সেপটি ট্যাংক পরিষ্কার
বাসার সেপটি ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশন এর গাড়ির জন্য আবেদন করেছিলাম। সেপটি ট্যাংক না দেখেই গাড়ি পাঠিয়ে দে, ১০ ভাগের এক ভাগ ও পরিষ্কার হয়নি। সরকারি বিল ৫০০০ টাকা, আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১১০০০ টাকা। পুরো স্ক্যাম করেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাসার সেপটি ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশন এর গাড়ির জন্য আবেদন করেছিলাম। সেপটি ট্যাংক না দেখেই গাড়ি পাঠিয়ে দে, ১০ ভাগের এক ভাগ ও পরিষ্কার হয়নি। সরকারি বিল ৫০০০ টাকা, আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১১০০০ টাকা। পুরো স্ক্যাম করেছে।
চাকরিতে জয়েন করতে গিয়ে প্রথম দিনেই ২০০০ টাকা চায়। বলি কিসের জন্য বল যে এই যে যারা কাজ করতেছি তারা একটু নাস্তা করব তার জন্য। কয়েকদিন পর যখন বেতন চালু করার জন্য পে ফিক্সেশন করতে হবে তখন আবার ১৫০০টাকা করে নেয়। কিছুদিন পর জিপিএফ চালু করব তখন আবার ১০০০ টাকা চায়। কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদন করব সেখানেও টাকা চাই। ৩ বছর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করব তার আগেই চুক্তি করে নেয় যে ভাতা পাইলে আপনাকে ১০০০ দিতে হবে। বড়বাবু বা হিসাব সহকারী নামে যেসব পোস্ট আছে আসলে তারা শুধু টাকা খাওয়ার জন্যই বসে আছে শুধু এটা আমার হসপিটালের প্রবলেম না হসপিটালেই প্রবলেম। আমি সারাদিন রোগীর পিছনে খাটতে খাটতে মরেই যাই, দিনশেষে আমার কলিগ আমার কাছ থেকে ঘুস চায়।কষ্ট।
আমার বাবা ২ দিন যাবৎ বাসায় না আসায় আমরা অনেক খোজাখোজি করি। অতঃপর ৩য় দিন আমি ভাটারা থানায় খোজ করতে যাই। গেট দিয়ে ঢুকে যেখানে টেবিলে বসে একজন কাজ করে, সেখানে সব আসামির খবরাখবর লিখে রাখা হয়। আমি সেখানে কিছু জিগ্যেস করার আগেই আমাকে দুইজন পুলিশ গেটের সামনে দাড় করিয়ে টাকা চায়। তারা আমাকে বলে যে ভিতরে গিয়ে কিছু জিগ্যেস করার আগে এখানে কিছু টাকা ফি দিতে হবে। আমি আগেও থানায় গিয়েছি এবং ভালোমতোই জানি যে আমার সেখানে কোনো টাকা দিতে হবে না। তারা স্পষ্টতই আমার কাছে ঘুষ চেয়েছিলো। তারা ৩০০-৫০০ টাকা দাবি করে। কিন্তু কোনো টাকা না থাকায় পুলিশ দুইজন আমাকে সেখান থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়।
পাসপোর্ট অফিসের লোকজনেরা মিলে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছে,পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হওয়ার বাম।পাশেই তাদের সিন্ডিকেট আছে,তারা পাসপোর্টের আবেদনের পিছনে সাইন করে দিলেই আর কিছু লাগে না।কাজ দ্রুত হয়ে যায়,তবে এর জন্য দিতে হয় নগদ ১৫০০ টাকা। আর টাকা ছাড়া পাসপোর্ট করতে গেলে এই কাগজ সেই কাগজ চাইতে থাকে,হুদাই ঘুরাইতে থাকে।
মৃত ব্যাক্তির পেনশন তার স্ত্রী কে পাইয়ে দেয়ার জন্য BTCL অফিস থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এমাউন্টে টাকা নেয়া হয় ।যেমন :ফর্ম ফিলাপের জন্য, নো অবজেকশন লেটারের জন্য,সার্ভিস নাম্বার এন্ট্রি করার জন্য, কল্যাণ তহবিলের টাকা পাইয়ে দেয়ার জন্য এবং সর্বশেষ এককালীন পেনশনের টাকার চেক হস্তান্তরের সময় একাউন্টস অফিসে ২৫ হাজার টাকা নেয় । সেই সব মিলিয়ে ৭৯০০০ হাজার টাকা খরচ হয় পেনশন ভোগীর ।
১-২ মাস আগের কথা রোগী নিয়ে যাচ্ছিলাম রোগী যেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ নিয়ে গেলাম অনারা রোগী বহন কারী চেয়ার ৮০০ নিচে ছারবে না নাহলে আমাদের ব্যাবস্থা করতে হবে তখন বাধ্য হয়েই ৫৭০ টাকা দর কসাকসি করেই দেওয়া লাগলো
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলাই নবায়ন কারি নামঃ — কে প্রতি বছর ১০০০ টাকা বেশি দিতে হয় Dhaka North City Corporation, Zone -1, Uttara ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, অঞ্চল-৮, উত্তরা
TIN নম্বর করা ফ্রী, কিন্তু উপজেলা পর্যায় জিনি দায়িত্বরত আছেন তিনি বলেন তাকে ১৫০০০ টাকা না দিলে এটি ঢাকা অফিস থেকে এনে দিবেন না এবং তিনি খুব ফিক্সড। এভাবে তিনি ০৩ বার ঘুরিয়েছেন। ০৪ বার বিরক্ত হয়ে মন খারাপ করে ঘুষ দিতে হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন করতে ১০০ টাকা বেশি নিয়েছিল
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের এজি অফিসে বেতনের ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে ২৫০০ করে একেকজনের ঘুষ দিতে হয়েছে বাধ্য হয়ে। ২৫ জন ২৫০০ করে যতক্ষণ না দিয়েছি ততক্ষণ কোনো কাজই করেনি। আবার, টিএ বিল করার সময়ও ১০০-৫০০ পর্যন্ত টাকা কর্তন করে রাখে হিসাব শাখার লোকজন।
নিজের অনিচ্ছায় প্রথম ঘুষ দিতে হয়েছিলো ডিএসবির একজনকে
ঘুষ ব্যতিত কাজ করেনি৷ বাধ্যতামূলক ঘুষ দিতে হয়েছে
Paid 1000 to officer verifying passport information.
Driving license koranor jonne dalaler madhome taka ghush niyeche. 4600 tk fee 10000 tk niyeche.
টিআর বরাদ্দ চেক ছাড়পত্র করণ বাবদ
অনলাইনে সব ফিলাপ করে নিয়ে গেলেও লাল কালি দিয়ে দেয় ইমেইল এড্রেসে। পরে ঠিক করে আনতে বলে। কিন্তু ইমেইলে সমস্যা ছিল না। পরে বাইরে বের হলে এক লোক বলে তারে ১০০০০ দিলে করে দিবে। তখন খুব আর্জেন্ট দরকার ছিলো। পরে উনি এক কম্পিউটার দোকানে নিয়ে আবার ফর্ম ফিলাপ করান। তারপর কাগজে কিছু একটা করেন। এরপর সেই কাগজ দিয়ে কাজ হয় পাসপোর্ট এর।
40,000/- tk paid to get pension.
টাকার কারণে আমাকে ১মাস অপেক্ষায় রেখেছে।
অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার আবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ডিডি অফিস কর্তৃক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর ফরওয়ার্ড করা।
পাসপোর্ট নতুন করতে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু তিনি বলেন জন্ম নিবন্ধন কাগজ অনলাইন রিপোর্ট লাগবে। অনলাইন রিপোর্ট দিলাম বলে এটা হবে না। আপনি চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন। বাহিরে চলে এসে এক দালালের কাছে গেছি 2000 টাকার বিনিময়ে আর কোন ডকুমেন্ট লাগে নাই