বহমান নদীকে বদ্ধ নদী বলে ইজারা
চলমান খরস্রোতা নদীকে বদ্ধ নদী বলে ইজারা নেওয়া হয়েছে সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভূমি) জড়িত। একইসাথে ইজারাদাররা সরকারি দলের সমর্থক।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চলমান খরস্রোতা নদীকে বদ্ধ নদী বলে ইজারা নেওয়া হয়েছে সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভূমি) জড়িত। একইসাথে ইজারাদাররা সরকারি দলের সমর্থক।
আমাদের তিন জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে, এই মামলার তদন্ত প্রথম তদন্ত জন্য বড়ুয়া থানার তদন্ত কারী অফিসার কে দেওয়া হয়, উনি তদন্ত করে রিপোর্ট আমাদের পক্ষে দেন কারণ মামলা টি সম্পুন্ম মিথ্যা ছিল তবুও আমাকে পনের হাজার টাকা দিতে হয়েছে, বাদী নারাজি দিয়ে মামলা টি সিআইডি অফিসে দেয়, তদন্ত কারী অফিসার আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন, আমার পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রমাণ থাকার পরও টাকা না দেয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়, প্রকাশ করলে মামলায় ঢুকানোর ভয় দেখায়,৭/৯/২৬ আমাদের জাহিনের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে
অবশ্যই। কথাগুলো একটু পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রভাবশালীভাবে সাজিয়ে দিলাম: আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বিভিন্ন ভুল-ত্রুটির কথা বলে তারা পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে অফিসেরই একজন লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, ১২,০০০ টাকা দিলে কোনো ধরনের কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়া হবে। বিষয়টি আমার কাছে অনৈতিক ও অত্যন্ত হতাশাজনক মনে হয়েছে। তাই আমি শেষ পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দিইনি; বর্তমানে আমার সব কাগজপত্র আমার কাছেই আছে।
আমার চুরি হওয়া মোবাইলের বিষয়ে থানায় জিডি করার পর মোবাইলটি উদ্ধারের ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এ সময় আমাকে বলা হয়, ৩,০০০ টাকা দিলে তারা আমার মোবাইলটি বের করে দেবে/উদ্ধার করে দেবে।
গাইবান্ধা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বর্তমান । ইনি স্কুল পদায়নের নামে বিভিন্ন নবযুক্ত এবং পূর্বের শিক্ষকদের কাছ থেকে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে থাকেন। উনি ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না উনার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
ভূমি অফিসের খুবই ব্যস্ত, দপ্তরের লোকজন কোন কাজ করে না দালালের মাধ্যমে টাকা চেয়ে ছিল।
প্রথমবার রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে জমা দেয়ার নিয়ম জানতে চাইলে কম্পিউটার অপারেটর বললেন বাইরে চলুন কথা বলি। তারপর রাস্তার মধ্যে এসে বললেন ১২০০ টাকা হলে সব কিছু করে দিবেন। পরবর্তীতে অন্য একজন কর্মচারী বড়বাবু পদবী ধারী ৫০০ টাকায় কাজটি করে দেন। অথচ পরের বছর থেকে নিজের রিটার্ন নিজেই দিতে পারি
মেট্রোরেল প্রকল্পে কাজ করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে
বিএডিসি প্রকল্পের কাজ পাওয়ার জন্য প্রতি বছর কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে ঋন নিতে খরচ হয়, ষ্টাপ বাবদ ৩৬০/- আর রেভিনিউ বাবদ ১২০ অথবা ৪০/- আর কোনো খরচ হয় না কিন্তুু ঋন গ্রহীতার কাছ হতে ৩০০/- অথবা ৫০০/- অথবা ১০০০/- বেশি রাখা হচ্ছে |
দাখিল সার্টিফিকেট, মার্কসীট, প্রসংশাপত্র, আলিম সার্টিফিকেট, মার্কসীট, প্রসংশাপত্র প্রত্যেকটা কাগজের জন্য ৫০০ টাকা করে দাবী করেন
আমার কাছ থেকে টাকাও নিতে পারতেছে না কাজটাও করে দিচ্ছে না, কারন আমিও সরকারি চাকরি করি। মুন্সিগঞ্জ বিআরটি অফিসের কর্মকাণ্ড।। কথা বললে মনে হয় তারা এক একজন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।
সরকারিভাবে দেওয়া হেক্সিং প্রিপেইড মিটার যেটা জনগণকে সরকার প্রতি মাসে ৪০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে দিয়েছিল সেই মিটার নতুন সংযোগ বা পরিবর্তন এর সময় নির্বাহি প্রপ্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী উপসহকারী প্রকৌশলী প্রজেক্ট এর প্রকৌশলী গন সকলে প্রতি মিটার ৪০০০ টাকা থেকে কেউ কেউ ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা করে ভাগ নেয়।অর্থাৎ সরকারি সম্পদ তারা জনগণের কাছে বিক্রি করছে। এছাড়া প্রতিটি নতুন সংযোগের ফাইলে এপ্লিকেশন ফি ও ইস্টিমেট ফি এর কাগজে সাক্ষরের সময় প্রতি স্বাক্ষরে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী, উপসহকারী প্রকৌশলীগণ উচ্চমান সহকারী অফিসের পিয়ন ছা সকলে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেয়। পিয়ন নেয় ৫০ টাকা। নতুন খুঁটি লাগাতে গেলে ১৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নেয় লেবার খরচকষ্টের নামে। মিটারের লোড কমানো বাড়ানোতেও ঘুষ দিতে হয়।
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত স্কুলটাকে লুটপাট করে খাচ্ছে স্কুলের ছাত্রীদের কাছ থেকে একদিন স্কুলে না গিয়ে থাকলে তার বদল স্যার বিশ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় কোন প্রমান পত্র দেয় না এরপর স্কাস পরিক্ষা হলে ৩০০ টাকা করে নিয়ে যায় এরপর মাসিক বেতন ৪০০ টাকা আমার প্রশ্ন হলো একজন ছাত্রী স্কুলে অসুস্থতার কারনে না যেতে পারলে ছুটির দরখাস্ত দিয়ে থাকে যেন জরিমানা দিতে না হয় কিন্তু ছুটির দরখাস্ত দেওয়ার পর ও ২০ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় বাংলাদেশের কোন স্কুলে এমন হয় কিনা আমার জানা নেই এরপর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তিনি
It was a passport renew case but hearing their demand, it seems i'm out of my wits!
ঘুষ দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে
২০২১ সালে ৪ হাজার টাকা নিয়েছিল এবং কাবিননামায় কাবিন পরিমান কম থাকার প্রশ্ন করেছিল কাবিনের টাকা এত কম কেন যেখানে কাবিন নামার প্রয়োজন ই ছিলনা। এবং যে ফাইল প্রথমে রিজেক্ট করা হয়েছিল বিভিন্ন ভুলের কারণে সেই ফাইল দিয়েই পাসপোর্ট সম্পুর্ণ হয়। এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রথম বার 2500 টাকা অনলাইনে আটকে গেছে বলে আরো 1000 টাকা। BRTA Driving licence বি,আর,টি,এ যে কমপক্ষে 5 বার প্রতি বার 5/8 হাজার।
প্রতি নলকূপ ও সেনিটারি টয়লেট/ বাথরুম বাবদ ৫০০০ টাকা করে ঘুষ নেই উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা বানিয়াচং হবিগঞ্জ। অথচ সবকিছু সরকারি বরাদ্দ ছিল। সব উপজেলায় প্রায় জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা গন ঘুষ বানিজ্য করে। ওদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আমার অনুরোধ দপ্তর এর জায়গায় জনস্বাস্থ্য যোগ করুন।
আমার আমদানী করা মালামালের কাস্টম দিতে গেলে সেখানে কাস্টম হাউজের অফিসার ঘুস চেয়ে বসে থাকে, কারন আমার মালামাল ছিলো ১২ থেকে ১৩ কেটাগরীর তাই এইচএস কোড ছিলো ১২/১৩ টা, তারা বলছে সর্বচ্চো ৩টা এইচএস কোড এর জন্যে ১০০% এক্সাম দিতে হয় না কিন্তু আমার বেলায় ১০০ এক্সাম দিতেই হবে আর আমিও জানি যে আমার যদি ১০০% এক্সাম করে তাহলে আমার মালামাল নষ্ট হয়ে যাবে কারন সেখানে অধিকাংশই ভঙুর টাইপের মালামাল ছিলো তাই ঘুস আমার দিতেই হয়েছে, কিছু দালাল থাকে যাদের সাথে কাস্টম কমিশনার থেকে শুরু করে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত যাদের দৌড় থাকে, কমিশনারেরা ডাইরেক্ট ঘুস খায় না কিন্তু তাদের কিছু লেস্পেন্সার নিয়োগ থাকে যারা ঘুস নিয়ে তাদের দিয়ে আসে ও ছাড়পত্রে সাইন করে নিয়ে আসে, যাইহোক এর সমাধান করতে গেলে প্রধানমন্ত্রীর ও চেয়ার যাবে,
নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে প্রতিজনের কাছেই ১৫/২০/৩০ হাজার টাকা করে দাবি করে তারা। কিন্তু আমি টাকা দিতে রাজি হইনি, নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করেছি ১ বছর হল কিন্তু কাজের কোনোই অগ্রগতিই নেই।