Passport
Police passport er verification e tk chaiche 1000 tk. Na dile passport hobe na.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Police passport er verification e tk chaiche 1000 tk. Na dile passport hobe na.
The assigned police officer asked for the money to complete the verification, mentioning it is required fee. When I asked for the receipt, he said if you don't want to pay, come to visit me at Cumilla Sadar within 1 hour but I was in Dhaka. So, I have to pay it.
ডাক্তার লাঞ্চ করতে যাবে,, ১০০ টাকা দিলে আমার রোগীটা লাঞ্চের আগে দেখার জন্য ভিতরে ডুকতে দিবে,, না হয় ১:৩০ মিনিট পরে আসতে,, আমার ইমারজেন্সি হাত কাটা রুগি ছিলো,, রগ কেটে গেছে সন্দেহে মেট্রোপলিটন হাসপাতাল থেকে ট্রান্সপার করছে,,তাই আমার ইমারজেন্সি ছিলো দিতে আাদ্য হলাম,,, সে ভিতরে ডুকতে দিছে আমাকে কিন্তু সিকিৎসার করছে ২ ঘন্টা পরে,, আমার টাকাটাই বৃথা গেলো,,এতে আমার তেমন সমস্যা না,, কিন্তু ইমার্জেন্সি টাইমে ১০০ টাকা অনেক কিছু,,তাকে টাকা দিয়ে ঔসুদ কিনে আমার পকেট খালি হয়ে গিয়েছিলো আসার ভাডাও ছিলো না,, রোগি এবং আমি দুপুরে না খেয়েই ছিলাম পরে ৪ টার দিকে,, একটা রিকশা নিয়ে বাসায় এসে বাসা থেকে বাডা নিয়ে দিতে হলো,,
জাপানি টুবাকো ( নেভী সিগারেট ) কম্পানির ডিলার আমি । টাঙ্গাইলের ৮ থানার ডিলার আমি । গত ২৪ তারিখ মধুপুর ডিলার পয়েন্ট থেকে আমার মেনেজার আর সুপারভাইজার মিলে বাকি সকল স্টাফ জিম্মি করে ৪৫ লক্ষ টারার উপর নিয়ে চলে যায় । তখনি আমি কোন উপায় না দেখে মধুপুর থানায় যাই মামলা করতে । ওসি মামলা নিতে চায় না উনি বলে কোটে গিয়ে মামলা করেন । পরে আমি কোন উপায় না দেখে এসপি সাহেবের কাছে যাই উনি সাথে সাথে ওসিকে কল দিয়ে বলে দেন । বলে রাখি টাঙ্গাইলের এসপি সাহেব খুব ভাল মানুষ । তারপর গত ০১/০৯/২০২৬ তারিখ আবার মধুপুর থানায় যাই । ওসি সাহেব মামলা নিবে বলে কিন্তু ২-৩ লাখ টাকার মামলা করতে বলে তার বেশি টাকার মামলা উনি নিবে না। আমার ৪৫ লাখ গেছে ২-৩ কেন । অনেক রিকোয়েস্ট করার পর উনি ৫০ হাজার টাকা ঘুষ এর বিনিময়ে মামলা নেন ।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে, বাহিরে কম্পিউটারের দোকান থেকে ধরে 3000 টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। কারো ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও দিয়ে দেয় ফেরত এবং তারপর মুহুর্তেই বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানে একজন করে লোক থাকে পাসপোর্ট অফিসের লিংক, তারা তখন পনেরশো থেকে শুরু করে তিন হাজার,৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাজের বিনিময় নেয়। এরকম প্রতিনিয়ত আমাদের ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন nid আবেদন নিয়ে তালবাহানা পরে ৭০০ ঘুষ দিয়ে সিরিয়ালের প্রথম না লেখালাম আর ৭২ ঘন্টায় nid করে দিলো । প্রথম বলে হবে না ,তারপর একজন বলল স্যারের সাথে আলাপ করেন স্যার সরাসরি না বললেও আমি বুঝেছিলাম ১ কাপ চায়ের দাম ৭০০ টাকা ।
নিকলী নির্বাচন অফিসে প্রতিনিয়ত মানুষ ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বরত কোন ব্যক্তি যদি থেকে থাকেন প্লিজ আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি নিকলী উপজেলা নির্বাচন কমিশনার অফিসে প্রতিনিয়ত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে আইডি কার্ড করতে গিয়ে এইখানে এনআইডি কার্ড করার জন্য ফাইলগুলো জমা দিতে গেলে সর্বপ্রথম বলে যে এখন এনআইডি কার্ড করতে পারবো না মাস দেড় মাস পরে আসার জন্য এই বলে ফাইলগুলো জমা নেই যখন চলে আসছে পাবলিক তখন ওদেরকে ডেকে বলে প্রতিটা কার্ডের জন্য দেড় হাজার করে টাকা দিলে এখনই করে দিবে নিকলী উপজেলা নির্বাচন কমিশনার অফিসের দায়িত্বগত ঘুষখোরের নাম হল 1 মিজান 2 রুবেল
আমার নামে হওয়া একটা মিথ্যা মামলা, সব প্রমান আমার পক্ষে হওয়ার পরেই পুলিশ রিপোর্টে দেওয়ার জন্যে আমার থেকে ১০০০০ হাজার টাকা চায় আমি দেইনা দেখে সে রিপোর্ট ও কোর্টে পাঠায় না, যার কারনে আমার মামলার কাজ ও সামনে আগাতে পারছি না পরে বাধ্য হয়ে আমি টাকাটা দিয়ে দেই যেনো রিপোর্ট দেয়
আমার ভাই তার পরিবার সহ বিদেশে কাজ করে, তাদের একটা বাচ্চা জন্ম হয়,ঐ বাচ্চার পৈতিক টিকানা অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধ করতে হয়, বাচ্চার পাসপোর্ট করার জন্য।তখন আমি ইউনিয়নে যাই বিস্তারিত ঘটনা বলি বলার পর তারা আমারে বলে এই জন্ম নিবন্ধন ইউনিয়ন থেকে করার আইন নেই সেটি এখান থেকে করা যাবে না,বাচ্চা যেখানে জন্ম হইছে সেখানকার বাংলাদেশ এম্বাসিতে গিয়ে জন্মনিবন্ধন করার জন্য আমাকে বলে, আমি অন্য ইউনিয়নে খুজ নিয়ে দেখি তারা এই কাজ গুলি নরমালি করে দেয় কোন সমস্যা হয় না।তখন আমার ভাই বাংলাদেশ এম্বাসিতে যায় গিয়ে বাচ্ছার জন্মনিবন্ধনের কথা বলে তখন তারা থাকে বলে সার্ভার ভালো নয়,সেটা দেশের ইউনিয়ন থেকে কালেকশন করো।তখন ইউনিয়নের সচিব চেয়ারম্যান তারা কাজটি দেয় নি,পরে আমি ছোট এক দালাল কে ৬০০০ টাকা দেই সে করে দেয়।ঐ ইউনিয়ন থেকে।
পাসপোর্ট অফিসে দুই দিন সিরিয়াল দিয়ে ঘুরে কাজ না করতে পেরে অবশেষে ওনাদের দেখানো দালাল ধরে পাসপোর্ট করা বাবদ ২০০০ এবং ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব উনি নিয়ে সেটা বাবদ ১০০০ টাকা নিয়ে ৪৮ পাতা ১০ বছরের জন্য ৮ হাজার ৫০ টাকা ফি বাবদ নিয়ে পাসপোর্ট করে দেন।
The incident happened in 3 years back, chattogram passport office in Dhewanhat. I applied for a new passport for my son, who born in India. I filled the form correctly and updated the Birthplace, Thrissur, India but while printed the hard copy of form, the birth place is not appearing, hence admin office guy rejected to accept the application. I explained that the information was updated correctly while filling the form. If you want, you can check and verify the barcode in system. However, the guy, who checks the form, is not willing to listen and informed me that fill the form by expert. I paid 2000tk to outside guy, he put some mark top of the form and submitted to same guy and accepted.
কয়বার সদর ভূমি অফিসে যিনি কম্পিউটার অপারেটর আছে উনি টাকা ছাড়া কোন কিছু করতে চায় না আমার কর এসেছিল ১৪০০০ সে আড়াই হাজার টাকা দাবি করে সেটি দেওয়ার পর কর তিন হাজার টাকা করে দিয়েছিল
চিকিৎসার জন্য আমার দুলাভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর পদে পদে ভোগান্তি এবং দালালের অত্যাচার এবং পদে পদে টাকা দিতে। সকল ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হয় সরকারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুধুমাত্র স্যালাইন ছাড়া আর কোন ঔষধ দেয় না। খাবারের মান খুব খারাপ একজন নার্স গুরুত্বপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার গেলে তার কাছে আসতে চায় না টলি চাইতে গেলে দালালকে টাকা দিতে হয়। প্রত্যেকটা সিটের জন্য সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা দিলে সিট পাওয়া যায় না হলে রোগীকে ফ্লোরে সিঁড়ির মধ্যে রাখতে হয়। পদে পদে দালাল রোগীর সাথে যারা থাকে তাদের কোন নিরাপত্তা নাই চোর মোবাইল মানিব্যাগ সবকিছু নিয়ে যায়।
জমির খাজনা দিতে গেছি জমির খাজনা সরকারিভাবে আসছে ১২৬ টাকা আর আমার কাছ থেকে নিচে ৭ হাজার টাকা দুই নাম্বার নামধারী করতে গেছিলাম এসিলেন অফিস এ ছিলেন অফিসের সহকারি আমাকে বলল নদীপত্র নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাও আসলাম উনি আবার বলল এটা যতো ভেজাল আমার তিন দিন লেগে যাবে কাজটা করতে তো ৩ তারিখে নয় হাজার টাকা তোমাকে দিতে হবে আমি বললাম ভাই আমার হাতে এত টাকা পয়সা নাই যাই হোক আমি জোগাড় করে দিয়ে দেবো তবে অত টাকা দিতে পারব না পাঁচ হাজার টাকা দিবো ভাই আমি পরিষদও করেছি আমাকে সময় দিয়েছিল তিন দিন সেখানে আজ ১০ দিন কেটে গেল আমি আমার নাম জারি সমাধান পেলাম না আবার এখান থেকে এসেছিলেন অফিস গেলাম এ ছিলেন অফিসের সহকারি বললতোমাকে কিছু টাকা দিতে হবে আমি বললাম কত টাকা দিব উনি বললো ৩০০০ টাকা দিতে হবে তা আমি বললাম ভাই
ঘটনাটি কয়েক বছর আগের, ওই অফিসার এখনও ওই থানায় বহাল আছে। সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করবে না, এই জন্য রমজানের রাতে আমার বাবা, ভাই কে লোক ভাড়া করিয়ে আমার চাচাতো বোন, জামাইরা বাড়ির উঠানে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে, ওইদিন ই সন্ধ্যায় আবার দুজন পুলিশ সাদা পোশাকে ওদের বাড়িতে এসেছিল চা নাশতা করে গেছে আমরা জানতাম না। পরের দিন ই পুলিশ আসে আমাদের ধরে নিয়ে যেতে। আগেই টাকা খাইয়ে ঠিক করে রেখেছিল যেন মারধর করার পর আমরা আর কেস করার সুযোগ না পাই। আমরা কেস করতে চাইলে পুলিশ বলে দেয় আমার বাবা ভাইয়ের নামেই চাঁদাবাজি মামলা করেছে। মামলা তো নেবেই না, গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেবে। পুলিশ ৫০০০০ টাকা ঘুষ চায় মামলা সহ সব মিটমাট করার জন্য, তা না হলে চাচাতো বোনেরা আরও টাকা খাইয়ে র্যাব দিয়ে ক্রসফায়ারে দেবে। বাবা বাধ্য হয় দিতে।
আমি একজন দোকানদার, বাড়িওয়ালার টেক্স এর টোকেন দেয়নি , তাই ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে সেটা দেখাতে না পেরে ৫ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করিয়েছি
Bedsheet er jonno tk chai
টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে নামজারী করা হইছিলো, প্রথমে টাকা না দেয়ায় অনেক ভুল বের করছিলো, টাকা দেয়ার পর কোন ভুল নেই।
Long age, For NID name change, one demand 10000tk to change the name.
আমি গহীরা থেকে রাউজানের উদ্দেশ্যে আমার বাইক জুড়ে যাচ্ছিলাম আমাকে দাঁড়িয়ে আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তারা আমার থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে আছে বাধ্য হয়ে আমি ৫০০০ টাকা পরিশোধ করি।