আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্নীতি
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ লেনদেনের মধ্যদিয়ে অযোগ্যদের সেবাকর্মী হিসেবে নিয়োগ প্রদান...
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ লেনদেনের মধ্যদিয়ে অযোগ্যদের সেবাকর্মী হিসেবে নিয়োগ প্রদান...
প্রথমবার অনলাইন চিটিং এর মাধ্যমে খারিজ বাতিল করে। পুনরায় আবেদন করার পর দীর্ঘসুত্রিতা করে। ১ম ও ২য় বার মিলে প্রায় ৩ মাস পর শুনানির তারিখ পড়ে। ঐদিন পূর্ব মালিকের খাজনা বাকি থাকায় অফিস প্রধান জমি খারিজ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং জমি অধিগ্রহণের হুমকি দেয়। পরে অফিস সময়ের মধ্যে অনেক হয়রানি স্বত্ত্বেও প্রতিনিধি খাজনা পরিশোধ করে রশিদ জমা দিলে তা খারিজ হয়।
চিত্রা এক্সপ্রেসে টিকিটবিহীন যাত্রী বসানোর অভিযোগ বরাবর মহাপরিচালক/সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রেলওয়ে বিষয়: চিত্রা এক্সপ্রেসে টিকিটবিহীন যাত্রীকে অর্থের বিনিময়ে আসনে বসানোর অভিযোগ। জনাব, খুলনা–ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেসের নন-এসি শোভন চেয়ার কোচে টিকিটবিহীন যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে খালি আসনে বসানোর অভিযোগ রয়েছে। কোনো বৈধ টিকিট বা রসিদ দেওয়া হয় না। এতে রেলওয়ের রাজস্ব ক্ষতি ও টিকিটধারী যাত্রীদের প্রতি অন্যায় হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ রইল। স্থান: খুলনা–ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস কোচ: নন-এসি শোভন চেয়ার ধন্যবাদান্তে, একজন সচেতন যাত্রী
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা পনেরো টাকা দিতে হবে । আমি বললাম একটু কম রাখেন। তিনি বলেছিলেন সরকারের খাতায় এগারো হাজার টাকা জমা দেবো এবং ৪০০০ টাকা কাগজ পাতি ঠিক করার মূল্য লাগবে। এর কমে পারবোনা
আমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম তখন একব্যক্তি আমার কাছে ১৫,০০০ টাকার ফির কথা জানান এবং পরিশোধ করতে বলেন।আমি সরকারি ফি ১১৭০ টাকার কথা জানালে ঐ কর্মকর্তা রাগ্বানিত হয়ে বলেন আপনার কোন বাপে করে দিবে তার কাছে যান। আরও অনেক কথা হয়েছে।
ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের এসি ল্যান্ড অফিসে বাতিলকৃত খ-তফসিলের নামজারীর রেট করে ঘুষ খায়। অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাইরের ভাড়াটে দালাল রাখে যাতে করে তাদের বিরুদ্ধে কোন সেবা প্রার্থী বা সাধারণ জনগন অভিযোগ দিতে না পারে। আমার একটি ১/১ খতিয়ানের অর্থাৎ বাতিলকৃত খ-তফসিলের জমি নামজারী করতে গেলে তাদের নিয়োজিত দালাল প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি সেটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার নামজারীটি বাতিল করে দেয়। কারণ হিসেবে নামজারীর জন্য সার্ভারে আপলোডকৃত জমির কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে দেখানো হয়। অথচ আমি যথাযথভাবে সকল কাগজপত্র আপলোড করে নামজারীর জন্য আবেদন করেছিলাম এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহসিল অফিস) হতে আমার জন্য খসড়া খতিয়ান প্রস্তুতও করা হয়েছিলো।
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
Regarding of Machine & Spare parts import, Importing Of Machine & spare parts under select SRO mentioned HS Code does not matching, Weight variation, Every now & then they are creating an issue and demanding One lac taka for each Documents. In that case, despite submitting every documents by the shipper, we did not get any solution. The company is being threatened with a lawsuit for irregularities.But the issue has not been resolved yet because foreign companies are reluctant to pay unwanted bribes in this regards.
আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকার ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্ধারিত ফি করে দিয়েছেন এর বাইরে কোনো টাকা দেওয়া লাগে না কিন্তু আধুনগর, হাশমল ভূমি অফিসের কর্মরত এই মহিলা এবং তার সাথে যারা আছে সবাই সরকারি নির্ধারিত ফি এর বাইরে আরও টাকা দাবি করে এটা এক প্রকার ঘুষ। এবং তারা উভয়ে টাকার বিনিময়ে নির অপরাধ মানুষ কে কষ্টে ফেলার জন্যে টাকা খাইয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে মিথ্যে মামলা করার জন্যে যার থেকে টাকা নেই তাকে সুযোগ করে দেই। আমি একজন ভোক্তভোগী হিসেবে এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের এই অপকর্মের বিচার চাই। তারা সবাই মিলে সরকারি দলের বদনাম জুটাচ্ছে। উচ্চ মহলের ওপর বিনীত অনুরোধ আপনারা সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের সবাইকে এবং বিশেষ করে এই মহিলা কে শাস্তির আওতায় আনবেন।
Rjsc তে AGM বা বার্ষরিক রিটার্ন করতে হলে আগে কোম্পানির নামে ওডিটি করতে হয়। প্রতিবছর এমন সঠিক সময়ে ওডিট করা লাগে। যদি ওডিট ফেল হয় বা DVC ফেল হলে কোর্ট থেকে পার্মিশন এনে তার পরে রিটার্ন দাখিল করা লাগে। বাট তারা তা অবৈধ ভাবে কোর্ট পার্মিশন ছাড়া নিজেরা পাশ করে দেয়। মোটা অংকের টাকা নিয়ে। তাছাড়া একটা নতুন কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন করতে হলে ভিতরে অফিসারদের ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ না দিলে কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন করে দেয় না। বলতে গেলে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল পাশ করানো যায় না।
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র হয়নি। আমি ফরম জমা দিয়ে ঐদিনই ভোটার হতে চাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা বলে যে ১৫ দিন এক মাস পরে আসতে কিন্তু হেড অফিসের খোঁজ নিয়ে জানলাম দিনে দিনে ছবি তুলে সংগ্রহ করার নিয়ম। কিন্তু সেটা তারা করেনা। এনআইডির জন্য দিনের পর দিন অসংখ্য নাগরিক ঘোড়া ঘোড়া এটা অবান্তর
আমি অনেকবার হোল্ডিং খোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। বারবার আবেদন খারিজ করে দিচ্ছে বড়ঘোপ ভুমি অফিসের দালাল — যার কোন অফিসিয়াল পোস্ট নাই। তবে তার নিয়ন্ত্রণে ভুমি অফিসের তহসিলদারের আইডি। টোটাল খাজনা আসে ৩ হাজার প্লাস টাকা আর দাবি করেছিলো ৭ হাজার টাকা।আমি প্রত্যাখান করেছি। আজ পর্যন্ত সরকারকে খাজনা দিতে চেয়েও খাজনা পরিশোধ করতে পারছিনা।
আমার বড় ভাই, পুলিশ কনস্টেবল পদে চুরান্ত মেডিকেল বাদ দেওয়া হয়। বলা হয় টাকা আনছেন। খাতায় দেখা হয় নাম আছে কিনা। টাকা অভাবে যুগ্যতা থাকার পরেও চাকরি পাইনি আমার বড় ভাই। অথচ ৪০ কেজি বডি নিয়ে ৫.৪" এসব ছেলে টাকা দিয়ে চাকরি করতেছে।।স
আমার বাবা মারা গেছে 2011 সালে। 2024 সালে আমার মা বিধবা ভাতার আবেদন করা জন্য ইউনিয়ন আমাদের ওয়াডের মেম্বারে কাছে গিয়ে ছিলেন মেম্বার এটি করার জন্য 1000 টাকা ঘুস চেয়েছে । বাঘা ইউনিয়ন সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়ন আমাদের বাড়ি । ওনার facebook Id- — নাম — 3 নং ওয়াড বাঘা ইউনিয়ন
আমি বাড়ির প্লান পাশের জন্য পিরোজপুর পৌরসভায় আবেদন করেছিলাম ,পৌরসভার একজন ইন্জিনিয়ার বড় অংকের টাকা দাবি করে না দেওযায় আমার বাড়ির প্ল্যানটি দুই বছরেও পাশ করেনি । এভাবে সে প্লান পাশের জন্য কেউ গেলে টাকার জন্য হয়রানি করে ।
১৪৪ ৪৫ ধারা জারির জন্য
প্রতিবেদন ছাড়ে না শুধু ঘুড়ায় , হয়রানি করে , এমনি একটা ভুল ধরে । টাকা দিলে সব ঠিক
জাতীয় ক্যান্সার হাস্পাতাল, মহাখালী, মেডিকেল অনকোলজি বিভাগ বিভিন্ন ঔষধ কম্পানির কাছ থেকে পগ্রামের নাম করে টাকা ঘুষ চাচ্ছে। প্রতিটি কোম্পানির কাছ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা করে। যেই কোম্পানি টাকা দিতে পারবে সেই কোম্পানির ঔষধ লিখবে। যারা দিতে পারবে না তাদের ঔষধ লিখবে না। যার ফলে দিনে দিনে মেডিসিন এর দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ হয়রানির সিকার হচ্ছে। এর প্রতিকার চাই।
আমি ২০২৫ সালের ২৯ জুন সিভিল সার্জনের কার্যালয় বরিশাল এ স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে জোগদান করি।এর পরে আমাকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, গৌরনদীতে পদায়ন দেয়া হয়।গৌরনদী হাসপাতালে — নামে এক ৪৫ বছর বা ৪৮ বছর বয়ষি লোক চাকুরী করে প্রধান সহকারী হিসেবে।অই ব্যক্তি আমাদের ব্যাচের পাচ জনের কাছে বেতন ফিক্সেসন এর জন্য ১০০০ টাকা করে দাবী করে,আমি ছাড়া বাকি সবাই দিয়েছেন,আমি রিজেক্ট করায় আমার বেতন অতিরিক্ত দেড় মাস ঘুরপাক খায়।আবার অফিসিয়াল কাজ করতে — ভাই(প্রধান সহকারী) এর কাছে গেলে অযথা বকাঝকা করত।আমার কাজ গায়ে লাগাইয়তো না।কতৃপক্ষকে জানাইলে ও কাজ হইত না,মা হার্টের রোগি বাবা রোড এক্সিডেন্ট এ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ঘুষের টাকা দিয়ে আমার বেতন উঠাই।কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেসন টা আজ ও হয়নি।টাকা দেইনি বলে।
Amake join korabe but 1.5 m taka chaise