Driving License
ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশনের সময় সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশনের সময় সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় নেয়।
ভবন নির্মান কাজে বাধা দিয়ে ঘুস দাবি করে। না হলে ভবন ভেংগে ফেলার কথা বলা হয়। সারাদেশে রাজউক এর যে ড্রইং দেয়া হয় তাতে কখনো ভবন নির্মান করা সম্ভব হয় না। পরে ঘুস প্রদান করে কাজ করতে হয়। অলিখিত নিয়ম যখন যে ইন্সপেক্টর আসবে বদলি হয়ে তাকেই ঘুস দিতে হবে সকল নির্মানাধিন ভবন থেকে।
NAMJARI KORAR JONNO TK
আমি আমার প্রফেশনাল সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য ফ্রম জমা দিয়েছিলাম।ফর্ম জমা দেওয়ার পরের দিন সার্টিখিকেট দেওয়ার কথা থাকলে ও সেদিন সার্টিফিকেট নিতে ৫০০টাকা দিতে হবে জানিয়েছিল।এবং আমি সমস্যার জন্য নিজে আসতে ওারব না বললে বলে আমার হাজবেনট যদি সার্টিফিকেট নিয়ে যায় তাহলে আরও ৫০০ দিতে হবে,,,মোট ১০০০ টাকা দিয়ে আমি এটা নিয়ে আসি।
পেফিক্সেশনের কাগজ জমা দেওয়ার পর নানাভাবে হয়রানি করে,এই কাগজ, অই কাগজ চায়।অত:পর সাইডে কথা বললে ১৫০০ টাকা চায়, ১০০০ দিতে হইছে।এছাড়াও ইনক্রিমেন্ট এড করার জন্য ৮০ টাকা করে নেয়।
কুড়িগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ছবি তোলার সময় অপারেটর ১০০ টাকা দাবি করলে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি। ঘটনা গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বিষয়টি আমাকে খুবই প্রভাবিত করে তাই শেয়ার করলাম।
জমির দাখিলা,খাজনা পরিশোধ।
আমার পাসপোর্ট এর ফরমে মেরিটিয়ার স্ট্যাটাস ছিল বিবাহিত কিন্তু উনারা আমার কাছ থেকে তৎক্ষণাৎ বিয়ের কাবিননামা চেয়েছিল। আমার পক্ষে তৎক্ষণাৎ বিয়ের কাবিননামা দেওয়া সম্ভব ছিল না কারণ কাবিননামা উঠান লাগতো তারপরে দেওয়া লাগতো এখানে উল্লেখ্য আমি ছিলাম অসুস্থ আমি ট্রিটমেন্টের জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। অবশেষে আমি একজনের শরণাপন্ন হই এবং সে আমাকে ২০০০ টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট করে দেয়।
সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে বিদেশে যাওয়ার অনুমতির জন্য সিভিল সার্জন অফিসের একটি প্রত্যয়ন প্রয়োজন হয়। সেজন্য ২১ দেওয়া হয়েছে।
আমার কাজিনের জন্মনিবন্ধনে নামের সাথে পাসপোর্ট অমিল থাকায় পাসপোর্ট অনুযায়ী আপডেট করাতে যাই। তখন তারা বলে ডিসি অফিসে যেতে, তাদের কাছ থেকে ফাইল ঢাকা ডিসি অফিসে যায়। এটা আসতে কতদিন লাগবে, হবে নাকি হবেনা তারা জানেনা! পরে হয়রানির ভয়ে যখন টাকা অফার করি, ২ঘন্টায় তারাই সেই এপ্রুভাল দিয়ে দেয় এবং ২ দিন পর হার্ড কপি নিয়ে আনার জন্য কল দেয়।
হুট করে সিদ্ধান্ত নেওয়াতে ট্রেনের তাৎক্ষণিক টিকেট পাইনি। পরে কাউন্টারে এসেও টিকিটের চেষ্টা করি। তবুও পাইনি। পরে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশরা এসি বগিতে সিট দিবে বলে ৮০০ টাকা চায়। শেষ পর্যন্ত আমি ৭০০ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছি। বেনাপোল এক্সপ্রেস । অলরেডি মোবারকগঞ্জ থেকে কুষ্টিয়া চলে এসেছি। এসি বগিতেই আছি।
আমাদের প্রায়ই ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিসার জন্য যেতে হয় কিন্তু লাষ্ট গতবছর একটা কারনে ভর্তি রাখে আমরা রোগীকে ফলে ভর্তির সময়ে কোন ওয়ার্ডে সিট নাই , এটেন্ডেস রা এসে টাকা দাবী করলে সিট পাওয়া যায় , পরে দামাদামী করে সিট নেয়া হলো , আবার তারা এটাও বলল যাওয়ার দিন আমাকে ফোন দিয়ে জানিয়ে যাবেন । অর্থাৎ সরকারি সিটের জন্য তারা টাকা নিচ্ছে এবং চিকিতসা শেষে তারা আবার ভাড়া দিচ্ছে । এ ধরনের ঘটনা গুলো হরহামেশা হচ্ছে ।
ডাক বিভাগের লোক যারা চিঠি দেয় সে আমার বাড়িতে এসেছে কি দেওয়ার পর বলতেছে এখানে আসতে খরচ হয়েছে ১০০ টাকা দাও পরান পাখি ৫০ টাকা দিয়েছি কেনা নিয়ে যাবে না বলে খরচ হয়েছে
গাড়ির ফিটনেস হবেনা বিভিন্ন অজুহাত টাকা দিলে কোন অজুহাত নাই। আর ফিটনেস করতে টাকা দিতে হবে এটাই নিযম। টাকা ছাড়া ফিটনেছ পাওয়াটাই অনিয়ম। বলে রাখা ভালো এই টাকা সরকারি ফি বাদে।
— নামে একজন লোক আছেন। তাঁর মুখে দাড়ি আছে। রূপনগরের ২০ নম্বর রোডে তাঁর অফিস। জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে ফাইনাল অনুমোদনের জন্য তিনি ১,০০০ টাকা চেয়েছেন।
ভুমি নামজারি করতে গেলে ভূমি তহশিলদার ৬০,০০০ টাকা চায়, না দিলে হবে না, পরে টাকা দিয়ে দিলাম নামজারি হয়ে গেছে, অন্য একটা নামজারি টাকা দেই নি, তাই নামঞ্জুর হয়ে গেছে, এসিল্যান্ড রা ভূমি তহশিলদার দের পশ্রয় দেয়, এসিল্যত তদারকি করলে দূর্নীতি কমে যেত, এসিল্যান্ড এর কাছে বিচার দিলে দেখছি বলেই শেষ ব্যবস্থা নেয় না।
আমার বাবা জমি খারিজ জন্য ১০০০০ টাকা ঘুস নিয়ে কাজ করে ভূমি অফিসের নায়েব। যে কোন কাজ জন্য কেউ গেলে সে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
আমি একজন শিপিং সেক্টরের সাথে সম্পর্কিত বাংলাদেশী নাগরিক। আমি ঐখানকার কোন কর্মকর্তা নই, আমি একজন সেবা গ্রহীতা। এই সেক্টরে সেবা দানের উপর ভিত্তি করে ৫০ টাকা থেকে ৩/৪/৫ এমনকি ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন হয়, যা একটা ওপেন সিক্রেট। আমি হয়তো আনুমানিক এই পর্যন্ত ২ লাখের উপরে ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে হয়েছে। নইলে হয়তো আমাকে একজন বেকার এবং অনাহারী হিসেবেই থাকতে হতো এই সোনার বাংলায়। সরকার গেল, জুলাই গেল, ইন্টেরিম গেল, নতুন সরকার এল কেউ কিছু করতে পারেনি। এখন ব্যাপারটা এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে, লোকজন ইচ্ছে করেই ঘুষ দিচ্ছে যাতে কাজটা হয়ে যায়, কারণ ঘুষ না দিলে যে কাজ হবে না, এই ব্যাপারটা এই সেক্টর সফলভাবে মানুষের মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
While doing the BDS survey, they are taking different type of amounts from different beneficiaries according to the issue of the papers. 1 team received the money and departed a year ago. Now another team has come and is doing the same. This is mainly happening in Cox's Bazar Pourashava.
আমি একজন নামকরা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সধারী ঠিকাদার। ৪ অর্থ বাজেটে কাজ করছি। এ পর্যন্ত যত কাজ করেছি এতো দিনে আমরা আর্থিক ভাবে অনেক সচ্ছল থাকার কথা এবং ভালোই থাকার কথা কিন্তু না,তাদের ডিমান্ড,আর্গুমেন্ট পূরণ করেই কাজ গুলো শেষ করতে হয় এবং দিন শেষ ১০% জামানতটাই কাজের প্রফিট তাও এক বছর পরে তা নিতে গেলেও ফাইলের বিপরীতে তারা টাকা চায়. লক্ষ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করে শারীরিক পরিশ্রম করে দিন শেষ সব শূন্য। ঋণের বোঝা ভারী থেকে ভারী হচ্ছে। এতো বড়ো নাম করা অর্গানাইজেশন হাতে গোনা ২/৪ জন একেবারেই লেনদেন করেনাতারা বলে এটাই আমার কাজ,সরকার আমাকে বেতন দিচ্ছে এই কাজের জন্য। .আর সবাই,যারাই ফাইল ধরে তারাই টাকা চায়.১০০ জনের মধ্যে হয়তো ৪ জন ঘুষ ছাড়া আর বাকি ৯৬জনের কাছে আপনার হাত বাধা। জাস্ট মুক্তি চ