মেডিক্যাল ছুটির বিল
ডামুড্যা শিক্ষা অফিসের কেরানি, বিলে অর্ধেক টাকা দাবি করে। বলে টাকা না দিলে বিল পাশ হবে না। বিল পাশ করাইতে চাইলে তার টাকা দিতে হবেই। শিক্ষা অফিসার নিরব ভূমিকায় ছিলো। আমার বিলের জন্য যেই পরিমাণ হয়রানি করা হয়েছে তা কল্পনা করা যায় না। এক বছর সময় লাগছে, বিল পাশ করাতে। তাও হইতো না, যদি না আমি জেলা শিক্ষা অফিসারের দ্বারস্থ না হইতাম। আমি জীবন টাকে তেজপাতায় পরিনত করেছিলো এক ঘুষখোর।