নামজারি বিষয়ে
ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দিনে ১ টার বেশী দলিল চেক দিয়ে খতিয়ান দিতে চায়না,খতিয়ান নিতেও টাকা নেয় বাড়তি। আমার নামজারি করতে ৯০০০ টাকা চাওয়া হয়। দিতে অসীকৃতি জানালে আর দলিলের কোনো কাগজ চেক দিতেও রাজিনা।তারা কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতেও রাজিনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দিনে ১ টার বেশী দলিল চেক দিয়ে খতিয়ান দিতে চায়না,খতিয়ান নিতেও টাকা নেয় বাড়তি। আমার নামজারি করতে ৯০০০ টাকা চাওয়া হয়। দিতে অসীকৃতি জানালে আর দলিলের কোনো কাগজ চেক দিতেও রাজিনা।তারা কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতেও রাজিনা।
আমি অনলাইন প্রতারণার শিকার হই ২৫/০৮/২৬।ওইদিন বিকালেই অনলাইন অ্যাপ ব্যবহার করে ডিজি করি। তারপর আমার কাছে ম্যাসেজ আসে থানায় গিয়ে দেখা করতে হবে। আমি থানায় যায় ২৭/০৭/২৬ সকাল ১১ টার দিকে। দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার জিডি গ্রহণ করার জন্য খরচ হিসেবে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমার অভিযোগ ই ছিল ১০,৮০০ টাকার। পরে আমি টাকা দিতে অসীকৃতি জানায়। সে বলে তাহলে সে জিডি গ্রহণ করবেনা।
অনলাইনে নিজে থেকেই সব তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম।পেমেন্ট ও করেছি। আবেদন ফর্ম পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে উনারা জমা নেন নাই। উনাদের দেখানো কম্পিউটারের দোকান থেকে নতুন করে আবেদন করতে বলেছেন। সেখানে গিয়ে দেখি আবেদন ফি ১৫০০০ টাকা। অথচ অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করে দিয়েছি।এখন কি করব বুঝতেছি না। পাবনা পাসপোর্ট অফিস
সখিপুর উপজেলায় বর্তমানে ভূমি জরিপের কাজ চলমান আছে। জরিপের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জমি প্রতি ৫০০০৳ ঘুষ দাবি করছে। অনেকেই ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিয়ে হলেও কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। আর যারা ঘুষ দিতে অস্বীকার করছে, তাদেরকে বারবার ফেরত দেওয়া হচ্ছে, বলা হচ্ছে — আজ হবেনা, আগামী সপ্তাহে আসুন, পরের সপ্তাহে গেলে বলছে অমুক সমস্যা এজন্য হচ্ছে না। অথচ পাশের জমির মালিক কাগজ পেলেও ঘুষ দিতে অস্বীকারকারী ব্যক্তি তাঁর কাগজ পাচ্ছেন না। কাগজ চাইলে বলছে — আমাদের সাথে ডিলে আসুন, নচেৎ কাগজ পাবেন না। পরবর্তীতে সমস্যা হবে।
জমির সরকারি নামজারি খরচ হচ্ছে ১১৭০ টাকা তারা দাবি করছে ৪০ হাজার টাকা। নারায়ণগঞ্জ সদরের ভূমি অফিসে ( খান পুর ) টাকা ছাড়া কোন কাজই হয় না।
পন্চগড় থেকে যশোর মহসরক এর বেশ কিছু জায়গায় ট্রাফিক সার্জেন এবং হাইওয়ে পুলিশ বসে। এখন তারা প্রতিটি গাড়িতে সিগন্যাল দিয়ে দাড় করায় এবং গাড়ির কাজ পত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্তেও প্রতিটি গাড়ি থেকে নাস্তা করার কথা বলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা আদায় করে। টাকা না দিলেই অযথা অকারনে মামলা অর্থাৎ কোনো কারণ ছাড়াই মামলা দিক যার কোন যৌক্তিকতা নেই। নাস্তা করার কথা বলে চাঁদাবাজি বা ঘুস আদায় করছে পুলিশ।
খাস জমি লীজ নিতে গেলে উপজেলা ভূমি অফিস এ সব ম্যানেজ করে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দবী করে।
I am writing to formally report a serious demand for a bribe in connection with the registration of land in Dhaka. I was asked to pay ৳50 crore (50 koti taka) in order to proceed with/complete the land registration process. This demand is entirely unofficial and has caused significant concern. I wish to report this matter and request that it be properly investigated, including identifying the individuals involved and taking appropriate action in accordance with the law.
আমি আমার দাদীর জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে 500 টাকা ঘুষ
নামজারি, পিয়নের সাথে কথা বলার জন্য বলেছেন এবং টাকা কত লাগবে জিগ্গেস করে ফাইলটি জমা দিতে বলা হয়েছে।
ওয়াসার আবাসিক নতুন সংযোগের জন্য রোড কাটিং পারমিট। সকল কাগজপত্র দেওয়ার পরে খাজনার কাগজ সহ আরো আবেদনপত্র যা আছে করার পরে। পৌরসভার কর্মচারী ১৫০০০০ টাকা দাবি করেন ফাইল এর কাজ করতে। কারণ হিসেবে দেখান টেবিল খরচ অন্যান্য খরচ । সরকারি খরচ হিসাব করলে ১৫০০০ টাকা শুধুমাত্র।
Now a day nbr all circle doing 147 tds audit of our factory in middle of May as where a few miscommunication happened with the team vs our accounts unit due to not getting available soft data live data from software but due to which concern dct very enoyed and informed his commissioner very badly due to his reverse report she informed dct to issue penalty order without issuing any notice which legal once a time maximum 50 lac but dct claim it thrise times on last paid tax 10 % three times besides it reopen the case under section 93 as where if same done there will be huge tax burden of us .to solve it dct asked 50 lac initially lastly ask 30 lac
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে-কোনো কাগজ পত্রের জন্য গেলে ইউনিয়ন সচিব মহোদয়কে এর বিনিময় চা খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিতে হয় যেমন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা জন্ম নিবন্ধ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, প্রত্যয়ন পত্র, পারিবারিক সনদ ইত্যাদি। টাকা না দিলে উনি স্বাক্ষর ই করেন না।
১৯৯৪ থেকে আমার এক দেওয়ানী মামলা চলছে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে সাক্ষী জেরা চলমান। সরকার পক্ষ হাজিরা দেয় না। কোর্টের স্টাফ বলে ৫ কোটি টাকা দিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে মামলার রায় এনে দিবে, নয়ত অপেক্ষা করা লাগবে। আমি প্রস্তাবে সায় দেই নাই।
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
উপজেলা ভূমি অফিস সোনারগাঁ প্রধান সহকারী — একজন খুবই দুর্নীতিবাজ , তিনি আমার থেকে মিস কেস রায় জন্য ৩০০০০ হাজার টাকা চেয়েছেন এবং আমাকে কু প্রস্তাব দিয়েছেন
আমি নামজারি করতে গেলে আমার জায়গা সি,এস নকশা নদী বলছে প্রথমে তারপর আমি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জমির পেন্টাগ্রাফ করে নিয়ে যাই সেখানে নদী ছিল না নকশা কিন্তু টাঙ্গাইল সন্তোষ পৌর ভূমি অফিসের অফিসের নায়েব এই — নদী বলে আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে
এমপিও ও বিল করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, টাকা দিবো বলে কাজ করিয়ে নিয়েছি। এখন টাকা চাচ্ছে; কিন্তু আমি দিবো না এক টাকা ও। যদিও আমার অনেক কাগজ তার কাছে আটকে আছে। এরা অনেক জঘন্য ও নিলজ্জ।
বিষয়ঃ Bangladesh Digital Survey (B.D.S), বি.ডি.এস জরীপের নামে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য, এখানকার বহু জমি মালিকদের কাগজপত্র আপডেটেড থাকার পরেও (যাহা কিনা একধিক ভেন্ডার ও উকিল দিয়ে যাচাইয়ের পরে স্বীকৃত) উক্ত সাব অফিসের সকল কর্মকর্তা প্রত্তেকের থেকে টাকা দাবী করে, এবং ভয় দেখায় এই বলে যে-আপনার যায়গা খাস হয়েযাবে, ۱۰۰ বছর আগের হিন্দু মালিকরা মালিকানা লাভ করবে, ইত্যাদি, তাদের কথায় যা বোঝায় টাকা ছাড়া কেউ জরীপ করাতে পারবে না। আমার সুনেছি যাদের যায়গা বেশী তাদের কারো কাছে ۱۵ লক্ষ টাকা অবদি দাবী করেছে।