যেকোনো ধরনে বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে।
যেকোনো ধরনের বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে না হলে বিল পাশ করে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যেকোনো ধরনের বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে না হলে বিল পাশ করে না
Six Enrollment certificates and one Letter of Recommendation from the university needed to be arrested from The Education Ministry situated at Bangladesh Secretariat. A broker demanded 20000 taka for the documents.
রাস্তায় দার করিয়ে কাগজ পত্র যাচাই করে সব ঠিক পেয়ে আমাকে পাসের দোকানে চা এর অফার করে আমি খেতে রাজি না হওয়ায় প্রথমে আমাকে বেয়াদব বলে। আমার বাবা পুলিশ ছিলেন বললে। তারা ৩ জন ছিলেন তারা বলেন বুঝেন না আমাদের কিছু খাওয়ান, আমি বলি নেন যা খুশি খান তখন তারা টাকা দাবি করে ৫০০০। আমি না দিলে আইন ভংগ করেছি মামলা হবে। তখন যে অফিসার ছিল আমাকে ডেকে নিয়ে বলে ৫০০ দিয়ে চলে যেতে। আমি জামেলা এড়াতে ৫০০ দিয়ে চলে আসি, রিসিট চাইলে মামলা দেয়ার ভয় দেয়। পরে অনেক কথা কাটা কাটির পর আমাকে একটা নিল কাহজের রিসিট দেয়।
রেলওয়ে ভূমি অফিসের আন্ডারে আমার একটি দোকান আছে যেটার রিপোর্ট বিভাগীয় রেলওয়ে ভূমি অফিস লালমনিরহাট একটা রিপোর্ট পাঠানো বাবদ ১০ হাজার টাকা চেয়েছে টাকা দিইনি যার কারণে সাত মাস ফাইল পড়ে রয়েছে ঘুস চাওয়া ব্যক্তির নাম কানুঙ্গ — রেল ভূমি অফিস পার্বতীপুর দিনাজপুর
আমি কিছুদিন আগে Police clearance এর জন্য apply করি। গতকাল Shailkupa থানার এক police call দিয়ে বলতেছে কাগজ উপরে পাঠাতে মালপানি লাগবে🙂। আমি কিছুটা রেগে গেলে আমার কাকাকে বলতেছে আপনার ভাতিজা অনেক বেশি বোঝে। টাকা দেইনি but আমার কাজটা এখনো Approve করেনি। জানিনা কি করবে, যাই করুক টাকা আমি দিব না।
চট্টগ্রাম রাউজান পাহাড়তলী উনসত্তর পাড়া ভূমি অফিসে আমি একটা খতিয়ান তুল তে যাই তখন সে খতিয়ান টা তাদের রেকর্ডে চিলো না তখন সে আমাকে বলে তামিল করতে হবে তামিল করতে গেলে ১৫০০৳ লাগবে আমি বলি খতিয়ান আমার থেকে আছে আপনি নেন তামিল করে দেন ওনি বললো হবে না ১৫০০৳ দিতে তবে উপজেলা থেকে খতিয়ান এনে তামিল করতে হবে
নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করার জন্য
শিক্ষা অফিস থেকে শান্তি বিনোদনের ভাতা প্রদান-পূর্বক প্রায় ৩২০ জন শিক্ষকের থেকে জনপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দাবি করা হয়।
চলমান ঝিলংজা মৌজা কক্সবাজারে ভুমি জরিপ সত্যায়ন স্থরে রেভিনিও অফিসার ভুমি জরিপে কাগজে সমস্যা আছে বলে ৩০০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা দিলে জরিপ করিয়ে দিবে না দিলে করবে না। অন্যজনের নামে খতিয়ান করে দিবে।
প্রতিটন ধানে ম্যানেজার কে ২০০০ করে টাকা দিতে হবে তাহলে ধান রিসিভ করবে। ম্যানেজার ২০০০ করে ৩০ লাখ + টাকা নিয়েছে কৃষক থেকে
সেবাটি ছিল: প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য সুবর্ণ কার্ড তৈরি করা। ঘটনা: আমি আমার প্রতিবন্ধী মায়ের জন্য সুবর্ণ কার্ডের আবেদন করতে সমাজসেবা অফিসে যাই। কথা বলার সময় একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন কার্ড করে দিতে ৩,০০০ টাকা লাগবে। তিনি বলেন টাকা দিলে আমাকে কিছুই করতে হবে না, উনারাই সব করে দিবেন। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে অস্বীকার করি। তখন তিনি বলেন "তাহলে আপনি চেষ্টা করতে পারেন"। পরে আমি সকল কাগজপত্র জমা দিলে আমাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় মেডিকেল চেকআপের জন্য। হাসপাতালে আমার ফাইল দেখার পরে মেডিকেল অফিসার ওই কর্মকর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে এবং হাসপাতাল থেকে বলা হয় আমার মায়ের "স্ট্রোক প্যারালাইজড" হয়েছে ৫ বছর হয়নি, তাই আবেদন রিজেক্ট হয়েছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় এবং আশেপাশে অনেকেই যাদের ৩ মাস বা ৫ বছরের ক
আমি আমার মা" এর নামে রেজিস্ট্রার করা একটি জমির খতিয়ান করতে গিয়েছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিস আমার কাছে সে কাজের জন্য ৮,০০০ টাকা চেয়েছে। যদিও সরকারি বিল মাত্র ১১৫০ টাকার মতো।তা আমি প্রত্যাখান করি। ঘটনাটি ২০২২ সালের। ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থান এর পরে আমি আবার সে জমি খতিয়ান করতে যাই।তখন আমাকে বলা হয় আমি নিজে করবো, নাকি তাদের হাতে করাবো।আমি নিজে করার সিদ্ধান্ত নেই।আমি সকল কাজ যথা সময়ে শেষ করার পর উপজেলা ভূমি অফিস শেষে আমার সাথে গড়িমসি করে তারা আমাকে সকাল থেকে বিকেল এক রুম থেকে অন্য রুমে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে দৌড়িয়েছে। বিকেল প্রায় ৩ টায় একজন আমাকে ডেকে সকল তথ্য শুনে বলেছে আপনার কাজ কয়েকদিন আগে শেষ হয়েছে।
বেতন বিল চালু করতে টাকা নিয়েছিল
নামজারি আবেদন করার পরে বল্ল আপনার খতিয়ান অবসিষ্ট জমি নেই, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি পরে ৬০০০০ হাজার অফার করে, আমি রাজি হয়নি, কিছুদিন পর তহশিলদার ৩০০০০ হাজারে করে দিবে বলে তাও দেয়নি টাকাও রিটার্ন না করে ৬ মাস পরে মারা গেছে, তবে কোন জমি ৮০০০ হাজার টাকা কমে খারিজ করা সম্ভব হয়নি
যেহেতু,স্থানীয় লোকজন প্রতিষ্ঠানে স্বপ্রনোদিত হয়ে জমি দান করেন তাই অনেকে মুখে প্রচলিত নামেই জমি রেজিষ্ট্রেশন করে দেন।কিন্তু কাগজ-পত্রে প্রতিষ্ঠানের নামে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করেন প্রথব বার এবং সরকারি খাস জমি ঘোষণা করার ভয় দেখান যদিও ওই জমির উপরেই প্রতিষ্ঠানের অবস্থান।দ্বিতীয় বার মঞ্জুর করার জন্য ২০০০০০/ টাকা দাবি করেন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের একমাসের বেতন দিয়ে দিলেই এই পরিমান টাকা উঠে যাবে বলে পরামর্শ দেন( যেহেতু প্রতিষ্ঠানের টাকার হিসেব প্রদান করা হয় কমিটির কাছে)। টাকা না দেয়ার ফলে অত্র জমিতে দখল নাই এবং মালিকানা প্রমান হয়নি বলে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পর, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে পিয়ন বলে পছন্দের স্কুলে চাকরি করতে পারবো, দিতে হবে ৪০০০০ টাকা। পরে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলি, উনি আরও কয়েকজন কে নিয়ে বসে, এবং বলে কোন স্কুল তোমাদের পছন্দ দেখ। বেশ কিছুতে দাগ দেওয়া ছিল বললো, এগুলো Already booking, বাকি যেগুলা আছে সেগুলো choice কর। অনেক বলাবলির পর ৩০০০০ হাজারে রাজি হল। এর আগের বছর এক ভাইয়ের চাকরি হয়েছিল, অনেক দূরে চর অঞ্চলে তার posting দেওয়ার সে কিছুদিন Absence ছিল, তারেও বলছে ২ লাখ দিলে সে চাকরি করতে পারবে নইলে তার নাম এ বিশাল মামলা হবে.. টাকাই যেন সব সমস্যার সমাধান
নামজারি সেবা ছিল আমি অনলাইনে আবেদন করি করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয় উপজেলা ভূমি অফিস ওই প্রতিবেদন প্রেরণ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছে 20000 টাকা চেয়েছে এরপরে বলে বাকি কাজ আপনি করে নেবেন
রাজধানীর প্রতিটি ব্যত্যয়কৃত নির্মাণাধীন বিল্ডিং হতে রাজউকের ইমারত পরিদর্শকরা ক্ষেত্রবিশেষে ৫-৫০ লক্ষ টাকা ঘষ আদায় করে থাকেন মোবাইল কোর্ট বা উচ্ছেদের হাত থেকে উক্ত বিল্ডিংকে বাঁচানোর কথা বলে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এই পরিমাণ অর্থ যদি সরকার বৈধ জরিমানা হিসেবে আদায় করত তবে তাতে কমপক্ষে ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।
আমি বর্তমানে রাঙাামাটিতে চাকুরী করি। পারিবারিক কারণে চট্টগ্রামে বদলী হতে চাই। চট্টগ্রামে পদ ফাঁকা থাকা সাপেক্ষেও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নানান আইন কানুন দেখায়। পরবর্তীতে আকারে ইঙ্গিতে আর্থিক লেনদেনের কথা বলেন। আমি সেটা দিতে রাজি হয়নি। পরে একই পদে অন্য একজনকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পদায়ন দেয়। সম্প্রতি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৩ কোটি টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রামের ডিসি হবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
নিশিন্দারা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ৪ শতক জমির নামজারি করতে আমার আম্মুর কাছে ৩৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার আম্মু প্রত্যাখান করেছে। এখনো নামজারি হয়নি।