জন্মনিবন্দন
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
স্বাভাবিক ভাবে পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে,কিন্তু আমাদের দেশে এই জিনিসটা দুইভাবে হয়। ১।কন্টাক্ট এ যেখান থেকে আপনি এইগুলোর কাজ করবেন সেখানে এক্সট্রা টাকা দেওয়া যাতে তাড়াতাড়ি হয় বা ঠিকভাবে আসে (এখানে পুলিশ এর সাথে আর উক্ত প্রতিষ্ঠান কানেক্টেড থাকে) ২।কন্টাক্ট না করে যদি করেন তাহলে পুলিশের সাথে আপনার ফেইস করতে হবে এবং এটি দীর্ঘ টাইম নিবে অথবা কাগজের কোন একটা ভুল খোঁজে সংশোধন এর উদ্দেশ্য টাকা চাইবে এবং টাকা দিলেই দুই একদিন এর মধ্যে আপনার কাজ শেষ।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
নেত্রকোণা সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে বিশাল ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়েছে। ১লক্ষ ৮০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষের বেশি ডাক উঠেছে। এই নিয়োগে নজর দেওয়া উচিত। পুরো শহর এর দিকে দৃষ্টিপাত করছে।
আমি ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন মিরপুর ১০ নাম্বার এ ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা চাইল। আমি দেইনি।
ফেনী পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট আবেদন ক্যানসেল করতে গেলে সরকারি আবেদন করতে যেখানে ৫১০০ টাকা লাগে সেখানে আমার কাছ তেকে ৮০০০ টাকা দাবি করে বলপ আইডি কার্ড দিবেন ১ ঘন্টা পর এসে ছবি ফিঙ্গার দিয়ে যাবেন ৭ সাপ্তাহ পর পাসপোর্ট নিয়া যাবেন 😑
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
The person who check documents said there is something wrong with my documents. i need to go to my education board and fix my name. it’s just a dot (Md.). after that he said me that go to this room and talk with a person. that person said we can solve this issue but i need to provide money. then i said how much she said 20,000. after arguing with she said 19,000 and after few seconds she said last 18,000.
Cumillar, Burichong sub register a, khotiyan related akta kajer jonno atto tk cay.
আমি অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার আবেদন করেছি! আবেদন সমন্বয় করতে আমার কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে! আমি এটা প্রত্যাখ্যান করে আমি সমন্বয় না করে চলে আসছি! পরবর্তীতে দেখি আমি তাদের দাবি না মানায় অনলাইন আবেদন বাতিল করে দিয়েছে! ঠিকানা লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম!
ঘুষ ব্যাতিত, নিজে শখে লাইসেন্স করেছি
যতগুলো শুরুম আছে সবাই ভ্যাট ফাকি দিয়ে অফিসার কে ঘুস দেয় যে খানে সরকার ভ্যাট পাবে ৪ লাখ সেটা ২০ হাজারে মিটানো হয়
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বন্দর কিংবা ICD-তে কাজ করেন এমন আমদানি ও রপ্তানিকারকরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কাস্টমসের কার্যক্রমে কী পরিমাণ হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে বড় অভিযোগগুলোর একটি হলো, অনেক কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া ফাইল বা পণ্য সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা দেখান। নানা অজুহাতে কাগজপত্র আটকে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করা কিংবা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এরপর দ্রুত কাজ শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রপ্তানিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। অথচ একজন রপ্তানিকারককে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ করতে গিয়ে যদি কাস্টমসের অনিয়ম ও ঘুষের কাছে জিম্মি হতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জাহাজের নির্ধারিত সময় চলে গেলে ডেমারেজ ও
নামের বানান সংশোধন করার জন্য ফাইল জমা দিলাম তিন মাস হলো এখনো কাজ হলো না। এখন প্রতি ফাইলে দশ হাজার করে ঘুষ চায়
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের আনসারদের সাথে ঘুষের বিনিময়ে চুক্তি করে নিলে, মরা মাইনষেরও পাসপোর্ট করা যায়। মামলা নিষ্পত্তির কাগজ মূলকপি দেখানোর পরেও, থানার অনুমোদন লাগবে, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে ব্লা ব্লা... আমি স্ট্রেইট বলে দিছিলাম প্রতিদিন ২০০-৩০০ খরচ করে প্রতিদিন আসবো, তাও আমি ১ টাকাও ঘুষ দিব না। এবং পরেরদিন সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেই। তারপর বাসায় এসে বিকেলে পাসপোর্ট অফিসের মেসেজ পাই। পরেরদিন ঘুষ ছাড়াই পাসপোর্ট পেয়েছিলাম। ওদিকে আমার সামনে আমার এলাকার এক ছেলে ৩ হাজার ঘুষ দিছিল। তাকে অফিস থেকে ৩ দিন পর যেতে বলেছিল, কিন্তু ছেলেটি সেদিনই নিতে চাইছিল। পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভুলেও তাড়া দেখাবেন নাহ। তাহলে পাসপোর্ট অফিসের সবকিছু থেমে যাবে ৩-৪ দিনের জন্য।
প্রতিকেজি রপ্তানি বাবদ ৪ টাকা ঘুষ লোকাল গারমেন্টস
নামজারির জন্য টাকা লাগে ১১৫০ তারা চাচ্ছে ১৫০০০ টাকা আমি না বলে দিয়েছি
যে কোনো মানুষ ভূমি অফিসে গেলে নায়েবের কাছে একটা সোজা দলিল নিয়ে গেলে নায়েব ৫০০০ টাকার নিচে কাজ হাতে নেয়না। এবং কি অত্র মাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলাঃ মেলান্দহ, জেলাঃ জামালপুর। এ অত্র ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫জনের বেশি দালাল দাড়াইয়া থাকে তারা মানুষকে হয়রানির শিকার করে এবং ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে একটা খারিজের জন্য। সেই দালালের সাথে নায়েবের অনেক ঘনিষ্ট সম্পর্ক এসব কেন থাকবে। আর যে পিয়ন সেও ঘোষখোর সে হোল্ডিংয়ে জমি এন্ট্রি করতে জন প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়। এবং দালালদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। দালালগণ (১) মাহমুদপুর কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা