নামজারি
নামজারি করতে গেলে, কোন কিছু না শুনেই আগে বলে ৫০ হাজার টাকা দিলে সব ১ মাসেই করে দিবো। না দিলে কথা বলা দরকার নাই। উনি এসিল্যান্ডের কথা বলে টাকা নেয়। সম্ভবত এসিল্যান্ডও এর ভাগ পায়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসার এসব কাজ করে আসছে দিনের পর দিন। দেখার কেউ নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে গেলে, কোন কিছু না শুনেই আগে বলে ৫০ হাজার টাকা দিলে সব ১ মাসেই করে দিবো। না দিলে কথা বলা দরকার নাই। উনি এসিল্যান্ডের কথা বলে টাকা নেয়। সম্ভবত এসিল্যান্ডও এর ভাগ পায়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসার এসব কাজ করে আসছে দিনের পর দিন। দেখার কেউ নাই
ট্যাক্স এর ইনস্পেকটর অডিটে থাকা নথি ক্লিয়ার করে দেয়ার কথা বলে ২,০০,০০০/- চেয়েছিল
ইউ এন ওর কাছে বিচার দিছি লাভ হয়নি
At Sher e Bangla Agricultural University, a group of teacher panel claimed the amount for getting recruited there though I was the right candidate. I rejected and that's why didn't get the job.
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবী গত ৯ আগস্ট আমার তিন বছর চাকরির মেয়াদ হওয়ায় শ্রান্তি বিনোদন ভাতার প্রাপ্য হই।কিন্তু অফিসের প্রধান সহকারী আমার মত আরো পাঁচজনের কাছ থেকে জন প্রতি ২ হাজার টাকা দাবি করেন। তার দাবি বাজেট আনতে এক হাজার এবং অ্যাকাউন্টস অফিসে এক হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তার নাকি কোনো লাভ নাই।
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস এর সকল কর্মকর্তা ঘুষখোর
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
নামজারি সেবা ছিল আমি অনলাইনে আবেদন করি করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয় উপজেলা ভূমি অফিস ওই প্রতিবেদন প্রেরণ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছে 20000 টাকা চেয়েছে এরপরে বলে বাকি কাজ আপনি করে নেবেন
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পর, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে পিয়ন বলে পছন্দের স্কুলে চাকরি করতে পারবো, দিতে হবে ৪০০০০ টাকা। পরে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলি, উনি আরও কয়েকজন কে নিয়ে বসে, এবং বলে কোন স্কুল তোমাদের পছন্দ দেখ। বেশ কিছুতে দাগ দেওয়া ছিল বললো, এগুলো Already booking, বাকি যেগুলা আছে সেগুলো choice কর। অনেক বলাবলির পর ৩০০০০ হাজারে রাজি হল। এর আগের বছর এক ভাইয়ের চাকরি হয়েছিল, অনেক দূরে চর অঞ্চলে তার posting দেওয়ার সে কিছুদিন Absence ছিল, তারেও বলছে ২ লাখ দিলে সে চাকরি করতে পারবে নইলে তার নাম এ বিশাল মামলা হবে.. টাকাই যেন সব সমস্যার সমাধান
খুব ভালো একটা প্রচেষ্টা। আরও কিছু যুগ করছি। কোথায় ঘুষের পরিমাণ কত, রেট কত এই রকম information থাকলে ভালো হতো।
ফিংগার ও চোখের স্ক্যানের জন্য জন প্রতি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা নিয়েছে। যখন ছোট্ট কক্ষে ফিংগার নেওয়া হয় তখন ওখানের একজন থাকে যে টাকা চেয়ে নেয়।
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা
লক্ষীপুর জেলা, রায়পুর থানায় যেন চলছে রম রমা বানিজ্য, প্রত্যেক পদক্ষেপে ঘুম দিতে হয় পুলিশ সদস্যদের, এ থানার ওসি যেন আরেক মাফিয়া, গত কাল রাতে একটা অভিযোগে সন্দেহ ভাজন হিসেবে আমার বন্ধুকে আটক করা হয়, পরে যানতে পারি সে সন্দেহ ভাজন আসামী, রাতে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর নিয়ম অনুযায়ী তাকে কোর্টে চালান করা কথা, যখন ফরওয়ার্ডিং লিখে তখনই সরাসরি পুলিশ কন্সটেলেশন চেয়ে বসে ২০ হাজার টাকা এবং বলে ফরওয়ার্ডিং এ হালকা করে লিখা হবে তাই খরচ দিতে, আমরা দেই নাই, এবং গত রাতেও বেশ কয়েকবার ওই মামলার আয়ু Si কয়েকবার আকার ইংগিতে খরচের কথা বলে, এবং বলে বিষয়টি সালিশে নিয়ে সমাধান করা হবে, ১ লাখ টাকা ও দাবি করা হয়, তবে আজ দুপুরে কোর্টে চালান করা হয়, ছাড়া এর আগেও আমার ব্যক্তিগত ঝামেলায় একটি মামলা না নিয়ে সালিশ করা,
আমার ১২ টি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কাজের জন্য ব্যাংক লোন করতে চেয়েছি।। ব্যাংকের কর্মকর্তারা শতকরা ৬.৫% করে ঘুষ চেয়েছেন।। ঘুষ চেয়েছেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এই হল অবস্থা তাতে আমার লাভ কি আমি এই সুদ ও আসল সব মাথায় নিয়ে ঘুরতে হবে।।
বিভাগের মামলায় রায় সাতকানিয় আদালতে হয কিন্তু অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয তাই আপিল করতে রায়ের কপি দরকার কিন্তু সেই কপি নিতে ১০০০০ লাগবে বলছে
বদলী বিষয়ক। প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে প্রধান শিক্ষকদের (সহকারি ও প্রধান শিক্ষক) বদলীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে কেউ টাকা দিয়েছে অথবা রাজনৈতিক কোন নেতা /ডিপিও দিয়ে ফোন করিয়ে অন্যায়ভাবে সুবিধামত স্কুলে চাকরি করছে। কিন্তু একই নীতিমালার আলোকে একজন এই সুবিধা পেলেও অন্যরা পাচ্ছেনা।
সেবাটি ছিলো ৪ শতাংশ জমির নামজারি সম্পন্ন করতে নাকি ১০ হাজার টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি হচ্ছে ১১৭০ টাকা মাত্র।
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ
সরকারি অডিট দপ্তর একটি,সরকারি অফিসে অডিট আপত্তি না দেয়ার শর্তে ঘুষ চেয়েছে
থানায় অভিযোগ দিতে গেলে জানানো ৩০০০০ টাকা দিলে তারা সহযোগিতা করতে পারবে