Halmate
আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। কিন্তু আমাকে কোন রসিদ দেয়নি। আবার টাকাটা সরাসরি পুলিশ নেয় নি একটা পান এর দোকানে দিতে বলেছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। কিন্তু আমাকে কোন রসিদ দেয়নি। আবার টাকাটা সরাসরি পুলিশ নেয় নি একটা পান এর দোকানে দিতে বলেছিল
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ১৫০০ টাকা চেয়ে নিয়েছিলো।
আমি প্রায় এক সপ্তাহ আগে একটা ট্রেড লাইসেন্স করতে দিয়েছিলাম কিন্তু সেটা হয়েছে প্রায় 14 দিন পরে আমার দোকানের বিপরীতে ২৩০ টাকা ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য প্রায় তিন হাজার টাকা দেওয়া লাগছে এই কাজটা করেছে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দ্যা নাম্বার ওয়ান গুসকুর
বাবা মায়ের পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ নিয়ে ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই। অফিসে আবেদন যে ব্যক্তি যাচাই করতেছিলেন তিনি কাগজপত্রে কোনো ভুল না পেয়ে শেষমেশ বললেন জাতীয় পরিচয়পত্রটা স্মার্টকার্ড হতে হবে। কিন্তু আমাদের উপজেলাতে কাউকেই স্মার্টকার্ড দেওয়া হয়নি। এটা আদৌ জমা দেওয়া সম্ভব নয়। পরে অনলাইন অনেক তর্কাতর্কি করার পর স্মার্টকার্ডের নাম্বার চাইলেন , আমি অনলাইন থেকে বের করে দিলাম। এরপর ভুল ধরলেন নাগরিক সনদে নাগরিক সনদে নাকি ওই ১০ ডিজিটের নম্বরটা লাগবে। এখন বাসায় ফিরে যেতে হবে। গেট দিয়ে বের হতেই দুই তিনজন লোক আসলো তারা বললো কিছুই লাগবে না ১৫০০ টাকা দিন। অনেক ভাবনা চিন্তা করে দেখলাম বাসায় গিয়ে বাবা মায়ের আবার আসাটা ভোগান্তি। তাই শেষমেশ রাজি হলাম। পরে কোনোকিছু না দেখেই কাজ শেষ
কয়েক বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া থাকায় এবার অফারের কথা শুনে টাকা জোগাড়ের জন্য লোন করি। লোন হাতে পেতে পেতে ১৮ আগস্ট হয়ে যায়। সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে জানতে পারি, মোট বকেয়া ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। অথচ অফারের সময় শুনেছিলাম প্রায় ৭৮ হাজার টাকা লাগবে। তখন তারা বলে, “আমরা ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, ১ লাখ টাকা দিন।” এত টাকা শুনে আমি চলে আসি। পরে তারা ফোন করে ৯০ হাজার টাকা দিতে বলে এবং জানায়, না দিলে জরিমানা বাড়তে থাকবে। এরপর গিয়ে সরকারি খাতায় কত টাকা রসিদ হবে জানতে চাইলে তারা ৮৫ হাজার টাকা বলে। আমি রাজি হয়ে কাজ করাই। কাজ শেষে টাকা দেওয়ার পর রসিদ হাতে নিয়ে দেখি সরকারি রসিদে ৮০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আর জিজ্ঞাসা করার সাহস হয়নি।
রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা ভবন থেকে ডিপ্লোমা মেডিক্যাল টেকনোলজি সার্টিফিকেট উত্তোলন করার জন্যে ওই অফিস এ ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে অফিস সহকারী কে ।টাকা দেওয়ার পর ও আমাকে সারাদিন সন্ধা পর্যন্ত অফিস এ বসিয়ে রেখেছে । আমি সিলেট থেকে গিয়েসিলাম ।
২০২৫ সালে ভোটার আইডি বানানোর জন্য নতুন যারা ছিলাম আমাদের প্রত্যেক কে বলা হয়েছিল নাগরিক সনদপত্র জমা দিতে। সনদ পত্র নেওয়ার জন্য আমার এলাকার এমন সব নব ভোটার দের থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। না হলে দিবেনা বলেছিল। আমরা সবাই স্টুডেন্ট ছিলাম আবার অনেকে বাড়তি টাকাও নিয়ে যায়নি। যাদের কাছে টাকা ছিলো না তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল
আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থী। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য নিয়মিত টেবুনিয়া স্টেশন থেকে ঢালারচর এক্সপ্রেসে (পূর্বের পাবনা এক্সপ্রেস) রাজশাহী যাতায়াত করেছি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় টিকিট বিক্রিকে ঘিরে কিছু গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ দেখে ও ভুক্তভোগী হয়েছি। টেবুনিয়া থেকে রাজশাহীর নির্ধারিত ভাড়া ৭৫ টাকা। কিন্তু অগ্রিম টিকিট দেওয়া হয় না, ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট সংকট দেখানো হয় এবং আসনযুক্ত টিকিটের জন্য অনেক সময় ১০০–১৫০ টাকা, এমনকি দুটি টিকিটের জন্য ৪০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। অন্যদিকে ৭৫ টাকার আসনবিহীন টিকিট পাওয়া যায়। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে টিকিট নেওয়ার পরও একই আসন দুজনকেও দেয়া হয় ।
২০২২ সালে পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছিলাম।
স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে গেলে ১০০টাকার চালানের বিপরীতে ৫০০টাকা অতিরিক্ত দাবি করে,না দিতে চাইলে সার্টিফিকেট দিতে গড়িমসি শুরু করে,পরে ১০০টাকা দিয়ে দফারফা করা হয়
১০০ টাকা দিয়ে চারিত্রিক সনদপত্রে শুধু জন্মতারিখ লিখিয়ে নিয়েছি। এটা তাদের দেয়া ফরম্যাটে ছিল না। চাইলে নিজেই লিখতে পারতাম, ভালো মানুষি করে তাদের কাছে গিয়ে টাকা দেয়া লাগলো।
পাসপোর্ট বিবরনী তে এড্রেস সংশোধন
দালালের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢাকা পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট করিয়েছি।
আমি ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর কম্পিউটারের ছাত্রী। আমাদের সিআই ম্যাডাম — ও — আমাদের পছন্দমত ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ট্রেনিং করতে দিচ্ছে না। মানহীন একাধিক ট্রেনিং সেন্টারে বাধ্যতামূল ট্রেনিং করাচ্ছে। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর থাকাতে প্রিন্সিপালের কাছে বলেও কোন সুবিধা হচ্ছে না।
আমি আমার বাড়িতে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য অনলাইনে একটি মিটারের আবেদন করি। পরপর তিনবার আমার আবেদনটি কোনো কারণ ছাড়াই সোনাপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম — বাতিল করে দেয়। পরে সরাসরি অফিসে গেলে অফিসে উনার সাথে থাকা দালাল — আমাকে বলে উনাকে ১০০০ টাকা দিতে। তাহলে তিনি আবেদনটি আর বাতিল করবেন না। বাধ্য হয়ে এজিএমকে তার রুমে সরাসরি ১০০০ টাকা দিয়ে মিটারের আবেদনটি অনুমোদন করাই। বর্তমানে আবারো আবেদনটি সিএমও ইস্যু হওয়ার পরেও পুনরায় টাকার জন্য আটকে রেখেছেন। বর্তমানে আমি আর টাকা দিতে ইচ্ছুক নই। দেখি কতদিন লাগে পুনরায় ঘুষ বিহীন সংযোগ পেতে। আদৌ ঘুষ প্রদান ব্যতীত মিটারটি পাই কি না।
সাধারণত আমি নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই, তারা আমার কাগজ পত্র দেখে কোথাও ভূল না পেয়ে আমাকে বলে আমি কেনো আমার পাসপোর্ট আবেদনের ফর্মে আমার জন্ম নিবন্ধনের নাম্নারের জায়গায় এই নাম্বার বসাইলাম৷ আমি পাগল হয়ে গেলাম সারাদিন দাড়িয়ে থেকে সিরিয়াল ধরে যখন সময় আসলো তখন এমন কথা শুনে৷ আমাকে ফিরিয়ে দিলো৷ আমি তখন পাশের একটা ফটোকপির দোকানে গেলে তারা আমাকে বলে ২০০০ টাকা দিলে এটার সমাধান করে দিবে। তখন অনেক কস্টে ১৫০০ টাকায় রাজি করাই। আর পরের দিন সিরিয়াল ধরি তখন আর কোন সমস্যা হয়নাই৷ আমার কাজ হয়ে গেছে। ১৫০০ টাকা আগে দিলে হয়তো আগের দিনই হতো৷ এসব কুত্তার বাচ্চাদের জন্য আমি আজিবন বদদোয়া করবো। তোদের পেটে হারাম তোদের কে যেনো জাহান্নামের আগুন ও ঘৃণা করে৷ তোদের সন্তান গুলা যেনো পতিব্ন্ধী হয়।
লাইসেন্স করাতে সরকারি খরচ ৫০০০ এর মতো কিন্তু আমি পরিশোধ করেছি ১৩০০০ টাকা
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের আন্ডারে 17 টি আইসিডি আছে রপ্তানিতে নির্দিষ্ট রেট করা অনলাইনে শিপিং বিল প্রতি ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত এটাই দেশের সবাই জানে সম্পূর্ণ টাকা প্রকাশের লেনদেন করে পিয়ন এর মাধ্যমে এই টাকার পরিমাণ সর্বনিম্ন ২০ লক্ষ টাকা। এই টাকা সবাই প্রতিনিয়ত পরিশোধ করে। এর বাইরেও কাস্টম অফিসার কিছু সমস্যা তৈরি করে গার্মেন্টস এর কাছ থেকে আরও অতিরিক্ত টাকা নেয় সিএনএফ এজেন্টের মাধ্যমে
ডাকযোগে বিদেশে পার্সেল পাঠানো বাবাদ আমার কাছে চা-পানের টাকা দাবি করে । সেটা ভেবে আমি ৫০ টাকা দিতে চাই । তখন তারা বলে এত কষ্ট করে পার্সেল প্যাক করে দিলাম ৫০০ না দিলে হবে না ।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য। দুইটা চাকরিতে মোট তিনবার ভেরিফিকেশন হয়েছে। তিনবার মিলিয়ে ২৫ হাজার টাকা।