ড্রাইভিং লাইসেন্স
লাইসেন্স করে দিবে এমন কথা হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স করে দিবে এমন কথা হয়েছিল।
আমি গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই ভদ্রলোক এসে আমার কাছে অফার করে কাজ শুরু করলেন ভদ্র লোক একজন আনসার সদস্য।
প্রতি মাসে গাড়ির প্রতি চাঁদা হিসেবে।
class 6 theke amader school er headsir kichu din por por nana bisoy e taka chaiten takar receipt e shudu roll aar porishodhito kina ta likha thakto kintu keno neya hoto setah lekha hoto nah 🙂 er por school kortipokkher lov chorom e jaay SSC er somoy amader session aar onanno babod fee 2100 tk amra aage diyechilam registration o hoyeche kintu er por o 1800+ taka chacchilen onek e taka diyechi aar nah dile opoman sathe exam dite deya hobe nah bola hoyeche school er chele ra upazilar samne aandolon e naame onek e facebook e post kore sei video gulu kintu ENO sir oysob video delete korte baddho korechen , er por sobay aalochonah sesh e 800 tk er moto taka niyechilo
পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে ঘুষ চেয়েছিল ৭০ হাজার না দিলে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল সেজন্য ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে চিরিরবন্দর ট্রেজারি অফিস
নতুন রেকর্ড অনুসারে খাজনা দিতে গেলে ভূমি অফিসের লোক বলে, নতুন করে খারিজ করতে হবে এবং খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা চায়। আমি বিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
জমির খাজনার রশিদের জন্য ৮৭০০ শতক জায়গায় ৮০০০ টাকা, কিন্তু আমি ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি।তারপর অনলাইন খাজনার রশিদে ৭০ টাকা পরিশোধ করে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষায় টাকা ছাড়া কাউকে পাশ দিচ্ছে না আমি তিনবার টাকা ছাড়া চেষ্টা করেছি বারে বারে ফেল করিয়ে দেয় চতুর্থবার টাকা দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে পাস করে দিয়েছে তেজগা বি আর টি এ
লালমনিরহাট জেলার আদিমারী উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি ডিগ্রী কলেজে কর্মরত ৬৩ জন প্রভাষক /সহকারি অধ্যাপক -এর নিকট থেকে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য জন প্রতি ১১০০০ টাকা করে মোট ৬৯৩০০০ টাকা নেয়া হয়। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল, সদ্য সাবেক একজন ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এবং একজন সিনিয়র প্রভাষকের যোগসাজশেএই অপকর্ম গুলি সংঘটিত হয়। শিক্ষক মহোদয়দের চাকরি দ্রুত স্থায়ীকরণ না হলে তারা কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা পাবেন না এবং নানা রকম প্রশাসনিক জটিলতার ভয় ভীতি দেখিয়ে তারা এই অর্থ হাতিয়ে নেয় । ইহা ছাড়াও এই চক্রটি ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক কর্মচারীর স্বার্থের কোনরূপ-রুক্ষেপ না করে তারা সব সময় শুধু তাদের অর্থ ইনকামের চিন্তায় মগ্ন থাকে।
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ৮০ হাজার টাকা এবং জমিতে যাওয়ার রাস্তা রেজিস্ট্রেশনের সময় আরও ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, রেজিস্ট্রি অফিসার একই দিনে দুটি কাজ একসঙ্গে করেননি। আলাদাভাবে দুটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে, আর সেই কারণে দুইবার ঘুষ দিতে হয়েছে।
২০২৪ সালে নতুন দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে নগর ভবনে গিয়ে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই; সিঁড়িতে হেনস্তার পর লাইসেন্স শাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট ৩৪০০ টাকা নেন। কয়েক দফা ঘুরিয়ে অবশেষে লাইসেন্সটি দেওয়া হলেও রসিদে দেখি সরকারি খরচ মাত্র ৬০০ টাকা (লাইসেন্স ফি ৫০০ ও সাইনবোর্ড ১০০)। নিয়মমাফিক ৬০০ টাকার জায়গায় নেওয়া বাকি ২৮০০ টাকা কোথায় গেল, সেই হিসাব আজও অমীমাংসিত।
আমিও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম—মিটার নেওয়ার মতো একটি নাগরিক সেবা পেতেও যদি ঘুষ দিতে হয়, তাহলে বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।
অনেকদিন জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না কারণ জমির রেকর্ড ফেল, অর্থাৎ পূর্বের মালিকের নামে জমি রেকর্ড হয়ে গেছে। এখন ধানমন্ডি ভূমি অফিস থেকে অফিসার বললেন এটা সম্ভব না, পরবর্তীতে তিনি বললেন কাটা লাইনে সম্ভব তবে অনেক যায়গায় টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা যেতে পারে ৮০'০০০.০০ টাকা লাগবে, পরবর্তীতে তিনি ৭০'০০০.০০ টাকার বিনিময়ে নামজারি সংশোধন করে দেন এবং খাজনা দেওয়া সম্ভব হয়।
দলিল লেখকের মাধ্যমে সরকারি খরচের সহিত ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য লার্নার আবেদন করার পর পরীক্ষার ডেট পড়েছিল প্রায় 4 মাস পরে। আমি সশরীরে গিয়ে ডেট এগিয়ে নিতে গেলে ব্যর্থ হই। গেট থেকে বের হলে দালালের দেখা মিললে বলে নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত 5000 টাকা দিলে ডেট ও লাইসেন্স কনফার্ম। আমি শুধু ডেট চাইলে হবে না। অতীব জরুরি হওয়ায় এবং সময় অপচয় ঠেকাতে রাজি হলে 3 দিন পরে ডেট দেয় এবং প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় #ইচ্ছাকৃত ফেল করলেও পাস দেখিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইছি।
আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি বাস কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে আছি ঢাকায় মিরপুরের রাতের বেলা আমাদের গাড়ি একটা ইউ টার্ন এ ঘুরালে ট্রাফিক পুলিশ এসে বলে এখানে গাড়ি ঘুরানো যাবে না তো গাড়ির দরজা খুলতে বলে আমি দরজা খুলে দিলে আমার কাছে কাগজপত্র চাই আমি কাগজপত্র দিলে বলে যে টাকা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে যেতে পরে আমি সাথে সাথে 500 টাকা দিয়ে বলে যাতে হবে না এর পরে এক হাজার টাকা দিয়ে তাও বলে না পরে দুই হাজার টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে।
সরকারি চাকরি হলে, বেতন চালু করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি কিন্তু তবুও সেই কাজটি সঠিকভাবে সমাধান করে দেয়নি
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!