Passport renewal
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
আমি বকেয়া কর পরিশোধের কোন চিঠি পাইনি। কিন্তু আমার ব্যাংক হিসেব ফ্রিজ করা হয় ও টাকা নিয়ে আসা হয় কিছু। পরে অফিসে গিয়ে শুনলাম ১৮৪ ধারায় এসেস্মেন্ট হয়েছিল ও অনেক আগের কোন অফিসার করেছিল। আমি আমার ব্যাংক হিসেব মুক্ত করার কথা বললেও উপ কর কমিশনার বলেন যে কমিশনারকে খুশি না করলে ব্যাংক জব্দ প্রত্যাহার হবে না। কমিশনার মহোদয় এর অনুমতি ছাড়া কোম্পানির ব্যাংক হিসাব খুলা যাবে না। যদিও আমার প্রতিষ্ঠানের ১৪৭ হয় এবং আমি সবসময় কমকর্তাদের খুশি করি, তারপরও আমার কোম্পানিকে প্রতিনিয়ত কমিশনার, উপ কর কমিশনার হয়রানি করে। কর অঞ্চল ১৪তে ব্যাংক হিসাব নাকি কমিশনার না চাইলে খুলা যাবেনা, যদিও এর কোন আইনি ভিত্তি নেই।
চৌগাছা সাব রেজিস্ট্রার সকল দলিলের মূল্যের উপর পার্সেনটেজ আকারে ঘুস নেন। এছাড়া দলিল লেখকরা সমিতি ও সিন্ডিকেট করে দলিল রেজিস্ট্রেশন এর মূল্য নির্ধারন করেন। যেখানে ৫০০০ টাকায় বন্ঠননামা দলিল হওয়ার কথা, সেখানে চাচ্ছে ৭৫০০০ টাকা
বর্তমান আমাদের ৮নং চাতুরী ইউনিয়নে ৫আগষ্ট ২০২৪ সাল থেকে চেয়ারম্যান এর নেই তাই আমাদের ওয়ারিশচেয়ারম্যান সাটিফিকেট প্রত্যয়ন পত্র জন্মনিবন্ধন নিতে বেহাল দশা পুহাতে হচ্ছে। তাই এই সেবা গুলো আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার — দায়িত্ব নিয়েছে বিশেষ করে এক একি ওয়ারিশ সনদে একাদিক বেক্তি হয় অনেকে ঢাকাও প্রবাসী হয়ে তাকে ইউনো কাছে ওয়ারিশ সনদ নিতে গেলে নাকি সব ওয়ারিশকে উনার সামনে উপস্থিত হতে হবে না হলে ওয়ারিশ সনদ দিবে না। এটা নিয়ে আমরা চাতরী বাসী অনেক কষ্ট আছি
আমি নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করি কিন্তু অফিসের কর্মকর্তা তা সংশোধন করতে পারবেনা বলে প্রত্যাখান করে,পরবর্তীতে আমি একজনের দারস্ত হোই যিনি নির্বাচন অফিসের কর্মী, তিনি আমার কাছ থেকে ৮০,০০০ দাবি করে বসেন আর অফিসে না আসার অনুরোধ করেন আর লেনদেন বিকাশ কিংবা ব্যাংকিং চ্যানেলে করার জন্য বলেন, আমি যেহেতু একজন প্রবাসী , সেহেতু আমার হাতে ওরকম পর্যাপ্ত সময় আর অর্থ নেই, তাই আমি ওনার প্রস্তাব প্রত্যাখান করি
Bajar ijarar tandar a
কৃষক কার্ড করিয়ে দিবে বলে উপজেলা কৃষি অফিচার বদিউল আলম আমার বোনের জামাইয়ের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা চায়। আমি তাকে টাকা দিতে পারিনি বলে আমার বোনের জামাইকে কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়নি।
নামজারী করতে টাকা চেয়েছিল
ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে নেওয়ার সময়, ইচ্ছে করে বারবার নাম, তারিখ ইত্যাদি ভুল করে বার বার টাকা দাবি করা হয়েছিল।
আমি দ্বাদশ শ্রেণীতে অন্য কলেজ থেকে গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে টিসি নিয়ে ভর্তি হতে চাইলে , আমাকে সিট থাকা সত্ত্বেও বলা হয় " পনেরো হাজার টাকা দিলে ভর্তি করিয়ে দিব নয়তো ভর্তি করাবো না" ।
বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে সর্বমোট ৪৫০০ টাকা দাবি করা হয় তা না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থানা থেকে দিবে না অন্য জায়গায় থেকে আনতে হবে, এছাড়াও সোনাইমুড়ি পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার জন্য একই চিত্র গুনতে হয় ভূমি অফিস, সহ সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক রাকম।
মাদারীপুরের পাঁচখোলা ইউনিয়ন পরিষদের অধীনস্থ একটি জমির মিউটেশন এর জন্য ভূমি অফিসে ১২০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল।
জমি নামজারী করতে গেলে ৫০০০ টাকা দিলে সব কাগজপত্র করে দিয়ে দেবে।
খতিয়ান করতে খরচ বাবদ ৮০০০০ টাকা ঘুষ চাইছিল।
আমার জমির সার্টিফাইড কপি তুলার জন্য গিয়েছিলাম আমার কাছে 2500 টাকা দাবি করে ছিলো।
আমার কাছে কথোপকথন এর ভিডিও আছে। এবং দুইজন সাক্ষী আছে। টাকা না দেয়ায় আমার ট্যাক্স এর কাগজ আটকে রাখছে। আবার হুমকিও দিছে।
আমার পুরাতন বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করে নতুন মিটার লাগাতে চাইছিলাম, সেই লক্ষ্যে নতুন মিনার লাগানোর জন্য বিদ্যুৎ অফিসে যাই এবং তারা নতুন চারটি মিটার লাগানোর বাবদ আমার থেকে ৮০০০ টাকা প্রথমে এবং পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি তাদের বললাম এই নতুন মিটারগুলো তো সরকার ফ্রিতে লাগিয়ে দেয় আপনারা টাকা নিচ্ছেন কেন তারা আমাকে বলে বর্তমানে নতুন কোন মিটার নেই আপনার যদি লাগে নতুন মিটার আসলে তখন লাগিয়ে দিব তবে ৫০০০ টাকা লাগবে আমি তাদের বলি আমি এক টাকাও দিতে পারব না।
নতুন মোটরসাইকেল কিনলে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যার ফাইল সে জমা দিতে পারবে। কুষ্টিয়াতেও এটাই হত। কিন্তু গত এক মাস যাবত নতুন এডি এসেছে, এই এডি আসার পরপরই নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। নতুন বাইক কেনার পরে শোরুমের মাধ্যমে ছাড়া ফাইল জমা নিচ্ছে না। আর শোরুমের মাধ্যমে দিতে গেলে তিন হাজার টাকা বেশি লাগছে। কারণ এই তিন হাজার বিআরটিএর কর্মকর্তারা নিবে। সরাসরি কোন ফাইল নিচ্ছে না কুষ্টিয়া বিআরটিএ। গত এক মাস আগেও যেখানে সরাসরি ফাইল নিয়েছে। আশেপাশের প্রতিটা জেলায় সরাসরি ফাইল নিচ্ছে এবং শোরুমের মাধ্যমেও নিচ্ছে। এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত, কুষ্টিয়া বিআরটিএর নতুন এডি, একজন ইন্সপেক্টর ও তাদের চেলা পেলা।
মিরপুর ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের মনোনীত কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবার জন্য মানুষ আসে। নাগরিক সনদের জন্য টাকা চেয়েছে। স্বাস্থ্য মোটা করে এক লোক বসে। উনি টাকাটা চেয়েছিলো।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। একজন আইটিপি এসে আমার নিকট ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে একটি ফাইলের ট্যাক্স অনৈতিকভাবে কমিয়ে দিতে বলে। আমি তাকে নিষেধ করায় বা আমার আপারগতার কথা জানালে সে আমাকে তার পাওয়ারফুল লিংক লবিং এর কথা বলে এবং আমার রেপুটেশন সে চাইলেই অপবাদ দিয়ে খারাপ করে দিতে পারে এমন আকারে ইঙ্গিতে ভদ্রভাবেই আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়।