Family Card
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমার মায়ের ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে আমি বিষয়টি — চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি। এভাবে অনেক ফ্যামিলির কার্ডের টাকা সে নিয়েছে। আমার বাড়ি উপজেলার চত্বরা ইউনিয়নে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমার মায়ের ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে আমি বিষয়টি — চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি। এভাবে অনেক ফ্যামিলির কার্ডের টাকা সে নিয়েছে। আমার বাড়ি উপজেলার চত্বরা ইউনিয়নে।
আমি যখন ২০১৮ সালে প্রথম লাইসেন্স নিতে যাই, তখন কার্ড ডেলিভারির সময় আমার কাছে ৫০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করা হয়। আমি ছাত্র বলার পরেও তারা এ দাবি করতে থাকে। তখন আমি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অবশেষে তারা মনক্ষুন্ন হলেও কার্ড দিয়ে দেয়।
সাধারণ ফোর্সের টিয়ে ডিএ বিল। পাঁচ কিলোমিটার থেকে ৮ কিলোমিটার এর বাহিরে এটা সাধারণত দেয়া হয় ইউনিট থেকে। কিন্তু সংযুক্ত বা বিভিন্ন সিস্টেমে পোস্টিং দিয়ে বান্দরবান সহ বিভিন্ন জেলায় এটি এবেলের টাকা দেয় না। হেডকোয়ার্টর সে প্রধানরা সব বাহিনীতে ফ্রেসমানি থাকলেও সাধারণ ফোরসের ফ্রেশ মানি চায়না কারণ তাহলে বিয়ে দিয়ে টাকা চুরি করতে পারবে না ফ্রেসমানিটাকা সরাসরি একাউন্টে আসবে
আমার মনে হয় সকল সরকারি অফিসগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়া, সাথে বদলি।
ডাক্তাররা সরকারি মেডিকেলে সেবা না দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে সেবা দেয়। প্রাইভেট হাসপাতালে যে টেস্ট দেয় সেই টেস্টের পরিমাণটা উল্লেখ করলাম
Taka chara hobe na, onek niyom dekhay. Jhulay rakhe
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি অস্পষ্ট পদোন্নতি নীতিমালা তৈরি করেছে এবং দুর্নীতির সুযোগ করে দিতে প্রতি বছর তা পরিবর্তন করছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তার সংগ্রহকারীদের (দালাল/প্রতিনিধি) মাধ্যমে অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ৩ লক্ষ টাকা এবং একই কর্মস্থলে বহাল রাখার জন্য অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। অথচ এই কর্মকর্তারা গত ৪-৫ বছর ধরে পদোন্নতির জন্য যোগ্য এবং ইতিমধ্যেই একই পদে ৮-৯ বছর ধরে কর্মরত আছেন।
For price Declaration approval
আমি একটি সরকারি দপ্তরের উপজেলা শাখায় কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে পরিবারের কাছাকাছি থকতে নিকটবর্তী কোন একটা শাখায় বদলি হতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় প্রধান কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটা হচ্ছে না। কারণ জানতে চাইলে আমার কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বদলি করিয়ে দেওয়ার শর্তে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করি।
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময়ে কল দিয়ে বললো, এই কাজ সম্পাদনের জন্যে টাকা লাগবে। সরকারী খরচ। বললাম, আমি তো ব্যাংকেই দিয়েছি। উনি বললেন, কিরে ভাই, আপনি দেখি খরচের ব্যাপারটা ধরছেন না। হয়, খরচ দিয়ে কাজ তাড়াতাড়ি হবে, নাহলে আমরা থানায় পাঠাবো, সেখান থেকে লোক কল করবে, আপনাকে থানায় যেতে হবে, কাগজ পত্র দেখাতে হবে, অনেক ঘোরাঘুরি। পরে আমি জানাচ্ছি বলে, অন্য একজন পুলিশের এডিসিকে দিয়ে ওনাকে ফোন দেয়াইসি, জাস্ট ৩ দিনের মাথায় কোন টাকা পয়সা ছাড়া কাজটা হয়ে গেল। কি আজব একটা দেশ!
হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যেটা পিটিআই রোড, হবিগঞ্জে অবস্থিত,সেখানে পেনশনের জন্য গেলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও একজন আমার কাছ থেকে অফিসারের নাম করে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং জানান এখানে তিনি অযথা আমার কাজ করে দেওয়ার জন্য বসে নাই। অথচ অফিসার পদে যারা ছিলেন তারা কেউই টাকা চায়নি।
এটা কী উঠিত মানুষের সাথে আসলে
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
অত্র দপ্তরে আমি আমার নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। আমি ভেবেছি অল্প কিছু টাকা চা নাস্তার জন্যে এই ৫০০ বা ১০০০টাকা। কিন্তু উনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি সেই সাথে এইখানে প্রতিটি প্রত্যয়ন নিতে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এক প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এখনও পর্যন্ত আমার কাজটি হয় নাই। গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
পটুয়াখালী পৌরসভার সকল শাখা ঘুষের বানিজ্য
আমার প্রাণপ্রিয় রাজশাহী সব ইচ্ছে থাকবে কেন এটা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে যেহেতু করা হয়েছে তাই যে কেউ যেকোনো এমাউন্ট বসিয়ে আপলোড করতে পারবে