরখাস্ত
মৌজা ম্যাপ ঢাকায় গেছে। কুরিয়ারে অানবে।দোকান নাকি একটাই। কালিতলা বগুড়া। যার থেকে যেভাবে পাচ্ছে নিচ্ছে। আল্লাহ এসব লোকের কর্মের উত্তম ফল দান করুন।
আমার plan অনুসারে বিল্ডিং ঠিক থাকার পরও আমাকে নোটিশ দিয়ে দেখা করতে বলে। আমি plan এর কপি জমা দিয়েছি। সরজমিনে মাপ না দিয়ে আমাকে আবার নোটিশ দেয় তখন বুঝলাম টাকা ছাড়া নোটিশ বন্দ হবে না। টাকা দিবার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।
টাকা না দিলে কাজ হয় না কাগজ আটকে রাখে
আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর আমার মায়ের চিকিৎসা ভাতা প্রসেস করার জন্য একাউন্টস অফিসে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিবার সাথে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। পরে যখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে আবার ৬০০০ টাকা দিয়ে হয়েছে।
আমার একটা দোকান ছিল সকারী জায়গায় আমার দখলে এখন লিজ নিয়েছি সরকারি খরচ হলো ১৯৬০ টাকা তারা নিয়ে ১০০০০০ টাকা সবার থেকে নিচে টায় আমি ও দিতে হইছে আমার হিসেবে পাই ৫০ কোটি টাকা এবাবে নিয়েছে।
প্রিপেইড মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে হবে, বললো ৭-৮ দিন লাগবে, আর কাজ নাও হতে পারে, ৩০০০ টাকা দেন দেখি কি করতে পারি, একে বাড়ে এ অফিসের মধ্যে কথা গুলো বলল, জীবনে প্রথম বার কেউ এই ভাবে চা পানি খাওয়ার জন্য, সুট বুট পড়া ভদ্রলোক টাকা চাইলো, না দিয়ে পারলাম না, ফলাফল ২ ঘন্টার মধ্যে কাজ কমপ্লিট
আমার জানা মতে জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে, আমি চুক্তির মাধ্যমে ৬০০০টাকা করেছি।
ডাক্তারির লাইসেন্স নিতে গিয়ে urgent এর সকল ডাবল ফি পেমেন্ট করার পরও ঘুষ দিতে হয়েছিলো. [redacted] এটা তাহার নাম্বার. ওরা পুরোটাই একটা গ্রুপ.
জমি রেজিস্ট্রি একসময় বলা হয়েছিল যে পুরো দরিলে চেইন মিলাতে হবে কিন্তু আমার তা ছিল না এজন্য এই টাকাটা নিছে।
এনআইডি সংশোধন জরুরি ছিল। কিন্তু সব কাগজ দিয়ে আবেদন করেও ২ মাস যাওয়ার পরও সমাধান করেনি।পরবর্তী একজন দালালের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা সন্ধ্যায় বিকাশে দেওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে এনআইডি সংশোধন করে দেয়। আমিতো তাদের কারিশমা দেখে অবাক।