অন্যের জমি রেজিস্ট্রারি করে দেই ঘুষ দিলে।
একজনের নামজারি খতিয়ানের জমি অন্যের নামে রেজিমেন্টারি করে দিছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একজনের নামজারি খতিয়ানের জমি অন্যের নামে রেজিমেন্টারি করে দিছে।
নায়েব আমার কাছে ১লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন আমি প্রত্যাখ্যান করেছি জবাবে সে বলে কোর্টের রায় আনতে এতো টাকা খরচা করসেন তাহলে আমাকে দিবেন না কেনো। আমি অপারগতা প্রকাশ করাতে সে বলে আপনি আপনার জমির নামজারী কিভাবে নেন আমিও দেখে নেবো সত্যি সত্যিই সে আমাকে নামজারীর জন্য ৮ মাস যাবৎ নানান অজুহাতে ঘুরাচ্ছে
সম্প্রতি মন্ত্রণালয় এটাস্ট এর কাজ গুলো অনলাইন করা হয়েছে, সেই সুবাদে বিবাহ নামা, বিবাহ সনদ ই-এপোষ্টাল এর আবেদন করলে, বিষয়টি জেলা রেজিস্টার বরাবর আবেদন হয়, জেলা রেজিস্টার যে কাজী নিবন্ধন করেছেন তাকে নক করেন, যারা যারা কাজী সাহেবকে ১০ হাজার টাকার মতো দিয়ে মেনেজ করেন তাদের টা ই এপোষ্টাল হয়, নতুবা আবেদন বাতিল হয়ে যায়। যেখানে সরকার সহজ করেছিল বিষয়টি সেখান এ টাকা নেওয়ার নতুন ফাদ তৈরী হয়েছে বলে আমি মনে করছি।
এমসিটিএসসি, ছদু চৌধুরী রোড,চট্টগ্রামের আইটি সাপোর্ট সার্ভিস বিভাগের এসেট প্রজেক্ট এর আওতায় প্রশিক্ষণের নিয়মিত প্রশিক্ষণার্থী।কিন্তু আমাদেরকে এসেসমেন্টের আগে ও সর্বশেষ আগের দিন ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্টানটির আইটি সাপোর্ট সার্ভিস এর প্রশিক্ষক যিনি অত্র প্রতিষ্টানে ২২আগষ্ট এনএসডিএর এসেসর হিসেবেও মনোনয়ন পান।যেহেতু আমরা এসেট প্রজেক্ট থেকে ১২ হাজার টাকা বৃত্তি পাব তাই বারবার ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।এসেসমেন্টের আগেও পর্যায়ক্রমে আমাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে।কিন্তু আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেসমেন্টে বসতে দিবে না বলে হুমকি প্রদান করে এবং বসতে দেননি।সেই জায়গায় এনএসডিএ ওয়েব জালিয়াতি করে অত্র প্রতিষ্টানে জব প্লেসমেন্ট দুর্নীতিবাজকে বসানো হয়।প্রিন্সিপাল সহমত পোষন করেন যা জালিয়াতির অংশ।
We have very small issues in the working design. So, the Rajuk inspector makes it a bigger problem. He first contracted for 150,000 and now asked for 200,000.
বগুড়া কর অফিসে ট্যাক্স ফাইলের অঞ্চল পরিবর্তনের জন্য গেলে একজন ব্যক্তি আমার কথা শুনেই ৩,০০০ টাকা দাবি করেন।
ছুটি কাটানোর পর বেতন হচ্ছিলো না, সেটা চালু করার জন্য টাকা দাবি করেছিলো
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনের জন্য শোরুম থেকে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে BRTA অফিসে যাই। সেখানে বিভিন্ন রুমে যোগাযোগ করেও কেউ কাগজপত্র জমা নেয়নি। পরে পরিচালকের কাছে গেলে তিনি জানান, কাগজপত্র শোরুম থেকেই জমা দিতে হবে। শোরুমে গেলে তারা কাগজ জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে পুনরায় BRTA অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রথমে আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পরে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে চাইলে তিনি কাগজে লিখে দেন, “শোরুম কাগজ জমা নিন।” এরপর শোরুম কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র জমা নেয়। পুরো প্রক্রিয়ায় শোরুম ও Rangpur BRTA অফিসের মধ্যে আমাকে ২–৩ বার অযথা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, বিদেশগামী যাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষার সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা অসঙ্গতি দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে ওই অর্থ পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে মেডিকেল ফিট ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।
গত আগষ্ট মাসের ১৭ তারিখ 2026 আমি আঞ্চলিক পাসপোর্ট ময়মনসিংহ অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য যাই আমার কাগজ পত্রে কোন ভুল ছিল না, তবুও কোন কারণ ছাড়া ছাত্র প্রমাণের অদ্ভুত দাবি করে বসেন সেখানে থাকা কর্মকর্তা। ফরমে পেশা 'ছাত্র' দেওয়ায় তারা প্রমাণ চাইলেন। আমি আমার এসএসসি (SSC) এবং HSC পরীক্ষার রেজাল্ট ও সার্টিফিকেট দেখালাম। কিন্তু তাদের দাবি—এতে হবে না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে 'প্রত্যয়ন পত্র' এনে দিতে হবে। এখন এই সামান্য একটা প্রত্যয়ন পত্র আনার জন্য আমাকে ময়মনসিংহ থেকে আবার স্থায়ী ঠিকানার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে! যদিও এটার উদ্দেশ্য ছিল আমাকে বিভ্রান্ত করা,যেন আমি এইসব কাগজপত্র এর হয়রানি নিজের মাথায় না নিয়ে বাহিরে তাদের দাঁড়িয়ে থাকা লোকেদের মাধ্যম ব্যবস্থা করি,তিন হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
বাইকের লাইসেন্স এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য প্রতিবার ২০০ করে সেখানকার স্থানীয় দালালদের কাছে দিতে হয় যারা ডিসি অফিসের ২০৪ নাম্বার রুমের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে এবং টাকা তুলে কেউ টাকা না দিলে তার কাগজ গ্রহণ করে না ওই অফিসের মানুষ জনও যারা আছে তারাও এসবের সাথে চরিত্র আর তাদের ব্যবহার অতিরিক্ত খারাপ। তারা টাকা খাওয়া কে বৈধ মনে করে মিষ্টি খাওয়ার সালামি দিতে অন্যথায় কাজ হবে না। ওখানেই জেলা জজ কোট ওখানে পুলিশ সুপারের কার্যালয় কিন্তু কারো কোন মাথা ব্যাথা নাই সবাই অংশ পায় জানতে পেরেছি। একটা দেশ কখন এভাবে ফাংশন করতে পারে না এ দেশ যে এত পরিমাণে দুর্নীতিগ্রস্ত তা জানা ছিল না এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই খারাপ
আমার জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ সঠিক ছিল। আমি তাদের কে শুধু অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের তথ্য ইংলিশ আপডেট/অনলাইন করে দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে ভুলবশত আমার জন্মতারিখের ২-এর জায়গায় ১২ লিখে দেওয়া হয়েছে। এটি সম্পূর্ণভাবে তাদের ভুল। বিষয়টি তাদের জানিয়ে জন্মতারিখটি সঠিক করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করার পরও এখন তারা ২০,০০০ টাকা দাবি করছেন। তাদের ভুলের কারণে আমাকে কেন অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে?
আমি পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তারা আমার কাছে ১২ হাজার টাকা চাইছে সাথে আর অন্য অন্য খরচ আছে আমার তারা বলেছে সরকারি খরচে কোন পাসপোর্ট হয় না আমাদেরকে এই টাকা না দিলে আপনি পাসপোর্ট করতে পারবেন না আসলে কি সঠিক একটু জানাবেন
জমির মিস কেস মামলার রির্পোট এর পাঠানুর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করছে অফিসের বড় সাহেব বাদী বিবাদী উপস্থতিত থাকার পরে আমি দি নাই এখন রিপোর্ট দিছে কিনা জানি ।।
রাজউক এর জোন-৪/২ এর অথরাইজড অফিসার আমার কাছে একটি ভবন অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে।
জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার জন্য এক হাজার ঘুষ চেয়েছে
When I went to the Munshiganj Muktarpur Land Office to pay my housing tax.An old man who has been working in that office for a long time directly demanded some extra money from me.I did not have it with me at that time.For that reason ,he expressed his inability to take the tax money from me . Then I returned without paying the tax. I am an expatriate .He demanded around 500 taka extra from me.
জমি খারিজ করে দিবে ১৫০০০ টাকা ছার তারা কাজ করতে পারবে না
Fire licence renue korer jonno 1700 taka government fee er jonno 4000 taka ghush dicchhi
আমি প্রথমে বাইকের ডকুমেন্ট সবকিছু করে নিয়ে যাই-আমার বাসা উত্তরায় সেখান থেকে_উনারা অনেক ভুলভাল বোঝানোর চেষ্টা করে- প্রথমে বলে রাখি শুরুতেই একজন গার্ড আমাকে বলেছিলো আমি সবকিছু করিয়ে দিবো পরে ওনার নাম্বার আমাকে দিয়ে রাখেন_এরপর যখন আমি সবকিছু জমা দিতে যাই- উনি আমাকে অনেক উল্টাপাল্টা বোঝায় -একটা সিগনেচার নাকি অনেক সমস্যা আমি বলতেছি সিগনেচার লাগলে আরো দিব উনি বলতেছে এখন সিগনেচার দিলে হবে না আপনি অনলাইনে সাবমিট করে ফেলেছেন আরো অনেক কথা_এরপর ওই গার্ডের সাথে যোগাযোগ করি উনি টাকা দাবি করে আসলে এরা দুইজন একই চক্রের লোক পরে বুঝতে পারি_যখনই আমি বলছি টাকা দিব আপনি আমার কাজটা করিয়ে দিন এরপর উনার কাছে আবার পুনরায় গেলাম তখন উনি সিগনেচার করে দিল আর সব কিছু ঠিক মানে টাকার কথা যখনই বলছি দিবো তখন সব ঠিক