Land registration
To landl registration on 27.09.2026 I had to bribe Tk. 110,000.00
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
To landl registration on 27.09.2026 I had to bribe Tk. 110,000.00
দেওয়ার কথা চিলো ৪৫ দিনে কিন্তু আজকে হয়ে গেছে ৩ মাস তারা বলে ঢাকা থেকে খুজে আনতে হবে। খরছ লাগবে ৫০০০ হাজার টাকা ৩ টা ফ্যামেলি পাসপোর্ট।
আবদুল্লাহপুরে বাস থেকে নামার সময় মোবাইল চুরি হয়ে যায় জুন ১, ২০২৬ এ। জিডি করা হয়, আমার বাবা পুলিশের সাবেক ইন্সপেক্টর হওয়া সত্বেও আবদুল্লাহপুর থানার বাংলাদেশের সূর্য সন্তান পুলিশ কনস্টেবলদের চা পানি খাওয়ার টাকা (এমাউন্ট জানা নেই) দিতে বাধ্য হয় যেন এই অপদার্থ পুলিশগুলো তাদের অকর্মণ্য শরীর আর মাথা কাটিয়ে মোবাইল টা খুজে দেয়। এখনো পর্যন্ত আমি আমার মোবাইল পাই নাই।
আমি নিজে বাণিজ্যিক মিটারের জন্য আবেদন করে নাচোল অফিসে জমা দিতে গেছিলাম কিন্তু জমা নেননি মিটার তদন্ত অফিসার (ইন্সপেক্টর)! তিনি দালালের নম্বর দেন এবং অতিরিক্ত টাকার মাধ্যমে কাজটি করতে হয়।
আমি গত জুন মাস এ আমার একটা কেরানীগঞ্জ এ কেমিকাল গুদাম এর ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ তে দেই,রুহিতপুর অফিস এ।তারা বলে কেমিকাল গুদাম এর কাজ এখন কোনা খোলা অফিস থেকে পারমিশন নিয়ে আসতে হবে ।অনেক দিন উনারা আমর স্টাফ কে ঘুরায় দেন অবশেষে আমি নিজে অফিস যাই তখন বলে সরকার কেরানীগঞ্জ এ কেমিকাল রাখতে দিবেনা অথচ সরকার এ বলেছে যে ঢাকা থেকে কেমিকাল সরিয়ে কেরানীগঞ্জ এ নিতে ।এনিওয়ে দেন বলে ভিজিট এ লোক যাবে ওদের কিসু খরচ দিয়ে দিয়েন ।মনে করলাম ৫০০/১০০০ টাকা নিবে তারা সাইট এ যায় এবং ৬০০০ টাকা ডিমান্ড করে সেসমেস ৪০০০ টাকা নিয়ে যায় ।দেন আবার অফিস এ ২০০০০ টাকা ডিমান্ড করে এবং ২০০০০ টাকাই নেন ।তাতেও সেস হয়নাই এই খান থেকে লাইসেন্স দেয়নাই বলসে অ্যাপ্রুভ করে দিলাম এখন রুহিতপুর অফিস এ যান দেন তো ওই খান এ আবার আছেই ।
একটি সরকারি চাকরি পরিক্ষার জন্য আমার চারিত্রিক সনদ দরকার ছিল। চাদপুর পৌরসভা থেকে সনদটি তুলতে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে আমার কাছ থেকে 200 টাকা নেওয়া হয়েছে। আমি যে টাকা পরিশোধ করেছি এটার কেনো সরকারি রিসিটও প্রক্রিয়া ছিল না। সব হাতে হাতে। শুধু আমার থেকেই নয়, অন্যান্য যারাই এধরনের সেবা নিতে এসেছে সবার কাছ থেকেই 200 টাকা রাখা হচ্ছিল।
They claimed 20% Ghus of total bill to approved my TADA bill
মেডিকেল ছুটির আবেদন জমা দিতে গিয়ে চাওয়া হয়েছে।
আমি জন্ম নিবন্ধন কাগজ সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিলর অফিসে গিয়েছিলাম। সকাল বেলা সেখানে লোকজনের ভিড় থাকায় তারা বিষয়টাকে খুব গুরুত্ব দেয়নি, তারা বিকেল বেলা দেখা করতে বলে। তারপর বিকালে গেলে তারা জন্ম নিবন্ধন কাগজের বয়স এবং পিতা-মাতার নাম সংশোধন করার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। জন্ম নিবন্ধন কাগজ যেহেতু আমার সংশোধন করতেই হবে, উপায়ান্তর না পেয়ে তাদের সাথে কথা বললে তারা সর্বশেষ ২০০০ টাকায় কাজটি করতে রাজি হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ স্টেশনে ডাকা হলে প্রয়োজনীয় সকল কাগজের সাথে ১০০০ টাকা চেয়ে বসেন অফিসার। তর্ক করলে কাজ ডিলে হবে, তাই দিয়ে দিলাম।
আমি NID কার্ড করে উপজেলা অফিসে যাই তাঁরা বলে যে আমার NID কার্ড করতে হলে স্থায়ী ঠিকানা এখানকার ঠিকানা মানে বর্তমান ঠিকানা দিতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই করতে হবে। এবং নতুন করে জন্ম নিবন্ধন সনদ করতে ৪০০০ টাকা লাগবে।
We didn't get a code for the DPDC prepaid electric meter when we paid in bkash, and had to call a person from DPDC, they said their servers were down that's why I didn't get the code but also said I could pay 500 for him to retrieve the code immediately for me unless we'd end up spending a day without electricity
আউট সোর্সিং চাকুরী দিবে বলে টাকা লেনদেন পরে চাকরি দিতে পারে না চাকরি ও নাই টাকা ও নাই।
আবেদনের ডেট ১ দিন পার হয়ে গেছে তাই আর নেবে না বললাম স্যার কি করব বলল বহিরে বসেন ৩০ মিনিট পর বলল ভাই ডেট তো পার হয়ে গেছে এখন ১০০০ টাকা দিলে আবেদন নিবে
আমার বাবা - ফুফুদের সম্পত্তি। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার ফুফুরা আমাদের কে না জানিয়ে অনেক জমি নিজেদের নামে খারিজ করে ফেলছে। আমি কাগজের ক ও বুঝি না। সাধারন একটা খতিয়ানের জন্য আমার থেকে ১৭০০০/- নিয়েছে।যা পরে আমি নিজেই অনলাইন থেকে ১২০/- দিয়ে বের করেছি।
আমার পিতার নাম খতিয়ানের ভুল থাকায় আমি সংশোধন করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে দরখাস্ত করি তারা বিষয়টি তদন্ত করে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতিবেদন দাখিল করে এই পর্যায়ে আমার এসিল্যান্ডের চূড়ান্ত স্বাক্ষর দরকার কিন্তু দুই তিন মাস ধরে বিভিন্ন তালবাহানা করার পর আমাকে 10000 টাকার অফার করে যে এই টাকা দিলে ১০ মিনিটে আপনার কাজ সম্পন্ন হবে আমি বাধ্য হয়ে তাদের সাথে টাকাটা কমানোর অনুরোধ করি
লেবার লাইসেন্স আপডেট পারপাস গিয়েছিলাম । প্রথমে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া হয় কিন্তু তারা এটা নিয়ে আরও ৫ হাজার টাকা দাবি করে ।পরবর্তীতে আরো ৫ হাজার টাকা দিয়ে আমাদের লাইসেন্সটা আপডেট করে নেই।
একটি তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে কাগজ পএ ঠিত থাকার পরও নাতো আমার পক্ষে নাকি রিপোর্ট দিবে না
পাসপোর্টের আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এই টাকা দাবি করা হয়েছিল। আমরা অস্বীকৃতি জানালে নানা বাহানায় জোরপূর্বক সে টাকা আদায় করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।
ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলাম, কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পরে ট্রেড লাইসেন্স হচ্ছিল না, তাই অফিসে যোগাযোগ করার পরে ওনারা বলে এভাবে ট্রেড লাইসেন্স হবে না। আপনি ৪০০০ টাকা দিয়ে যান আপনার ট্রেড লাইসেন্স দুই দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, তাই সেদিন আমি টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। আবার কিছুদিন অপেক্ষা করার পরও যখন দেখি অনলাইন থেকে কোনভাবেই ট্রেড লাইসেন্স পাচ্ছিনা তাই সরাসরি ৩৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়।