মূল্য ঘোষণা অনুমোদন
চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মুল্য অনুমোদন এর প্রমাণ চাইলে ভ্যাট অফিসে যোগাযোগ করি। তারা জানায় এটি করতে ৫০০০০+ টাকা লাগবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মুল্য অনুমোদন এর প্রমাণ চাইলে ভ্যাট অফিসে যোগাযোগ করি। তারা জানায় এটি করতে ৫০০০০+ টাকা লাগবে।
সিলেট এল অ অফিস ও ডিসি অফিসে রমরমা ঘোষ বাণিজ্য চলছে দেখার কেউ নেই। এলো অফিসে জমি অধিগ্রহণ টাকা তুলতে গেলে যে পরিমাণ ঘুষ চাওয়া হয়।আর এরকম হয়রানি করানো হয় তা বলে শেষ করান না । সরকারি অফিসাররা সাধারণ মানুষের সাথে দেখা বা কথা বলেন না তারা এসের রুমে বসে গল্পগুজব করে এই সময় কাটান। ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা করা যায় না তারপরে তো ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যান একজন সাধারণ মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা না করতে পারে বসে থাকে আর তারা এসি রুমে আরামে দিন কাটান এদের দেখার কেউ নেই । ডিসি অফিসে গেলেও সরকারি অফিসার রা সাধারণ মানুষের সাথে যে রকম আচরণ করে তা বলে বুঝাতে পারব না । ঘুষ দিলে কাজ হয় না দিলে কোন কাজ হয় না আর অফিসাররা যেরকম আচরণ করে । ঘোষ দিলেও তারা এরকম আচরণ করে আর না দিলে তো আরো খারা
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
খুলনা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যেকোনো দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলেই নানা অংকে ঘুষ দিতেই হয়।
সেখানের ইউনিয়ন কানুনগো ৫০০০ টাকার নিচে কাজটি করে দিবেনা বলে। উপজেলা ভুমি কমিশনার ও জড়িত ছিলো।
ট্রেডলাইসেন্স করতে হলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্সে সব দেওয়ার পরেও অতিরিক্ত সর্বনিম্ন ২০০০- ৮০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয়, এখানকার বড় স্যারকে এইটাকা না দিলে লাইসেন্স হবে না।
ইউনিয়ন পরিষদের কেউ নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করতে গেলে ৫০০,৮০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় টাকা না দিলে ভোগান্তি নামে অনেক ভূল ধরে আমি আমার পুরো পরিবারের জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে গড়ে ৭০০ টাকা ব্যয় করতে হয়েছিল
২০১০ সালে আয়কর অফিস থেকে ৫০০০ টাকা না দিলে অডিট এ দেয়া হবে বলা হয়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা অডিট এ তুলে এবং অযথা হয়রানি শুরু করে।
কৃষিগবেষণা ভিতরে বহিরাগতরা ডুকতে চাইলে গেইটে যে আনসার ও সেবার লোক থাকে তাদের ৫০-৫০০ টাকা ঘুষ দিত হয়। সরকারি ছুটির দিন আরো বেশি টাকা দাবি করে।
জেটি কাস্টম চট্টগ্রামের আলফা জোনের সহকারী কমিশনার — পণ্য পরীক্ষণের নামে অহেতুক হয়রানি করেন। একটি পণ্য চালান পরীক্ষণে তিনি ৮০০০০ টাকা দাবি করেন। রাজি না হলে তিনি পেপার আটকে রাখেন। পরবর্তীতে ৫০০০০ টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।
Dhaka CMM Cort No.27 মামলা নাম্বার ৩০২/২৫ আমি একজন সউদি প্রবাসি, এক প্রতারক প্রতারনা করে আমার ৭৫ লক্ষ টাকা মেরে দেয় পিবিয়াই তদন্ত করে পরিপূর্ণ সত্যতা পেয়ে কোর্টে প্রতিবেদনো জমা দেয় কিন্তু টাকার বিনিময়ে আসামী এক দিনেই জামিন নিয়ে বের হয়ে যায়, এখন আমাকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জন অফার দেয় ২ লাখ টাকা দিলে আসামী কে গ্রেফতার করা হবে বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে, আমি বিচার দিয়েছি আল্লাহর কাছে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ আমাকে বিচার পাইয়ে দেবে না আমি পুরোপুরি হতাশ হয়ে গেছি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি। ৪০৬/৪২০/৫০৬/১০৯ ধারার অপরাধ প্রমানিত হবার পরো আসামী দিব্বি বাহিরে নেচে বেরাচ্ছে মনের সুখে আর আমি বিচার পাবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় হোচট খেয়ে বেরাচ্ছি। এদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হবে ইনশাআল্লাহ।
Application denied or delay
সার্টিফিকেট তুলতে ঘুষ, জাল সনদে লাখ টাকা: শিক্ষাঙ্গনে ‘সওয়াবের’ ব্যবসা রাজশাহী কলেজে একটি সাধারণ HSC সনদ তুলতেই নেওয়া হয় ৫০০ টাকা। অন্য কোনো শিক্ষাগত নথি তুলতে গেলেই অফিস বা চা-পানের নামে আরও ১০০–৩০০ টাকা। বছরে এমন কত টাকা আদায় হয় তার হিসাব কি কেউ রাখে? অভিযোগ আরও গুরুতর: আশপাশের কিছু প্রতিষ্ঠানে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বৈধ হিসেবে দেখানো নিবন্ধিত পাস-কোর্স সনদ বিক্রির কথাও শোনা যায়। এমনকি চাকরিতে পদোন্নতির জন্য ২ লাখ টাকায় ‘বৈধ’ অনার্স সনদ নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ঘুষগ্রহীতারা বলেন এভাবে ‘সহায়তা’ করে তারা সওয়াব অর্জন করছেন, যা তাদের জান্নাতে নিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির ক্ষেত্রেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স বানাতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কিছু বখশিশ (ঘুষ) দাবি করর। কিন্তু পরে আমি শুধু কাজের বৈধ টাকাটা দিয়েই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আসি।
ভোলা পাসপোর্ট করার সময় আমার সব কাগজ ওকে ছিলো।অফিস অফ হওয়ার কথা ছিলো ৪ টায়।আমি ১২ টায় গেছি বলে হবে না,পরে এক আনসার এসে বলে টাকা ছাড়া হবে না,টাকা দেন ১৫০০ এখন হয়ে যাবে।আমি নাছর বান্দা পরের দিন ৯ টায় এসে হাজির।সব কাগজ রেডি থাকার পর ও আমাকে নানান কাগজ আনতে বলে,আমি অইগুলাও নিয়ে আসি।পরে উপায় না পেয়ে করে দেয় পাসপোর্ট।
The Project Director of a Development Project demanded 5 lac taka to settle down government audit outcomes against him. The most corrupt person I have seen in a government department who ruined the project because of his corruption and now the project loan is being repaid by the tax payers of Bangladesh without any tangible outcome of the project.
আমি একটা রিপোর্ট করেছি এটা তার ২য় খন্ড, এখন আমি নিরুপায় আমি ভিক্টিম হয়েও পিবিয়াই অপরাধ প্রামিত করার পরো আসামী হাসতে হাসতে কোর্টে আসে এবং জামিন নিয়ে চলে যায়, আর আমি নিরুপায় হতভাগা প্রবাসী বিচারের জন্য সুধু আল্লাহর দরবারে হাত উঠাই, উকিল সাহেব বলে আসামী পক্ষ ২ লাখ টা দিছে এই কোর্টে যেনো গ্রেফতার না হয়, টাকা দিয়েই যদি বিচার কার্য পরিচালিত হয় তবে আমরা বিচার পাব কোথায়? মামলা নাম্বার উল্লেখ করে দিচ্ছি 302/25 আসামী (—)। আমি বিচার চাই উপর আল্লাহর নিকট বলেছি এক আল্লাহ ছাড়া আর কেউ সহায় নেই , আপনাদের উছিলায় যদি বিচার পাই।
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
শোরুম যখন গাড়ির ডাটা করে তারপর সব ফাইল বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয় তারপর নাম্বার জেনারেট হয়৷ এই নাস্বার জেনারেট টাকা দিলে ৭ দিনে না দিলে ২/৩ মাস লাগে। তখন ই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ দ্রুত হয়।
গাড়ির সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ঘুষ দিলে নাম্বার ৭ দিনে পাওয়া যায় আর ঘুষ না দিলে ২/৩ মাস সময় লাগে।