তদন্ত করার জন্য
জিডির তদন্ত করার জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জিডির তদন্ত করার জন্য
সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য , পুলিশ বাড়িতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর, পরের দিন বিকালে মাহিগঞ্জ বাজারে ২০০০০ টাকা নিয়ে দেখা করতে বলে। অফিসে স্যারদের পিছনে খরচ রয়েছে জানান না হলে ভেরিফিকেশন নো হবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফাইল জমা দিতে গিয়ে ৫০০ টাকা ফিতে হয়েছে 🫡
রোগী জন্য সিট নিতে হলে 250 টাকা দিতে হবে
নামজারীতে জমির পরিমাণ ভুল, যা সিটি কর্পোরেশনের নামে কিছু অংশ রের্কড হয়।
আমাকে আউটসোর্সিং এ চাকরি দিবে কথা বলে ২০২৩ সালে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই অফিসের কেয়ারটেকার। চাকরি তো হই নাই, টাকার জন্য এখানো ঘুরাঘুরি করি। টাকা ফেরত দেবার তারিখ বিহীন চেক দিছিল, কিন্তু ওই একাউন্ট আজ পর্যন্ত টাকা রাখেনি। একপ্রকার চেক দিয়ে প্রতারণা করেছিল। আমার কাছে প্রমাণ সহ আছে। এমন অনেকেই এখনো ভুক্তভোগী হয়ে ঘুরাফেরা করছে।
আসসালামু আলাইকুম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার এসআই — আমার থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার মত ভুক্তভোগী এবং বাদী পক্ষের থেকে নাস্তা খাওয়ায় কথা বলে ঘুষ নেওয়াটা আমি অযৌক্তিক মনে করছি। শুধু আমার না এভাবে প্রত্যেক অভিযোগ এবং মামলায় তিনি অনেক অনিয়ম এবং ঘুষ নিয়ে থাকেন। তিনি একজন ঘুষ খোড় এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। আপনার তদন্ত করলেই জানতে পারবেন । বিস্তারিত লিখতে পারলাম না । তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হতে পারবেন।
ঘুষ না দিলে খারিজ আবেদনের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না। ফাইল গায়েব হয়ে যায়। শুধু শুধু গ্রাহক হয়রানি করা হয়। বিনা কারণে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। শেষ বেলা খারিজ নামঞ্জুর করা হয়। তবে জমির অবস্থান, পরিমাণ, জমির মূল্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে খারিজের জন্য ঘুষের টাকা কম-বেশি হয়। বানিজ্যিক জমির ক্ষেত্রে ঘুষের পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
স্থানীয় সরকার শাখায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী পদে গণ বদলীর মাধ্যমে জিম্মি করে সাবেক ddlg মহোদয় উৎকোচ গ্রহণ করেছে। বদলী বানিজ্য এতটাই প্রকট যে গত বছরের এপ্রিল/২৫ হতে জুলাই/২৬ পর্যন্ত মোট ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণের মোট ৮টি এবং হিসাব সহকারীদের ৩টি বদলীর অর্ডার হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমি নিজে ভুক্তভোগী।
আমাকে বলা হয়েছিলো *আপনি শুধু পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবেন * বাকিটা আমরা দেখবো।
আমার বাচ্চার জন নিবন্ধন করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে, সরকারি সঠিক নিয়ম এ নিবন্ধন করতে হলে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সরকারি অফিসাররা প্রতিটা সাক্ষর এর জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।তবে ঘুষ দিলে ২ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়। প্রতিটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আলাদা আলাদা পরিমাণের টাকা প্রয়োজন হয়। কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ নেন না, তাদের পক্ষে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ঘুষ নেন। @
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট অফিস মনসুরাবাদ, চট্টগ্রাম এ। পিতার নাম লেখার নিয়ম NID অনুসারে। NID তে পিতার নাম এর আগে মৃত একটি শব্দ ছিলো, এটা ভুল বলে আবেদন নেই নি। বাইরে কিছু ফটোকপির দোকান আছে, সেখানে গেলাম একজন রেন্ডম মানুষের তথ্যে, গিয়ে সব বলতে ওরা ২০০০ টাকা চাই। ২০০০ টাকা দেয়ার পরে, NID এর ফটোকপিতে একটা সিল দিয়ে এটেস্টেড লিখে দেই। এরপর ওই কাগজ নিয়ে একই ব্যক্তির কাছে যাওয়ার পর সে সিল দেখে সরাসরি আম্মা বলে সম্বোধন করে এবং ছবি তোলার রুমে পাঠায়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আমানতগজ্জ ভূমি অফিস খাজনার বইতে নাম উঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে সেখানের অফিস সহায়ক মহিলা, সে ঐ অফিসের সকল অবৈধ কাজের সহায়ক, সে অফিসারদের হয়েই কাজ করে, সে ঐ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে, যে কোন সেবা নিতে আসা লোকদের কে হয়রানি ছাড়া কাজ করে দেন না, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,আমানতগজ্জ মৌজা, আমানতগজ্জ ভূমি অফিস
নামজারি করতে গেলে ৩০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে অন্যথায় হবে না। কোন সহযোগিতা তারা করবে না টাকা ছাড়া
পাসপোর্ট অফিসে সকল কাগজ পত্র জমা দিলে বিভিন্ন ভুল ধরে কাগজ পত্র ফেরত দিয়ে দায়। পরে পাসপোর্ট অফিসের পাশের বিভিন্ন ফটোকপির দোকানের লোকের সাথে পাসপোর্ট কর্মকর্তা দের সাথে একরকম লিয়াজো থাকে, ঘুষের টাকা তাদের কাছে জমা দিলে , দোকানদার ফরম এ একটা কোড দেয়, ওই কোড পাসপোর্ট কর্মকর্তারা দেখলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। যার ফলে পাসপোর্ট অফিস দালাল মুক্ত কিন্তু বাস্তবে ফটোকপির দোকান সব সেটআপ হয়ে থাকে। @
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের চাকরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কুমিল্লা জোনের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৫৪৮০০০ টাকা নেয়। পরে চাকরি ওহয় নাই টাকা ও ফেরত দেয় নাই।
প্রথমে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম । কিন্তু সবকিছু ঠিক থাকার পরও প্রথমবার ফেল করিয়ে দেয়। অন্যদিকে যারা দালাল ধরছিল তাদের মাঠে এক্সামও দেওয়া লাগে নাই শুধু নাম লিখে চলে আসছে, তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে গেছে । পরে বাধ্য হয়ে আমাকেও দালাল ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করা লাগছে। BRTA তে সব বাইনচোদ একসাথে জড়িত।
নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দিতে গেলে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তারা। সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটার কম্পোজ এর দোকানে গেলে, তারা বলে কোনো সমস্যা নাই। টাকার জন্য জমা নিচ্ছে না। আমি বললাম টাকা তো চাইলো না। সে বললো আপনার কাছে টাকা চাইবে না আমাদের মাধ্যমে (কম্পিউটার কম্পোজ এর দোকানদার) দিতে হবে। সে বললো আমাকে ১৩০০ টাকা দিয়ে আপনি ২ তলায় একটা রুমে যাবেন, আমি তাকে ফোনে জানিয়ে দিবো। উনি স্বাক্ষর করে দিলে জমা নিবে।