Tandar
Bajar ijarar tandar a
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Bajar ijarar tandar a
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি অস্পষ্ট পদোন্নতি নীতিমালা তৈরি করেছে এবং দুর্নীতির সুযোগ করে দিতে প্রতি বছর তা পরিবর্তন করছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তার সংগ্রহকারীদের (দালাল/প্রতিনিধি) মাধ্যমে অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ৩ লক্ষ টাকা এবং একই কর্মস্থলে বহাল রাখার জন্য অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। অথচ এই কর্মকর্তারা গত ৪-৫ বছর ধরে পদোন্নতির জন্য যোগ্য এবং ইতিমধ্যেই একই পদে ৮-৯ বছর ধরে কর্মরত আছেন।
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অফিসারের (ডাক্তার)ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকার যে কোনো হাসপাতালে বদলির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী, ঢাকা এর একজন কর্মকর্তা ৫লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। সেই চাহিদা প্রত্যাখ্যান করার ১মাস পর নওগার প্রত্যন্ত এলাকায় বদলি করা হয়।
আমি একটি সরকারি দপ্তরের উপজেলা শাখায় কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে পরিবারের কাছাকাছি থকতে নিকটবর্তী কোন একটা শাখায় বদলি হতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় প্রধান কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটা হচ্ছে না। কারণ জানতে চাইলে আমার কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বদলি করিয়ে দেওয়ার শর্তে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করি।
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস স্টেশন এ একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পণ্য চালান ছাড় করতে আমার কাছে ততকালীন ডিসি — আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। না দেওয়াতে আমার চালান ৪মাস আটকে রাখে পরবর্তীতে নতুন সহকারী কমিশনার মহোদয় সানুগ্রহে চালান খালাস করি।
সরকারিভাবে ৩৩০০ টাকায় লাইসেন্স করা হয়। সেখানে দালাল সাত হাজার টাকা না দিলে লাইসেন্স করতে চায় না। আর দালালের মাধ্যমে না গিয়ে সরাসরি গেলে লাইসেন্স ফেল করিয়ে দেয়
For price Declaration approval
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
রাজউক থেকে লীজ নেওয়া জমি যখন নিজের নামে নামজারী করতে যাই, তখোন এই ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় যে, এভাবে না করলে বছরের পর বছর ধুরলেও নামজারী পাবোনা।
একটা নতুন হোল্ডিং নাম্বার লাগবে এবং আগের কিছু ট্যাক্স বাকি ছিল, ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে আমি ওনাকে বলছি আপনি আমাকে হোল্ডিং নাম্বার দেন একটা ডকুমেন্টস দেন তারপর আমি টাকাটা দিয়ে দিচ্ছি সেটা তিনি দিচ্ছেন না আমাকে ঘুরাচ্ছে।
এটা কী উঠিত মানুষের সাথে আসলে
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া জন্য অথ দিতে হয়
আমাকে আমার নামজারি করা জমি নোটিস না করে নামজারি বাতিল করে দিয়েছিল পরে সহকারী কমিশনার ভূমি আমাকে আসস্থ করে যে তুমি সঠিক বিচার করবেন। তারপর আমি ডিসি অফিসে গিয়ে আবেদন করলে পুনঃরায় রায়টি শুনানির জন্য সহকারী ভূমির কাছে পাঠান। কিন্তু সে বাদী আর বিবাদী কে কখনো একসাথে বসিয়ে কাগজ না দেখে আমাকে ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে আবার আমাকে না ডেকে বিবাদির পক্ষে রায় দেন। পরে যখন আমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাছে যাই তখন আমাকে বলে তিনি নাকি কাগজ দেখে রায় দিয়েছেন। আমি হাসতে হাসতে চলে আশি। পরে আমি ডিসি অফিস থেকে আইনি নোটিশ পেরন করি।
আমি কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছি তার তদন্ত PBI কে দেওয়া হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট আমার পক্ষে দিবে আমি বলছি আপনি যেটা সঠিক আপনি সেটা দিবেন আমার পক্ষে বা বিপক্ষে দেওয়ার দরকার নেই ।
সাধারণ ফোর্সের টিয়ে ডিএ বিল। পাঁচ কিলোমিটার থেকে ৮ কিলোমিটার এর বাহিরে এটা সাধারণত দেয়া হয় ইউনিট থেকে। কিন্তু সংযুক্ত বা বিভিন্ন সিস্টেমে পোস্টিং দিয়ে বান্দরবান সহ বিভিন্ন জেলায় এটি এবেলের টাকা দেয় না। হেডকোয়ার্টর সে প্রধানরা সব বাহিনীতে ফ্রেসমানি থাকলেও সাধারণ ফোরসের ফ্রেশ মানি চায়না কারণ তাহলে বিয়ে দিয়ে টাকা চুরি করতে পারবে না ফ্রেসমানিটাকা সরাসরি একাউন্টে আসবে
আমি যখন ২০১৮ সালে প্রথম লাইসেন্স নিতে যাই, তখন কার্ড ডেলিভারির সময় আমার কাছে ৫০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করা হয়। আমি ছাত্র বলার পরেও তারা এ দাবি করতে থাকে। তখন আমি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অবশেষে তারা মনক্ষুন্ন হলেও কার্ড দিয়ে দেয়।
ট্রেড লাইসেন্স করলে একটা ভ্যাট রিটার্ন চালু করতে হয়। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন চালু থাকে।বন্ধ করতে গেলে 10000 টাকা চায়।আবার এক মাস জিরো রিটার্ন দিতে ভুলে গেলে তখন অটো সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা হয়। এভাবে প্রত্যেক মাসে 10000 টাকা করে জরিমানা হতে থাকে। আর তাদের কাছে গেলে তখন তারা ঘুস চায় এই জরিমানা ক্লোজ করে দেয়ার জন্য। আসলে আমার ব্যবসা তো বন্ধ আমি জরিমানা কেন দিব???? সরকার ইচ্ছে করেই এই কার্যক্রমটা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করে না।