পাসপোর্ট করার সময় ১৫ হাজার টাকা চেয়েছে
পাসপোর্ট অফিসে যখন আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে সেখানে যাই তখনই শুরু হয় তালবাহানা এক মাসের ভিতরে ৪ থেকে ৫ বার যেতে হয় তবে আমি অতিরিক্ত এক টাকাও দেইনি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট অফিসে যখন আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে সেখানে যাই তখনই শুরু হয় তালবাহানা এক মাসের ভিতরে ৪ থেকে ৫ বার যেতে হয় তবে আমি অতিরিক্ত এক টাকাও দেইনি
পুলিশের এস আই চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য প্রায় সবার থেকে ৩০০০-৫০০০ টাকা নিয়ে থাকে।
অনলাইন জুয়া সাইট। আমাদেরকে মোবাইল সার্চ করে কোন কিছু না পেয়ে তারপরও প্রত্যেকে ২ লক্ষ করে মোট সাতজনে ১৪ লক্ষ টাকা দাবি করে লালগোলা জেলা ডিবি অফিস
সর্বপ্রথম আব্বু আম্মু ডিজিটাল জরিপের জন্য গেলে তাদেরকে তাদের সামনের কম্পউটার দোকানে পাঠানো হয়। সেখানে সব কাগজ নিয়ে আসতে বলে। আমি নিয়ে গেলাম। সে নাম মিউটেশনের আবেদন করতে ৫০০ টাকা চাইল। ৩/৪ দিন পর মামলা নাম্বার এল। আমি গেলাম, দোকানে ৫০০ দিলাম আর সে আমার ফাইল আমার হাতে দিল। ফাইলে সবই ছিল জমির ভায়া দলিল, নিজের দলিল, পুরাণ মিউটেশন । তো যখন ভুমি অফিসে জমা দিতে গেলাম সেখানে আমার কাছে আসল দলিল চাওয়া হল , সেটা ছাড়া নাকি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। কোন সমাধান দিল না তারা। দোকানদারকে গিয়ে ধরলাম সে বলল, এগুলো কিছুই লাগে টাকা দিলে।দোকানদারের শুরুর থেকে প্লান ছিল আমাদের সাথে ডিল করবে। আমি ভুমি অফিসের পিওনের কাছে বলার পর সে বলল খরচা পাতি দিলে কাজ হয়ে যাবে। কত? হিসাব করে ২৫০০০ বলল। আব্বুর জমির মালিক তিনি একাই।
কাজ করে দিবে অগ্রীম টাকা দিতে হবে।
আমার নতুন পাসপোর্ট বানানো আবেদনে পেশা ভুল হয়েছিল। আবেদন টি বাতিল করে দেয় কিন্তু কর্মরত আনসার আমাকে বলে ২০০০ টাকা দিলে সে আবেদন টি করে দিতে পারবে আর আমি একই দিনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে পারব।
ট্রেডলাইসেন্ম নবায়ন ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নাম সংযোজন করার জন্য ঢাক দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন সায়দাবাদ অফিসে গেলে সেখানের মিরহাজির বাগ 51ওয়ার্ডের ট্রেডলােইসেন্স ইনেসপেক্টর আমার কাছে 3000 দাবি করে আমি দিতে অসিকার করলে আমর কাজটি এখনও করেদিতেছে না
সরকারি বাসা বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ আবাসন পরিদপ্তরের কর্মরত কর্মচারী কর্তৃক আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল, আমি ঘুষ দিয়ে সরকারি বাসা বরাদ্দনিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছি, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরে কর্মরত প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত কর্মরত সকল কর্মচারী ঘুষ লেনদেনে জড়িত
বদলি বাণিজ্য চরম মাত্রায় হয় এলজিইডি তে।এখানে টাকার জোরে সব হয়। প্রকল্প, মাস্টাররোল নুন্যতম বিধি না মেনে স্হায়ী হয,শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই তবু উক্ত পদে চাকরি হয়। অবৈধ ভাবে সার্ভেয়ররা এমবি পাওয়ার পেয়ে সার্ভে কাজ বাদ দিয়ে বিল করে সাইট দেখে, যারা পদ রিলেটেড না।তাদেরকে দিয়ে বিল করায় ফায়দা লোটে। গ্রেডেশন লিস্টের কোন ঠিক ঠিকানা নাই। প্রমোশন জটিলতা করা হয় টাকার জন্য।আবার টাকা পেলে প্রমোশন ও ভাল প্লেসে পোস্টিং। মামলা করে নিয়োগ আটকে রাখা হয়। অ.দা,চ.দা দিয়ে ভরে রাখছে। টিএ ডিএ বিল নিম্নপদস্থ রা পায় না।অফিস প্রধাণ নানান অজুহাতে নিজ পকেটে ঢুকায়। কাজ খারাপ করার জন্য উধ্ধতনরা দ্বায়ী,দোষ হয় ফিল্ড লেভেলের।কারন, ওয়ার্ক অর্ডারের সময় পিসি নিয়ে কাজ করে।নোয়া দিতে পিসি।ইজিপি তে ঘাপলা করে কাজ বাতিল করে।
আমার কাজটি এখনো হয়নি।
আমি জন্মনিবন্ধন অনলাইন করতে চেয়েছিলাম, তারপর প্রথমে আমার কাছে 2500 টাকা চায় পরে আমি প্রত্যাখান করাতে 2000 টাকা দিয়ে দিলেই হবে বলছিলো আমার কাজটা ছিল 23নং ওয়ার্ডে, প্রাক্তণ ওয়ার্ড সচিব এই টাকা দাবি করেছিল
নামজারি সংক্রান্ত ঘটনার বিবরণ কিছুদিন আগে আমি এবং আমার Uncle পৃথকভাবে দুটি জায়গা ক্রয় করি। এর মধ্যে আমি ১ গণ্ডা এবং আমার Uncle ৩ গণ্ডা জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর দলিলের নকল আসার পর নামজারি করার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট Sub-Registry Officer-এর সঙ্গে কথা বলি। তখন আমাদের জানানো হয়েছিল যে, দলিল লেখক এবং আমিনের মাধ্যমে নামজারির প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আমি নামজারি করার বিষয়ে যোগাযোগ করলে আমাদের জানানো হয় যে, ৩ গণ্ডা জমির জন্য নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা খরচ হবে। একইভাবে ১ গণ্ডা জমির জন্যও একই ধরনের খরচের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে আমাদের জানানো হয় যে, সরকারি নিয়মে নামজারি করার জন্য একটি বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে, যেখানে খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম—প্রায় ৪,০০০ টাকা। তবে এই পদ্ধতিতে নামজার
তার ১০ পরে ইমারজেন্সী কনো রুগী নিয়ে গেলে তারা তাল বাহানা করে এংব অবহেলা করে, এইভাবে সমস্যা তৈরি করে টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে চিকিৎসা নিতে সমস্যা করে,
আমি দরিদ্র এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার পিতা- মুক্তি যোদ্ধা, আমার পিতা মারা গিয়েছেন- ২০০৫ সালে। ওনাকে রাস্টিও মর্জাদায় দাফন করা হয়। মুক্তযোদ্ধা পরিবারের জন্য যখন সরকার পাকা ঘর প্রদান করছিলো ২০১৮-১৯ইং সালে, তখন আমরা ঘরের ব্যাপারে আবেদন করলে আমাদের উপজেলা কমান্ডার এক লক্ষ টাকা ঘুস চেয়েছিলেন। ঘুস দিলে আমরা ঘর পাবো। আমরা সেটা দেইনাই। এ কারনে আমরা সরকারি ঘরও পাইনাই।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে এপ্লাই করা হয়েছিল, সকল ডকুমেন্টস রেডি করে জমা দিতে গেলে অনেক ভুল ধরা হয় কিন্তু ঘুষ দিলে আর কোন ভুল সংশোধন করা লাগবে না বলে জানানো হয়। এছাড়াও বলা হয় যে ঘুস দিয়ে ৯৫% লোকের কাজ হয়, ঘুস ছাড়া ৫% কিন্তু অনেক হয়রানির পর।
ব্যাংকের লোনের জন্য একটি জায়গার রায় ও ডিক্রির নকল বের করার জন্য আমার কাছে দশ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। বরিশাল ডিস্ট্রিক্ট ডেলিগেট জজ আদালতের ৪/১৯৫৬ নং প্রেবেট মোকদ্দমার রায় ডিক্রির কপি বা স্যুট রেজিস্ট্রার প্রয়োজন ছিলো। বরিশাল জজ আদালতের সিভিল নকলখানায় যোগাযোগ করা হলে তারা সরাসরি কোন টাকা দাবি করেনি। পরবর্তীতে মুহুরির মাধ্যমে আবেদন করা হলে দশ হাজার টাকা ঘুষ চায়। তাদের রেট ফিক্স করা। যত পুরনো কাগজ লাগবে, তত বেশি ঘুষ দেওয়া লাগবে।
মৎস্য ভবন, ঢাকা এর ৬ তলায় রয়েছে মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ শাখা, এই শাখার কম্পিউটার অপারেটর — খাওয়ার মাছ আমদানির অনাপত্তিপত্র দেয়ার বিষয়ে মহাপরিচালক এর সাথে নিয়মিত বৈঠক করে ঘুষের রেট নির্ধারণ করে। এনওসি প্রতি ২০০০০০/- টাকা নেয়। বড় এনওসি হলে তা ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পযন্ত নেয়া হয়। ঘটনার সত্যতা যাচাই এর জন্য সিসি টিভি ফুটেজ দেখলেই হবে।
আমদানিকারক গার্মেন্টস কাচামাল ২০ টন বলে ২৫ টন আনছিল। অফিসার ৩০ লাখ দাবি করে। পরে মামলা হয়।
২০২২ সালে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য ফরওয়ার্ডিং পেতে ঘুষ চেয়েছিল।।
J Doctor test korbe se nijeo phone e bolesilo eta lagbe. pore lobbing kore onno doctor diye test koriyechilam.