ড্রাইভিং লাইসেন্স
প্রথমবার প্র্যাক্টিক্যাল ফেল করার পর একজনের কাছে অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম, উনি ৩০০০ টাকা চেয়েছিলেন, ওটা দিয়ে দিলে সেবারই পাশ করিয়ে দিত।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমবার প্র্যাক্টিক্যাল ফেল করার পর একজনের কাছে অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম, উনি ৩০০০ টাকা চেয়েছিলেন, ওটা দিয়ে দিলে সেবারই পাশ করিয়ে দিত।।
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পেনশনের জন্য ১৫০০০ টাকা চেয়েছে CGA office..
ঢাকা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের (৩৭) বিচারক ভয়াবহ ঘুষখোর। এদের কাছ থেকে দেশ বাঁচাতে হবে।
একটা সেল পারমিসান এর জন্য আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ চাইছে। আমি পরে কজটা করিনি।
পারিবারিক সূত্রে অর্জিত সম্পত্তি নামজারি করার জন্য পৌরসভা ভূমি অফিস উপস্তিত হয়, এরপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন জন্য ওনাদের একজন দাবি করেন ১২০০ টাকা, যেখানে খরচ সরকারি নীতি অনুসারে ৭৫ টাকা । এরপর আমার কাছে স্ক্যানার না থাকাই একরকম বাধ্য হয়ে ৫৫০ টাকা অ্যাপ্লিকেশন করে নেই । কিন্তু আসল বিপত্তি হই ২২ কার্য দিবস এর দিন, হটাৎ ম্যাসেজ আসে নামজারি বাতিল হয়েছে । আবারও ভূমি অফিস উপস্থিত হইলে ওনার বলে আবার অ্যাপ্লিকেশন করতে, বাধ্য হয়ে আবারও ৫৫০ টাকা দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করে ফেলি, আমি চলে আসছিলাম এমন সময় বলে “খরচা বিষয় ছিলো বলে দাবি করে বসে ১২ হাজার টাকা, এরপর অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নামজারি করতে সক্ষম হই, শেষ পর্যন্ত আমি কোন রকম ঘুষ না দেয়ার সিদ্ধান্ত অটল ছিলাম ।
১৫০০ টাকা চাইছিলো।মহাপরিচালক পিওন, আমি রিজেক্ট করেছি, পরিবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট ওআমাকে করে দিয়েছে বলার পরে
“Dhaka CJM Cort No.37 -এক প্রতারক প্রতারনা করে আমার ৯৫ লক্ষ টাকা মেরে দেয় পিবিআই তদন্ত করে পরিপূর্ণ সত্যতা পেয়ে কোর্টে প্রতিবেদনো জমা দেয় কিন্তু টাকার বিনিময়ে আসামী খালাস হয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যায়। দেশে সততা ফিরিয়ে আনতে হলে নিম্ন ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের (CMM, CJM) বিচারকদের আগে ঠিক করতে হবে। তাদের দেয়া রায় পরবর্তীতে ভুল প্রমানিত হলে, তার ভুল রায় দেয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ও ক্ষতিগ্রস্হদের ক্ষতিপূরন আদায়ের বিধান থাকা জরুরী। সেই সাথে এসব অযোগ্য ব্যক্তিদের বিচার ব্যবস্হা থেকে বহিস্কার করতে হবে।
পাওনাদার জন্য বিচার দিয়েছিলাম থানায়, পাওনা টাকা গুলো নিয়ে দিতে হলে ওসিকে ১০ হাজর টাকা দিতে হবে।
বিয়ের কাবিন নামায় ভুল করে ঘুষ নিয়ে ঠিক করার ব্যবসা। এইভাবে প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে কাবিননামায় ভুল করে টাকা ঘুষ নিচ্ছে ঠিক করার জন্য। উনি ফটিকছড়ি পাইন্দং ইউনিয়নের কাজী লোকমান। এছাড়াও সে মানুষের জায়গা জমি নিয়ে মামলা করে পরবর্তীতে সেগুলো বিভিন্ন জালিয়াতি করে তাদের থেকে কম টাকা দিয়ে কিনে নেই।
Passport apply kore file niye finger and face recognition dite gesilam passport office e Sob kagoj thik thaka sottew hudai ghuray Bole eita nai oita nai Pore jokhon পরিচালক এর lache gelam unibtokhon sigm diya dilo ar kaj o hoia gelo Ekdom kuno barti taka charai
নামজারীর আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়েছিলাম ফাইল আটকে রেখেছে অফিসের সহকারী বলছে টাকা না দিলে কাজ হবে না
আমাদের একটি সিআর মিথ্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পালন করে হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা থানার তদন্ত কর্মকর্তা —, যিনি আমার বাবাকে হুমকি দিয়ে (২০০০০/- বিশ হাজার টাকা ) নিয়ে নেই। পরবর্তীতে মামলায় প্রতিবেদনে দেখলাম যাহা একটি মিথ্যা এবং হয়রানি মূলক ছিলো।আমাদের সবাইকে অব্যহতি দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
স্হানীয় কর্তৃপক্ষ হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল প্রস্তুত করে স্ব স্ব ক্যাশ অর্ডার়লী মাধ্যমে বিল প্রেরণকালে বিল ৪ শাখার দায়িত্বরত নারী অডিটর — ও অন্যান্য অডিটরণ প্রত্যেক বিভাগের ক্যাশ অর্ডালীদের নিকট হতে আড়ালে ঘোষ বা ৪-১০℅ কমিশন নিয়ে বিল প্রস্তুতসহ পাশ করিয়ে সেবা দেন। আড়ালে টাকা বা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা পুরণ না করলে বিল টুকেন নাম্বার দিয়ে ফেরত দেন। আর কোন ক্যাশ অর্ডারলী প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদের অফিস প্রধানের নিকট অভিযোগ করেন। বলেন সে এসে খারাপ আচরণ করে তাদের কথা মানেন না।
সিনিয়র চিকিৎসকদের প্রাপ্য পদোন্নতি না দিয়ে চাকুরীতে জুনিয়র কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে। এটার কারন হিসেবে জানানো হয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কথা। কিন্তু কিছু সংখককে একই অভিযোগের লিস্টে নাম থাকার পরো টাকা লেনদেনের মাধ্যম্যে পদোন্নতি দেয়া হয় পরে। বাকিদের কাছেও টাকা চাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে।
মিউটেশন করতে খরচ হয় ১১৭০ টাকা। আমি আবেদন করে গেলে তফসিলদার মহিলা বলেন এটা ইউনিয়ন এ অনলাইন এ নাই।যক্কত করতে হবে। এটা যুক্ত করতে অনেক বড় প্রক্রিয়া। তবে আমি কাউকে দিয়ে করাই দিতে পারি এতে হালকা খরচ বেশি। আমি বললাম কত? মহিলা তফসিলদার তার সামনে রাখা ক্যালকুলেটর চেপে ১৫০০০ চেপে দেখিয়ে বললেন এতো লাগবে। তারপর আমি বললাম এ তো অনেক বেশি। তারপর এসি ল্যান্ড এর কাছে যাওয়ার পর বললাম যে আমার খতিয়ান টি অনলাইন এ নাই।এখন কি করবো? তিনি বললেন এটা একটা প্রজেক্ট। কয়েক মাস পর হতে পারে। আমি বললাম এখন কি যুক্ত করা যায়? তিনি বললেন আপনার তফসিলদার চাইলে পারবে।কথা বলে দেখেন। সামান্য দাগ নম্বর তুলা প্রতি দাগ নম্বর ২০০ টাকা।
এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলা যায় না। কয়েকদিন ধরে তাদের কাছে গিয়েও দেখা করতে পারিনি। অফিসে থাকলেও বলে এখন উপস্থিত নাই। অথচ টাকা দিলে তারা কাজ করে দিতে রাজি হয়। এবং উপজেলার নিকট একটি কাচারি ঘর আছে সেখানে টাকার বিনিময়ে দলিল, নামজারি সহ বিভিন্ন রকম কাজ করা হয়। দিন শেষে মোট ঘুষের টাকা সবাই ভাগ করে নেয়। আমি সরাসরি কারো নাম বলতে চাইছি না। তবে কোন সৎ ও দায়িত্ববান প্রশাসনের লোক চাইলে সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম দেখে আসতে পারেন।
রাজশাহী নিউ.গভঃ ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক লিখিত পরীক্ষা শেষে, ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় অবৈধভাবে টাকা তোলা হয়। এছাড়া শিক্ষা সফর বাধ্যতামূলক করা হয়। কোন শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে না গেলে তাকে ব্যবহারিক মার্ক দেয়া হয়না। শুধু যারা শিক্ষা সফরে যায় তাদেরকে A+ দেওয়া হয়। চাঁদার পরিমাণ 6 থেকে 10 হাজার টাকা। এই টাকা শিক্ষার্থীদের থেকে জোর করে তুলে নেয়া হয়।এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি কলেজ । যদি কোন শিক্ষার্থী এই ব্যাপারে নিজ বিভাগে কথা বলতে চায়, তাহলে তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সবাই ভুক্তভোগী। এই ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কিছুই করতে পারছে না। কারণ পরীক্ষায় সিজিপিএ কম আসবে তাই।এছাড়া পরীক্ষায় ফেল করার ভয় দেখানো হয়।
আমার ২ শতক জমি নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে, পরে আমি আর আমার জমি নামজারি করিনি।
সেল পারমিশন লাগবে না মর্মে যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তা কার্যকর করা হবে না । এখন ঘুষের রেট দশগুণ বেড়ে গেছে। পারমিশন পেতে দুই লাখ টাকা লাগবে।