প্রতি বিলের বিপরীতে ৫% কমিশন
যে কোন দপ্তরের বিলের বিপরীতে ৫% কমিন দিতে হয় অডিটর কে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যে কোন দপ্তরের বিলের বিপরীতে ৫% কমিন দিতে হয় অডিটর কে
আমি একটা মুদি দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে যাওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তা অফিসে ঘোরাঘুরির পর একজন আমাকে বলল ২০০০ টাকা দিলে নাকি সে আমাকে ট্রেড লাইসেন্স করে দিবে তারপরে কি আর করার ৮৭৯ টাকার ট্রেড লাইসেন্স ২০০০ টাকা দিয়ে করলাম কারন আমার বিশেষ প্রয়োজন ছিল
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
Amra prai 140 jon chilam...new job...dc office e payfixation er kaj er jonno per head prai 500tk kore nicilo.. Jdio Amra nijerai online e pay fixation paperfill up korecilam...tara baki kaj korecilo...plus amader koyekjon o tader help korecilo baki kaj korte...tbuo etto tk nilo...sobay dibe baddho...karon noitoh salary aro derite pawa jabe ejonno
পোস্টিং বাবদে এক লক্ষ আশি হাজার টাকা দেওয়া হয় কিন্তু এখনো পর্যন্ত পোস্টিং করে না। বিআইডব্লিউটিসি ঘুষের একটা কারখানা সরকার দেখেও দেখেনা দায়ভার টা কার
জমির কাগজ নকল কপির তুলার জন্য দিতে হয়েছে, সেবা আমরা সাধারণ মানুষ পাই না ঠিক মত টাকা দিলে সেবা না দিলে অনেক হয়রানি হতে হয় তার পরে ও সেবা পাওয়া যায় না
tk ceyeche ,ami nije krle eta kkno ora kre dito nh ,
ঝালকাঠী জেলার নলছিটি থানাধীন ২নং মগড় ইউনিয়ন সরকারিভাবে স্থানীয় মসজিদ মাদ্রাসার জন্য ২০০০০০ টাকার অনুদান পেতে স্থানীয় বিএনপি নেতাগণ অত্র ইউনিয়নের সকল মসজিদ মাদ্রাসার সভাপতি, সুপারিটেনডেন্ট এর কাছ থেকে 200000 টাকা পাইয়ে দেয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে এবং তা নিয়েও নেয়।
আমি সরকারি কাজে ময়মনসিংহ যাই তার পরিপ্রেক্ষিতে টিএডিএ করতে যাই হিসাবরক্ষণ অফিসে সে সময় দায়িত্বরত অডিটর টাকা না দিয়ে টিএডিএ পাস করতে অস্বীকৃতি যানায় তাই 200 টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হই।
ভূমি লীজ কেস নবায়ন করতে গেলে একরে ৫০০০০ দিতেয় পাইকগাছা ভূমি অফিসে অফিস সহকারী নাম । দেখার মত কেউ নাই। সে বলে আমি রাজা এখানে
এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমি আমার চাকরির বেতন করার জন জেলা একাউন্টস অফিসে যাই।যাওয়ার পর বিস্তারিত শোনার পর সেখানকার অডিটর আমার কাছে সার্ভিস বুক চেয়ে নিলেন এবং ১০০০ টাকা এনেছি কি না জিজ্ঞেস করলেন? আমি জানতাম না,বেতন পাওয়ার জন্যও টাকা ঘুষ দিতে হয়। পরে সেখান থেকে বের হয়ে পরিচিত কলিগদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারি ১০০০টাকা না দিলে আমি সারাজীবনে ও বেতন তুলতে পারবো না। কি আর করার অগত্যা ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আইবাসে বেতন করলাম। জেলা একাউন্টস অফিস, জামালপুর।
আমার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আপডেট করতে দিলাম। বলেছে যে এখন খরচ বাড়ছে তাই ৭০০০ শাত হাজার চাইলো দিলাম। রিসিভ দিয়েছে ১৭২৫ টাকার। কিছুই করার নাই টাকা না দিলে ট্রেড লাইসেন্স দিবে না তারপর দোকানে এসে যেকোন সময় ঝামেলা হতে পারে ।
ami bank loan apply kori krisi bank amake bola holo 1 lac e amake 5000tk dite hobe ami 4000tk paid koro
আমার চার বছরের সরকারি বেতনের বকেয়া টাকার বিলকরে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে তুলতে গেলে তারা নানা তালবাহানা শুরুকরে।পরে সরাসরি বলে যে ঘুষ না দিলে টাকা তুলা যাবেনা এবং ৪০০০০দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ২৭৫০০ টাকা দিয়ে বকেয়া বেতন উত্তোলন করি।
আমি একজন প্রবাসী। দেশে গিয়ে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের জন্মতারিখে অমিল থাকায় আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়। প্রায় এক মাস ঘুরেও সমাধান পাইনি। শেষ পর্যন্ত অফিসপ্রধানকে সব খুলে বললে তিনি কোনো সহানুভূতি না দেখিয়ে বলেন, “যেভাবেই হোক জন্মনিবন্ধন ঠিক করে আনেন, তা ছাড়া উপায় নেই। বারবার এখানে ভিড় করবেন না।” বারবার অফিসে আসার কারনে, এক আনসার সদস্য আমার অসহায়ত্ব দেখে একজনের নম্বর দেন। ফোন করলে তিনি বলেন, ২০ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে। পরদিন টাকা দেওয়ার পর তিনি ফোনে কথা বলে দেন এবং আগের নিয়মেই ফাইল জমা দিতে বলেন। অবাক হয়ে দেখি, যারা আগে ফাইল দেখেই ফিরিয়ে দিত, এবার তারা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সব টেবিল পার করে ফাইল গ্রহণ করল। এই হলো অবস্থা ভাই
আমার কাজিন কাতারে থাকে। সে একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বানাতে বলেছিল। আমি যখন থানায় এটা বানাতে যাই, তখন ঐ থানার যিনি উক্ত কাজের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করে বলেন এই কাজ হবে না। যদি বানাতে চান ১০০০০ টাকা দিতে হবে। পরে ৮০০০ টাকা দিয়ে বানাতে বাধ্য হই। এমনকি উক্ত ক্লিয়ারেন্স আনতে গেলে তিনি আবার ২০০ টাকা আদায় করেন।
অভিযোগের বিষয়: ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অনৈতিকভাবে ১,০০,০০০ টাকা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগ আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং “ইত্যাদি বাজার” নামে একটি দোকান পরিচালনা করি। আমার দোকানের মাসিক ভাড়া ৪০,০০০ টাকা। ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে দোকানের ভাড়ার ওপর ১৫% হারে প্রতি মাসে ৬,০০০ টাকা ভ্যাট দিতে হবে। একই সময়ে আমাকে বলা হয়, দোকানটি বাড়ির মালিকের নামে না রেখে আমার নামে করার ব্যবস্থা করলে নাকি ভ্যাটের বিষয়টি বিশেষভাবে/সহজে সমাধান করে দেওয়া সম্ভব হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়, “স্যারকে খুশি করার জন্য চা খাওয়ার জন্য ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা দিতে হবে।” আমি এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসি
লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট করতে হয়। আমার মেসের পাশে শেরেবাংলা নগরে National Institute of Mental Health-এ ডোপ টেস্ট করতে গিয়েছিলাম। ডোপ টেস্ট যেদিন করলাম রিপোর্ট পাইলাম তারপরের দিন। আবেদনের পরবর্তী ধাপে রিপোর্ট এটাচ করে আবেদন পত্রটি সাবমিট করি। কিন্তু বারবার BRTA থেকে রিজেক্ট আসতেছিল, বলছিল যে ডোপ টেস্টের রিপোর্টটি "হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের স্ক্যান কপির ইমেইল পাই নি"। এভাবে দুই সপ্তাহ চলে যাওয়ার পরে আমি আবার হসপিটালে যাই ওইখানে Department of Clinical Pathology তে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যে ওরা BRTA-তে মেইল পাঠাই নাই আমার রিপোর্টটি। এবং অনেকের রিপোর্ট এখনো পাঠায়নি অথচ ২ সপ্তাহ হয়ে গেল। পরে এক দালাল আসলো বললো ২০০০টাকা দিলে এখনই পাঠাবে আর তা না হলে কমপক্ষে এক মাস লাগবে।
টাকা ছাড়া তারা কাজ করে না এবং টাকা দিয়ে কাজ করেছিলাম তারা কাজটা বাড়তি করে দিয়েছে যাতে আমি পরবর্তী ক্লাসটা করার জন্য আবার যায় এবং তারা আমার কাছ থেকে আমার টাকা নিতে পারে
এটা ২০২১ সালের ঘটনা আমি আমার ভাগনের জন্য একটা পাসপোর্ট বানাতে দেই।চকরিয়া থানার পুলিশ ভেরিফাই করতে আসে আসার পর মোটর সাইকেল থেকে নামেও নাই বলতেছে থানায় আসো। থানায় যাওয়ার পর বলে ৮০০০ লাগবে। আমি আমার দু:সম্পর্কের এক মামা কে দিয়ে ৫০০০ টাকায় রফাদফা করি।