চাকরি
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চেয়েছিলেন উপাচার্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চেয়েছিলেন উপাচার্য।
২০১৬ সালে বন্দর সিকিউরিটি গার্ড এ আমি শারীরিক এবং মৌখিক এ উত্তির্ন হয়, চাকুরী নিশ্চিত করতে আমার কাছ থেকে ৬লাখ টাকা দাবি করে আমি দিতে পারিনি
ভুলবশত আমার নাল জমি ভিটি জমিতে অন্তভূক্ত হয়ে যাওয়াতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের এস এ শাখায় আবেদন করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে যাই। তখন দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে খতিয়ান সহ অন্যন্য ডকুমেন্টের সাথে।
মিউটেশন করে দিবে। াসতে হবে না।
আমার বাবা একজন সরকারি ডাক্তার ছিলেন। উনার প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আমরা আজ পর্যন্ত পাই নাই। বছরের পর বছর নানা অজুহাতে বার বার ঘোরানো হয়েছে আমাকে কিন্তু এখনো টাকা পাই নাই। আমার কাছে সব কাগজ আসে। উপযুক্ত কাগজ পত্র আছে।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিচয় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (লেকচারার) নিয়োগের জন্য ১২ লাখ (120000) টাকা দাবি করে। সে বলেছিল আমার লিখিত এক্সামে পাশ করতে কিছু নাম্বার কম আছে। তাই টাকা দিলে পাশ করিয়ে ভাইভা বোর্ডে পাঠানো হবে। টাকার অর্ধেক ভাইভার আগে, বাকিটা নিয়োগের পর দিতে হবে। আমি তার প্রস্তাব এড়িয়ে যাই নিজের উপর আত্মবিশ্বাসের জোরে। কিন্তু আমার লিখিত এক্সামের রেজাল্ট ফেইল আসে।
নামজারির জন্য ৮০০০ টাকা চেয়েছিল। শ্রীপুর এসিলেন্ড অফিসের একজন। না দেওয়ায় আমার নামজারি বাতিল করে দেয়।
২০২১ সালে চাকরির রিটেন পরীক্ষায় আমি কৃতকার্য হই। ভাইভার ৪ দিন আগে আমাকে ফোন করে জানানো হয় সবার জন্য ১৭ লাখ করে নেয়া হচ্ছে তুমি ১৩ লাখ দিও। আর টাকা না দেয়া হলে কারোরই চাকরি হবে না। আমি তাকে বলেছি এটা আমার সামর্থ থাকলেও দিবো না।
আমি গত ১০/৮/২০২৬ তারিখে দুপুর ১২ টার সময় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে গেলে টিকেট কাউন্টারে দেখা যায় আর টিকেট দিচ্ছ না , ২ টার পর্যন্ত টিকেট বিক্রিথ কথা থাকলে ও তারা বলে বলে দুপুর বার টার পর টিকেক দেওয়া হয় না , হাসপাতালের ভেতরে গিয়ে দেখার যায় অনেক রুগী দালালদের টাকা দিয়ে টিকেট নিচ্ছে, রুগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় বহির্বিভাগে বি, সি এস সরকার ডাক্তারদের পরিবর্তে ইন্টারনীদের দিয়ে রুগী দেখা হচ্ছে, সব ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না শুধু পেরাসিটামল ছাড়া সব ওষুধ বহির থেকে নিতে বলা হচ্ছে, কেন বিসি এস সরকারী মেডিকেল অফিসার নাই প্রশ্ন করে কর্মচারী বলের তাদের মাসে পরামর্শ নেওয়া জন্য পাশ্ববর্তী পোপোলার, মেডিনোভা, ইত্যাদি চেম্বারে যেতে হবে।
জমির জমা খারিজের জন্যে গিয়েছিলাম। দলিলে ও খতিয়ানে নানান সমস্যা আছে বলে ১০০০০ টাকা চাইলো সমস্যা সমাধান করে দিবে বলে। আমি রাজি হয়নি, প্রত্যাখ্যান করেছি।
স্কুল হেডমাস্টার দিতে বলেছিল কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি।আমি দেই নাই।
সরকারি ফি ৪৭০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে না হয় বারবার পরীক্ষা দিলেও পাশ করানো হবে না৷
সরকারি অডিট দপ্তর একটি,সরকারি অফিসে অডিট আপত্তি না দেয়ার শর্তে ঘুষ চেয়েছে
On May 19th, 2026 I applied at Halishohor BRTA for second hand car ownership transfer and received Acknowledgment copy same day. Its been more than 3 months now but I have still not received SMS from BRTA for givinf my finger print for new smart card under my name. I already visited BRTA more than 5 times in last 3 months and they cannot guarantee me when I might receive the SMS to provide fingerprint. I checked in many Facebook groups on the same issue, where many brokers are asking 1500-1800 taka to get the job done, but when I ask them what is the fee related to no one can give any firm answer.
বাউনিয়া ভুমি অফিসে ২.৫ কাঠার জমি শেয়ার নিবন্ধন করতে চাইলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা কাজটি সম্পাদন করার জন্যে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাই আমি কাজটি অসম্পাদিত রেখে এসে পরি।।
আমাদের এলাকা নারায়নগঞ্জ এর জালকুড়িতে।বর্তমানে আমাদের এখানে ভুমি জরিপ বিডিএস চলছে।সাধারন মানুষদের কে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘুষ চাচ্ছে।টাকা না দিলে সাধারন মানুষের কাগজ দিচ্ছে না বা অনেক দিন ঘুরিয়ে দিচ্ছে।আমাকে ও কাগজ দিচ্ছে না যদি কাগজের কথা বলি তাহলে তারা বন্ধের দিন তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলছে।তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে যে আমার কাগজ ঠিক নাই হেনতেন। জরিপ কর্মকর্তা আছে আর উনার ৪- ৫ জন সহযোগী আছে।এরা সবাই মিলে ঘুষের সাথে যুক্ত আছে।আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চাইছে আমি দেইনি বলে আমার কাগজ এখনো দিচ্ছেনা।
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ
সেবাটি ছিলো ৪ শতাংশ জমির নামজারি সম্পন্ন করতে নাকি ১০ হাজার টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি হচ্ছে ১১৭০ টাকা মাত্র।
আমরা নির্বাচন কমিশন অফিসে যাওয়ার পর দেখলাম একজনের এনআইডি কার্ডের জন্য ছবি তুলছে। তো পরে আমরাও গিয়েছিলাম সেখানে বলে যে এখন আবেদন গ্রহণ করবেন না তারা। আমরা অনেক রিকোয়েস্টের পরও তারা করতে রাজি নন। এক পর্যায়ে আমরা চলে আসবো এমন সময় কিছু দালালচক্র আমাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেন এবং তারা বলেন যে তারা পারবেন। আমরা ঘুষ না দিয়ে চলে আসছি। এখনো এন আইডি কার্ড করতে পারিনি।
বর্তমান যে অফিসার আছেন তিনি ঘুসঘোর। বয়স্তভাতা,বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা সহ নানান কাজে টাকা চাচ্ছে। টাকা না দিলে তিনি কাজ করেন না