নামজারী খতিয়ান সৃজন
পুরাতন দলিল আর জমির পরিমাণ বেশি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। ওয়ারিশ মূলে নামজারি। এতেই চরম মূল্য বাকলিয়া সার্কেল ভুমি অফিস ও আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিস, মহানগর, চট্টগ্রাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুরাতন দলিল আর জমির পরিমাণ বেশি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। ওয়ারিশ মূলে নামজারি। এতেই চরম মূল্য বাকলিয়া সার্কেল ভুমি অফিস ও আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিস, মহানগর, চট্টগ্রাম।
My land mutation application has been rejected several times without any valid or clear reason. When I spoke with the AC (Land) Magistrate to understand the reason for the rejection, he was unable to provide any explanation and simply advised me to reapply. I followed his advice and submitted the application again. Since I had already left the district, my younger brother followed up with the concerned office on my behalf. However, the application was rejected once again. This has become a frustrating and seemingly endless cycle. Although the mutation application process is conducted online and all the required documents are submitted as scanned copies, applicants are also asked to submit
দেশের একটি নামিদামি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামান্য (গ্রেড-১৩) চাকরির জন্যে উপরোক্ত অর্থ দাবী করা হয়েছিলো। যিনি চেয়েছিলো তিনি নিজেও একটি নামিদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা দেয়ার পর, যতবার গিয়েছি নতুন নতুন ডকুমেন্ট চাইছিল। যেগুলো তালিকাভুক্ত নয়। যেমন নাগরিকত্ব সনদ। আমাকে তিন চার দিন ঘোরানোর পর বললো, আপনি "অমুক" এর সাথে কথা বলুন, তার পেছনেই একজন পিওন বা সামথিং। সে বললো, আমরা সব ঠিক করে দিব, ৫ এর কম হবেনা। সবাই পাবে। আমি একা নিব না। আমি না দিয়ে তথ্য নিজেই সংশোধন করি। পরে দেখা যায়, অনলাইন পেমেন্টের করার পর তাদের দাবী অনুযায়ী তথ্য সংশোধন এর কারণে আমার পেমেন্টের সাথে পাসপোর্ট এর আবেদনের সম্পর্ক ক্যান্সেল হয়ে গিয়েছে। আমার ফি সব সব শেষ!
আমার একটি দলিল নামজারী করতে বর্তমানে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। শুধু আমার নয় মাধবপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দলিল নামজারী করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জনগণ থেকে নিচ্ছে।
আমাদের নরসিংদী সদরের বাবুরহাট বাজারে একটা ভিট দোকান আছে সেটা বাজারের পেরিফেরির বাইরে। আমরা নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছি। কিন্তু হটাৎ আমার বাবা অসুস্থ হওয়াতে আমার ছোট ভাই এক বছরের ট্যাক্স দিতে গেলে তার কাছ থেকে ট্যাক্স না নিয়ে বলে দিছে বাজারের খাজনা নিতে পারবে না। তারপর আমি দেশে গেলে আমি চেষ্টা করি। আমাকেও নানান কথা বলে মানা করে দিছে কিন্তু আসল কথা হচ্ছে টাকা। তারপর আমি নরসিংদী ডিসি অফিসের এডিসি এর সাথে দেখা করে সব কিছু বলি। সে বলল একটা এপ্লিকেশন করতে। তাই করলাম। কিন্তু তখন কেবল আমার দুর্দশার প্রথম পর্ব। আমি আড়াইমাস দেশ ছিলাম। আমার সবটা সময় গেছে ডিসি অফিস থেকে জেলা ভূমি অফিস আর স্থানীয় ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে। শেষমেশ যখন আমাকে আর কোন দিক থেকে আটকাইতে পারে নাই তখন আমাকে এসিল্যান্ড অফিসার বলল
—, Circle 248, Zone 12, Dhaka. He demanded 5 lakh taka for his family (sick child) expense and in return he will waive all tax demanded by NBR.
সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ, ময়মনসিংহ শাখায় একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা দাবি করে
পটিয়া পোস্ট অফিস, পটিয়া, চট্টগ্রাম, যেখানে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা রাখা হয়। অনেক অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের টাকা ও সঞ্চয় করা হয়। কিন্তু টাকা উত্তোলনের সময় নানা অজুহাতে হিসাবের টাকা গ্রাহককে ঠকিয়ে রেখে দেয়া হয়। আমার টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে এই টাকা তুলতে 1মাস সময় চাওয়া হয়। 1 মাস পর যাওয়ার পর ও আমাকে সেবা দিতে অপরাগতা দেখানো হয়। এর পর আমি ক্ষুব্ধ হলে আমার পে অর্ডারটি খুজে বের করে আমাকে দেয়া হয় এর জন্য আমার কাছ থেকে টাকা খুজে। আমি সেটি দিতে প্রত্যাখ্যান করি।
Jomir kagoj niye gecilam tik kore dibe bole taka dite hobe na hole hobe na
আমি নামজারি করতে গিয়ে ছিলাম তখন তহসিলদার নামজারির প্রস্তাব করানোর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করে
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।
আমি সকল দপ্তরের ঘুষের খবর জানি এমন কোনো দপ্তর নাই যে ঘুষ না খায় কে কত খায় বিস্তারিত দিব পরবর্তী আপডেটে আমার কোড নাম —
এই খানে এত্ত গুলা রিপোর্ট যে সবাই দিচ্চে এই গুলা দেখে খুব ভালো লাগসে দেশ টা কে সুদড়ানো দরকার কিন্তু এই সব অভিযোগ গুলা খালি এই খানে জমা থাকবে? না কি একশন নেয়ার কেউ আছে? খালি খালি অভিযোগ করে লাভ কি ম্যাক্সিমাম সরকারি কর্মকর্তা/আইনি লোক গুলা তো ঘুষ খোর সবাইকে ধরবে কে আর শাস্তি দিবে কে?
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় বেশিরভাগই লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষাতে উত্তীর্ণ হলেও প্রাকটিকাল এ ফেল করে। একই পরিস্থিতির শিকার হওয়ার পর আমাকেও একই প্রস্তাব দেয় BRTA এর একজন কর্মি, যে 3000 টাকা দেওয়া হলে fail এর জায়গায় pass এন্ট্রি করা হবে কম্পিউটার এ।
বললো জায়গার পরিমাণ বেশি(১৫ বিঘা) আর আপনি আমার পরিচিত তাই বেশি না মাত্র ১,০০,০০০ টাকা দিয়েন
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ আদায়
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!