শ্রীনগর সাব রেজিস্ট্রি + মাদারীপুর সাব রেজিস্ট্রি
৪ টা দলিল করার জন্যে এই টাকা দিতে হইছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৪ টা দলিল করার জন্যে এই টাকা দিতে হইছে।
প্রথমে আমি নিজে এপ্লাই করে নিজে পরীক্ষা দিয়েছি। পাস করেছি । আমার সামনেই প্রশিক্ষক অফিসারদের বলেছেন পাস করেছে, ওনারাও লিখেছেন পাস! সন্ধ্যায় যখন রেজাল্ট দিল তখন ফেইলড আসলো 💔!! অথচ আমার ১১/১২ বছরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা ছিলো। তারপর আর কি করার আবার কয়েক মাস পর যখন ডেট আসলো, বলরাম দালালকে ৪ হাজার টাকা দিলাম সে আবার সিলেট প্রধান ডাকঘরে কাজ করে। এছাড়া BRTA-তে একজন দালাল আছে। সন্ধ্যায় রেজাল্ট এলো পাশ করলাম 🙂 এবং জানালো যে দাদা আমি একা নিব না সব্বাইকে অল্প অল্প করে বাট (ভাগ) দিতে হবে!!! 😊
পাসপোর্ট অফিসের অপোজিটের প্রিন্ট/ফটোকপিরদোকানে ৳ দিলেই সব ক্লিয়ার। ১০০%. নো হয়রানি।দারুণ!!!
রেজিষ্ট্রেশন করা দলিল আনতে গেলে ১৫০০/- টাকা দাবি করে, পরে ১ হাজার টাকা দিয়ে দলিল আনতে বাধ্য হই!!
জমির নকল তুলতে গেছিলাম, অনলাইন বা সব জায়গায় দেখলাম সর্বোচ্চ 1000/1500 /- লাগার কথা, কিন্তু ভূমি অফিসের মোহরী রা 4000/4500 tk পর্যন্ত চায়। অবশেষে 3800 টাকা দিয়ে ১ মাস wait করার পর নকল হতে পেলাম
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ঘুষ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সার্কেল 6।
Bro asked for 1000 taka because he is gonna leave for Eid vacation, otherwise he threatened me that he will mismatch my documents. Dumbfck me had to do the dirty deed of giving him Ghush as I had urgency
আপনার এটা হবে না সমস্যা আছে পরে টাকার বিনিময়ে দপারপা হয়ে।
নামজারি ঘুষ ছাড়া হয় না। খাজনাসহ সবকিছুতে ঘুষ নেয়।
উনার নাম —।পাবনা ভূমি অফিসে কাজ করে।উনার কাছে নকসা ট্রেসিং করতে দিসিলাম।আমাকে শুরু থেকেই টাকা দেওয়ার ইশারা করে।এক সময় সরাসরি বলেই ১০০০ টকার নিচে কাজ হবে না।পরে আমি ৫০০ দিয়ে বলি কাজ শুরু করেন শেষ করার পর বাকি ৫০০ দিচ্ছি কিন্তু উনি আমাকে বলে টাকা ছাড়া তার কলম চলে না।বাকি ৫০০ টাকা না দেওয়ায় আবার বলে ৭ দিন পরে আসতে এইভাবে অনেক হয়রানি করে।তারপর আপনি থেকে তুমি করে কথা বলা শুরু করে আবার দুই একবার তুই করেও কথা বলে ।আমি আসলে খুব করে চেয়েছিলাম প্রতিবাদ করতে কিন্তু কাজ টা আমার কাছে অনেক জরুরি ছিল তাই কিছু করতে পারি নি।আর আরেকটা কথা শুধু আমার থেকে না না কম বেশি সবার থেকেই টাকা নিচ্ছিল সবাইকে বলে আমার হাদিয়া কই,আবার বলে এইটা ঘুষ না।
সার্টিফিকেটে থাকা মায়ের নামের সাথে মায়ের আইডি কার্ডের নাম এর সাথে ভুল ছিলো তাই সেই একটা ভুল সংশোধন করার জন্য ৯০০০ টাকা দাবি করে সেখানে নিয়োজিত থাকা একজন হিসাব সহকারি।এবং ভুল সংশোধন করতে হলে নগদ ক্যাশ দিতে হবে। টাকা গুলো একসাথে নয় বরং কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছিল। এবং চার মাসের মধ্যে সমস্ত টাকা নেয় কিন্তু কাজ সম্পাদন করে দীর্ঘ ১৪ মাস পরে।
বছর তিনেক আগে আমার মায়ের নামে সোনালী ব্যাংকের নতুন অ্যাকাউন্ট থেকে চেকবুক নিতে চাই । কিন্তু বলা হয় 2 মাস সময় লাগবে। কিন্তু পরে একজন ব্যক্তি যে ব্যাংকের কেউ না সে 1000 টাকার বিনিময়ে চেক বুক এনে দেয়
আমি আমার বাড়ির পৌর কর নিয়মিত পরিশোধ করি। যা ছিলো ৫০০০ টাকা। ২০২৪ সালে আমার পৌর কর হঠাত বৃদ্ধি করা হয় যা ছিলো ১০ গুন। তখন পৌর কর নির্ধারক আমার নিকট ২০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমি সায় দেই নাই। আমি তখন ততকালীন পৌর মেয়র কর্তৃক আবেদন করি তিনি তখন সমাধান করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে তিনি আমার পৌর কর আবারো বৃদ্ধি করে যা ছিলো ২০ গুন বা ১ লক্ষ। এবং ৪০০০০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি বাধ্য হয়ে পৌর সচিবের নিকট যাই তিনি উল্টো ৬০০০০ টাকা দাবী করেন। নিরুপায় হয়ে অনুরোধ করে পৌর কর নির্ধারক কে ২০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু তিনি আমার কর উল্টো ২ গুন করেন।৫০০০ থেকে ১০০০০ করেন।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন গৃহিণী, ২৫ শতাংশ জমি নামজারী খারিজ করেছি এর জন্য তহশীলার যাকে আমরা গ্রামের মানুষ নায়েব বলে জানি,তার এমন খারাপ ব্যবহার আমি দেখেছি যা দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এদেশের কোন নাগরিক না, আমার কাছ থেকে সরকারি ফিস বাদে ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে তসিলদার, তার পিয়নের মাধ্যমে,তারপরে নামধারী খারিজ করে দিয়েছে। প্রথমে বলে হবে না তারপর টাকা দিলে কেমনে হয় এটা আমার প্রশ্ন? সরকার তাদের বেতন দেওয়ার পরেও তারা মানুষের সাথে কুকুরের মত ব্যবহার করে।
স্কুল থেকে এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম,কেরানি কর্তৃক ১০০ টাকা দাবি করা হয়,দিতে না চাওয়ায় বলা হয় এটাই নিয়ম সবাই দেয়,দিতেই হবে,পরে দিয়ে নিয়ে আসি ঝামেলা করতে চাইনি
আমি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় আমার বাড়ির ঠিকানা যাচাই করতে পুলিশ আসে। এর মধ্যে সরকারিভাবে আমাদের এলাকার থানা পরিবর্তন হয়ে যায় এবং আমাদের ঠিকানা পূর্বের থানার পরিবর্তে নতুন থানার আওতাভুক্ত হয়। তবে আমাদের সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টে তখনও এই পরিবর্তনটি আপডেট হয়নি। এই থানা ও এলাকার পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আমার কাছে **৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক উক্ত টাকা গ্রহণ করেন**। এই বিষয়ে আমার কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ ছিল না। আমি বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা-ইংরেজি করে পরিষদ এর সচিব কে দিয়েছি। ৩০০৳ দিতে হলো। কারণ আমার প্রয়োজন, আমি বাধ্য। অবশ্যই আমাকে ইনিয়েবিনিয়ে বহুু অফিস, যাতায়ত খরচ সহ বহুু অজুহাত দিয়েছে। সব মিলিয়ে আমি ঝামেলা এড়িয়ে যেতে বাধ্য হয়ে টাকা পরিষৎ করেছি। ধন্যবাদ সরকার কে... ঘুষ দিয়ে হলেও সেবা পাচ্ছি। সিস্টেম আমাদের টাকাই, চাকরি ও আমাদের টাকাই, ঘুষ টাও আমাদের টাকাই। আবার ও জানাই ধন্যবাদ।
Police clearance dorkar chilo,jokhn july cholsilo abong amar urgent drkr chilo uni amr theke 10000tk chay komay ami 6000tk dei abong eita office e neyna unr bashar niche caretaker jekhne thake sheikhne niye jay,tk kom dite chaile bole ,apnr clearance lagle tk dite hobei,ami baddho hoye tk dei abong pore kagoj ta pai
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পরীক্ষা পাস করিয়ে দিবে বলে ৪ হাজার টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে চার হাজার টাকা দিলে তারা আমাকে পাস করিয়ে দেয়। এমনভাবে তারা সবাইকে দেয়।
আমার বিল ৫০০০ ছিলো সায়হে আমার থেকে সরাসরি ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করসে। ১ম ২০০ দেয়ায় সে নিতে রাজি হয় নাই। বলে আপনি দেওয়ান হাটে গিয়ে দিয়ে আসেন। পরে ৩০০ দিসি আর নিসে।