জমি মিউটেশন
ভূমি অফিস গোহালা ইউনিয়ন জমি মিউটেশনের জন্য যেখানে সরকার নির্ধারিত ১১৭০ টাকা নিদারন করা হয়েছে। সেখানে একজন ভূমির মালিকের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় শুধুমাত্র জমি মিউটেশন করার জন্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমি অফিস গোহালা ইউনিয়ন জমি মিউটেশনের জন্য যেখানে সরকার নির্ধারিত ১১৭০ টাকা নিদারন করা হয়েছে। সেখানে একজন ভূমির মালিকের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় শুধুমাত্র জমি মিউটেশন করার জন্য।
amar may er boyos 5 mas. ami ekhono jonmonibondhon korte parini. shob kagos thik ase tar poro bole amar kagos thik nai. ekjon to phone dia bollo taka khoroch korle kora jabe.
দয়াগঞ্জ মৌজা নামজারি করতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন —। উনার ভাষ্য মতে উনি একা খাবেন না উপরে যারা আছেন তারা সবাই মিলে নেবেন ঢাকা কোতোয়ালি ভুমি অফিস জয় কালি মন্দিরের সামনে। কাগজ সম্পুর্ন সঠিক আছে তবুও দিতে হবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর প্রতিটি ওর্য়াডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শ্রমিক রয়েছে। ধরুন প্রতি ওয়াডে আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ জন। তো এইখানে ওই শ্রমিকদের সুপারভাইজার টাকার বিনিময়ে শ্রমিকদের চাকুরি হতে ছুটি দেন।অর্থাৎ তাদের বেতন যদি ১৪৫০০ হয় তাহলে তারা ১১০০০ টাকা সুপারভাইজারকে দিয়ে দেন। বাকি টাকা তারা পুরো মাস কাজ না করে পেয়ে থাকে। একটি ওর্য়াডের ২৫-৩০ জন শ্রমিক এই পন্থা অবলম্বন করে এবং প্রতিজন থেকে ১১ হাজার টাকা হলে একজন সুপারভাইজার মাসে কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।এরকম দুর্নীতির কারণে বাকি যে শ্রমিকরা কাজ করে তারা অতিরিক্ত কাজের প্রেসার নিজেদের ঘাড়ে নিতে হয়। এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বিচ্ছিন্ন হয়।
২০২২ সালে নাম সংশোধনের জন্য যশোর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তখনকার নির্বাচন অফিসার ছিলেন —, তিনি অসংখ্যবার আমাদেরকে ঘুরিয়েছেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখে, কাজটি না হওয়ার কারণ ছিল ঘুষ দিয়েছিলাম না তাই, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আন্দোলনের পরে আমি একদিন ফোন করে বললাম আমার কাজটি কখন করে দিবেন আমাকে জানান তিন দিনের মধ্যে কাজটি না করলে আমি এলাকার অন্যান্য প্রতিবাদী লোকজন নিয়ে আপনার অফিসে হাজির হব এই কথা বলার একদিন পরেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসে যে আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনার নতুন এন আই ডি কার্ড টি যশোর নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করুন। কিন্তু এর আগে তিনি আমাদেরকে খুলনা বিভাগীয় অফিসে পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন দুইবার করে বিনা কারণে, আর যশোর নির্বাচন অফিসে অসংখ্যবার গিয়েছিলাম।
প্রথমে আমার সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক করে আমাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। আমি খোঁজ নিয়েছি এমনটা আরো অনেকের সাথে করেছে । কর অঞ্চল খুলনা
সকল জেলার 99% LGED তে ঠিকাদার দের কাজে সুবিধা দিয়ে প্রত্যেক বিলের পরিমান এ (District Ofice -XEN-1%, SR.AE-.25% , AE-.05% , SAE -2000-5000 , Lab-8000-25000 , account 5000-20000 ) & (Upzila office UE-1% , SAE-1%. account 5000-20000) & Pion 500-2000 । প্রত্যেক বৃস্পতিবার ( নির্বাহী প্রকৌশলী)/xen বাড়ি চলে যায় , বারি যাওয়ার পথে যদি xen এর গাড়ী তল্লাসি করা যায় তাহলে মিলবে এর প্রমান ।
প্রতিটা বিল প্রসেস এর জন্য বিলের মোট টাকার সর্বনিম্ন 1% এবং সর্বোচ্চ 10% পর্যন্ত দিতে হয়। এবং কর্মকর্তা কর্মচারীরা সময় মত অফিসে আসে না এবং থাকে না।
সরকারি মূল্য অনুযায়ী জমি খারিজ করতে ১১৭০ টাকা খরচ হয় এ বাবদে ভূমি অফিসে দালালদের মাধ্যমে ১৪০০০ টাকা চায়। বলে আপনি ১ শতাংশ অথবা ২০ শতাংশ যাই খারিজ করেন না কেন আমাদেরকে ১৪০০০ টাকা দিতে হব।
দয়াগঞ্জ মৌজায় নামজারি করতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন । আমি দিতে পারবো না বলে জানিয়ে দিয়েছি। তাঁরা একটু রাগ করলেন।
They were supposed to help me get my NID done (before 2024), but day after day, I've been literally harassed, asked for money, and beyond unimaginable disturbance. I still haven't gotten my Smart Card!
Amar dadar jomir dolilgula tulte giyesilam.Ghush er kotha sorasori bolena bolse cha pani khawar taka dite hobe.ami vabsi 100 taka diley sob kore dibe but pore tader demand bola shuru korse.Ja shune ami osohay hoye chole aschi.
নামজারি করতে ৭৫০ টাকা আমার কাছে দাবি করে বলে তাদের কাছে টাকা দিলে তারা তারি হয়ে যাবে। আর যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক দেরি হবে।
অপরপক্ষের কাছে কোনো দলিল নেই, জমিতে তাদের কোনো ভোগদখলও নেই। তবুও তারা বগুড়া সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা খাইয়ে আমাদের জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। বর্তমান অফিসের কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে সবকিছু করেন। তারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা দাবি করছে—তারপরও তারা ঠিকমতো কাজ করবে কিনা, তা নিয়ে আমি বিভ্রান্ত ও অসহায়। আমি যদি আদালতে যাই, আমার কাছে সব প্রমাণ থাকায় আমি জিতবোই। কিন্তু প্রশ্ন হলো—যে অফিস প্রমাণ দেখে কাজ না করে, শুধু টাকা দেখে রেকর্ড বদলে দেয়, সেই অফিসের অস্তিত্ব কী অর্থে? আমি চাই, এই ঘুষখোর চক্র ও ৫ লাখ টাকা দাবিকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। নইলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে টাকা জমা করেছি প্রায় ৩ মাস। মাঝে একবার গেলে বলে আসবে আসবে। অফিসের বাইরের একজন বললো মামা বা টাকা ছাড়া কাজ হয় না। ফাস্ট এবং গ্যারান্টেড কাজের জন্য এগুলার বিকল্প নাই।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি প্রক্রিয়া জানার এবং ভূমির নাম জারি কাগজ বের করার জন্য যায় খাজনা দেই তারপরে আমাকে জানায় নামজারের আবেদন করতে ৬০০০ টাকা তাদের দিতে হবে যেখানে মাত্র সম্ভবত 1170 টাকা সরকারি সকল ফ্রি সহ। পরবর্তীতে আমি নিজে আবেদন করি আবেদন করে না যখন ইউনিয়ন অফিস থেকে এপ্রুভাল যে আবেদনটা সঠিক কিনা তারপরে তো উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠানো হবে সেই অ্যাপলের জন্য আমার ১০০০ টাকা দেয়ার লেগেছিল যদিও তারপরে বাকিটা আমি উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে করেছি আর শেষে ডিসিআর ফি দিয়েছি, ১০৭০ বা এরকম কত জানি থাকা আমার এক্সাক্টলি খেয়াল নাই কতো। কিন্তু এরকম হাজার কিংবা ১১০০ এর মধ্যে।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
পারিবারিক মামলা ডিগ্রি হওয়ার পরে। ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার জন্য পিরোজপুর পারিবারিক আদালতের সেরেস্তায় গিয়ে মামলা ডিগ্রি হওয়া টাকা দেওয়ার জন্য সেরেস্তাদারকে বললে তিনি তার অফিস সহায়ককে মামলা নাম্বার বলতে বলেন। মামলা নাম্বার বলার পরে কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক বলে নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর বলে একজন নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে যেতে তার কাছে গেলে নথি পাওয়া যাবে। সেরেস্তাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে তার অনেক কাজ আছে ওই নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে গেলে তিনি সবকিছু গুছিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে সেই আইনজীবী সহকারী টাকার বিনিময় নথি খুঁজে পান এবং ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার সুযোগ মিলে।