করণীক ভুল সংশোধন
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
এ বছর -জুলাইয়ের ২১ তারিখ আমার খালাকে নিয়ে গেছিলাম পঙ্গু হাসপাতালে। খালার হাত ভাঙ্গা ছিল।পঙ্গু হাসপাতালের টিন সেট বিল্ডিংয়ের ডাক্তার দেখনোর জন্য সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পর অনেক খুন অপেক্ষা করি।ঘন্টা খানেক পর দ্বায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা বলে ডাক্তার আজকে আর রুগী দেখবেন না।তখন আনুমানিক সকাল ১১.৩০ বাজে।তারপর আমি খালার হাত গুরুতর হওয়ার জন্য তাকে যাতে ডক্টর দেখার সুযোগ দেয় তার জন্য অনুরোধ করি।তারপরে সে ৫০০ টাকা দাবি করে।তার পরে টাকা দিলে বিতরে ডুকতে দেয় আমাদেরকে। প্রতি মঙ্গল ও বুধবার এখানে গেলে যে কারোর ই বিষয়টি চোখে পরবে।যারা টাকা দিবে তাদের সিরিয়াল ছাড়াই ডুকিয়ে দেওয়া হয়।তা না হলে আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে রাখবে
babar jomi namjari korte gesi, prothome onk help korse kivabe apply korte hobe shob dekhae dise, pore jedin applicitaion niye gesi oidin 12000 tk sara kaj hobena , ulta krishi jomi bannijik hisabe tax nisse, jor kore ko tofsil vukto kore tk nise.
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও বার বার আমাকে ফিরানো হয়, স্থানীয় ঠিকানা বেশি বড় লেখা হয়ছে, আমি পড়াশোনা করি আমি কেনো আন এমপ্লয় দিয়েছি, আরো ছোট বড় অনেক, এর পড়ে ওখানে থাকা আনসার সদস্য আমাকে সাইটে ডাকে বলে ১৫০০ টাকা দিলে সে ফাইল জমা নিবে, আমি গতো তিন দিন ধরে বিরক্ত হয়ে শেষ মেশ তার কাছে দেয়, এবং আমার সেই বাতিল হওয়া কাগজ নিয়ে গিয়ে জমা করে এবং সেই সময় এ সমস্যা শেষ এতো সমস্যা এক মিনিটে শেষ ৫ মিনিট এ আমার কাগজ নিয়ে ছবি তুলে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়, আমি গতো ৩ দিন ধরে গিয়ে গিয়ে ঘুরতেছি আমার এটা সমস্যা ওটা সমস্যা টাকা দিয়া মাত্র ১ মিনিট এ সমস্যা শেষ, আর বাহিরে গিয়ে তারদের বেতন এর জন্য রেমিট্যান্স পাঠায় আমরা
আমার বাবা মারা যায় ৩০শে এপ্রিল’২০১৫ সালে এবং মা মারা যায় ২৩শে ডিসেম্বর’২০২১ সালে । আমি অনলাইনে যখন আমার আইডিতে আমার বাবা ও মায়ের নাম নওগাঁ শহরে যে জমি আছে ।তার আমার আইডিতে অন্তরভূক্ত করার জন্য আবেদন করি ।তখন আবেদন বাতিল হয়। আমার ছোট ভাইকে নওগাঁ শহরের কালিতলা ভূমি অফিসে পাঠালে তার বলে আপনাদের জমি ১ নং বই অন্তভূক্ত। খাজনা দিতে পারবেন না। তখন আমার ছোট ভাই আর বন্ধু এর মাধ্যমে ৩৫,০০০/- টাকা কাজটি করে দেয়।
সেবাটি পেতে ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে
তিন মাস আগের ঘটনা। আমি আমার নতুন কেনা মোটরসাইকেলটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিই। এরপর শোরুম থেকে আমার গাড়ির যাবতীয় কাগজপত্র রেডি করে নিয়ে সাতক্ষীরা বিআরটিএ অফিসে জমা দিই। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত কর্মকর্তা আমাকে বললেন, সার্ভারে সমস্যা ওটিপি যাচ্ছে না। আপনি পরে আসুন, আমি তখন তার কথামত বিকালে আবার যাই। তখনো একই কথা ওটিপি যাচ্ছে না। পরদিন আবার যেতে বলল গেলাম সেদিনও একই বাহানা। পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও শোরুমে কথা বললাম তারা বলল ভাই এভাবে হবে না। আপনি কোন দালালের কাছে ফাইল টা দেন আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি খোঁজখবর নিয়ে একজন দালালের সাথে কথা বলি সে প্রথমে ২৫০০ টাকা চায়। পরবর্তীতে বলে ভাই আপনার গাড়ি অন্য জেলা থেকে কেনা তাই আপনাকে আরো ৫০০ টাকা দিতে হবে। সর্বমোট ৩০০০ টাকায় কাজ হয়
আমার বড় বোনের প্রসূতি যন্ত্রণা ছিল, প্রায় দুই দিন মাটিতে শোয়ায় রাখছিল (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) তারপর দুইদিন পর আমি গিয়ে ২০০ টাকার বিনিময় একটা বেড নেই। তারপরে তো ডাক্তার আসে এসে অন্য রুমে অর্থাৎ অপারেশন রুমে ট্রান্সফার করে ততক্ষণে আমার বোনের পেটের ব্যাথা প্রচণ্ড ছিল হেঁটে যেতে পারছিল না তার জন্য টলি ওলা কে দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা। অপারেশন রুমে ঢুকানোর জন্য দিতে হয়েছে ১০০০ হাজার টাকা। একজন বুয়া এসে বাবুকে কোলে নিতে হবে এজন্য দিতে হয়েছে ৫০০ টাকা। অপারেশনে বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য দিতে হইছে ৫০০ টাকা। বোনের জামা কাপড় পরিষ্কার করার জন্য দিতে হয়েছে ৬০০ টাকা। ছুটির দিন দিতে হয়েছে ৫০০ টাকা। আরো প্রায় ৮০০০ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হইছে। টেস্ট কত প্রকার করেছি তা আমার খেয়াল নাই।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য ব্যাংক ডাব করে অনলাইনে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি আবেদন করা শেষে সেই পেপারগুলো নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই অফিসে ঢোকার সময় দরজার পাশে একজন কর্মকর্তা টেবিল নিয়ে বসে আছে উনি পেপারগুলো দেখে সবগুলা ঠিক আছে কিনা।এরপর সে আমার পেপার গুলার উপরে বাম পাশে একটি সিল মেরে দেয় বলে আপনি সামনের দিকে যান। মূল কথা হচ্ছে যে ওনার কোন কাজই নেই এখানে উনি শুধু দেখে দালালের সাথে কোন সংযোগ আছে কিনা তার জন্য সে পেপারগুলো ভালোভাবে দেখে কোথাও দালালের কোন সাইন বা কোন লোগো আছে কি না যদি দেখে আছে তাহলে সে পেপারগুলোর উপরে বাম পাশে ছিল বসিয়ে দেয় আর যদি দালালের সাথে সংযোগ না থাকে তাহলে মাঝখানে ছিল দেয়। আর যদি দেখে দালালের সাথে কোন সংযোগ নেই তাহলে বিভিন্ন ভুলের অজুহাত দেখিয়ে বের করে দেয়।
ভূমি রেজিষ্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অনলাইন টিন রিটার্ন না দেখানোর কারণে প্রথমে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০ হাজার টাকায় নামলে আমি ঘোষ দিতে অশিকৃতি জানালে আমার দলিল ফিরিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে টিন রিটার্ন দাখিল করে রেজিষ্ট্রেশন করাই। আমার কথা হল একজন মহিলা মানুষ গৃহিনী তিনি জমি বিক্রি করতে বা ক্রয় করতে টিন বা টিন রিটার্ন কেনো লাগবে। আবার টাকা দিয়ে দিলে কেনো টিন ছাড়া দলিল রেজিষ্ট্রেশন করা হবে?
আমার জমিতে কতটুকু অংশ বাকি আছে তা জানতে সুভাঢ্যা অফিস, দক্ষিন কেরানিগঞ্জ সার্কেলে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্যে, খতিয়ান থেকে ১২ টা দাগ দেখতে ও মিসকেস নাম্বার লিখে দিতে প্রতি দাগের হিসাব ২০০ ধরে ২ জায়গায় ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে ৩ স্টাফ কে। আর এইটা ওখানকার সাভাবিক অবস্থা সবার সামনেই নিচ্ছে আর সবাই ও বাধ্য হয়ে দিচ্ছে না দিতে চাইলে কাজ করে না বলে পাতা খুজে পাই না ছিড়তে গেছে আর করে দিলেও সাথে সাথে টাকা চায়। টাকার পরিমান অনিদির্ষ্ট কিন্তু ২০০ এর কমে দিলে নেয় না।
খতিয়ান নাম ভুল থাকার কারোনেই আমার কাছে এটা ঠিক করে দেয়ার কথা বলে এই টাকা দিতে হ ইছে
দেশের স্বনামধন্য একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরী করার সুবাধে কোম্পানীর নোয়াখালী অঞ্চলের সকল গাড়ী রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্ব আমার কাছে। সেই সুবাধে আমি নোয়াখালী বি আর টি এ তে আমাদের গাড়ীগুলো ফিটনেস সার্টিফিকেট নবায়ন করাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আপটুডেট থাকা স্বত্বেও প্রতিটা ফিটনেসের জন্য ৩০০০ টাকা করে ঘোষ দিতে হয়।
অভিযোগের বিবরণ: আমি বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় যাই। পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা/পুলিশ সদস্য আমার কাছে ১,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার সঙ্গে রাগারাগি করেন এবং আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন যে, টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে না এবং আমি বিদেশে যেতে পারব না। পরবর্তীতে বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় এবং বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে তাকে ৭০০ টাকা প্রদান করি। আমি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য টাকা দিইনি; বরং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য চাপের মুখে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। রাজবাড়ী সদর থানা
কুমিল্লার ১৪ গ্রামের মিয়াবাজারের পুর্বদিকে শিবের বাজার ভুমি অফিসে পৈত্রিক সম্পত্তি বাদ খারিজ বা নামজারি করতে গেলে সহকারী ভুমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে ৬ টি খারিজের জন্য ৪২ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি, পরে ১ মাসের মধ্যে খারিজ কপি অনলাইনে আসছে।
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে বলে একজন লোকের সাথে কথা বলেন। আমি কথা বললাম সেই লোক বার হাজার টাকা চাইল। আমি না দিয়ে নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করলাম ৫৮০০ চার্জ মাত্র পরে যথা সময়ে পাসপোর্ট পেলাম পুলিশ বেরি ফিকেশন করার জন্য কল দিল ১০০০ টাকা দেয়া লাগলো একজন কে পুলিশের প্রতিনিধি নাকি।
ফাইলের সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও জমা না নিয়ে ফেরত দেয় তখন এক আনসার সদস্য আমার সাথে এসে কথা বলে এবং টাকা দাবি করে আমি টাকা দিলে সবকিছু সমাধান হয়ে যায় পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার হয় এবং আমি পাসপোর্টটা ২২ দিনের মাথায় পাই. টাকাটা দেওয়ার পরে একটা পেপার এর উপরে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দেয় যেটাকে চিহ্ন বলে তখন ওই ফাইলটা আর কেউ আটকে রাখে না।
আমি ফাদারের সাথে অধিদপ্তরে যায়। সেখান থেকে সরকারি কাগজ নিতে গেলে , তারা প্রথমে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে কাগজ দিতে অস্বীকার করে। পরে ৩০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ দেয়। ফাদার সরকারি মানুষ হয়েও, সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ দিয়ে ফরম কালেকশন করতে হয়েছে। অথচ ফরম নিতেবকোন টাকা লাগেনা। ফাদার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ ফাদারের কর্মস্থান গ্রামে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বার আসাযাওয়া অনেক ব্যয়বহুল। ফলশ্রুতিতে, ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছ।
আমার কাগজে তেমন কোন ভুল হয় নি ।আমি দালাল দিয়ে আবেদন করাই নি নিজে আবেদন করছি এটাই আমার ভুল সহকারী অফিসার কে যখন জানাই সে বলে সব খানেই ঘুষ চলে আর কর্মকর্তা আর আনসারদের যে ব্যবহার তা আর নাই বলি
প্রতিটা নামজারি র জন্য 5 থেকে 10 হাজার টাকা। ঘুষ দিতে হয়।