বেতন বিল করা
হিসাবরক্ষণ অফিসে সরকারি কর্মচারীদের পে ফিক্সেশনের জন্য টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হিসাবরক্ষণ অফিসে সরকারি কর্মচারীদের পে ফিক্সেশনের জন্য টাকা দিতে হয়।
পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে ঘুষ চেয়েছিল ৭০ হাজার না দিলে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল সেজন্য ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে চিরিরবন্দর ট্রেজারি অফিস
নতুন রেকর্ড অনুসারে খাজনা দিতে গেলে ভূমি অফিসের লোক বলে, নতুন করে খারিজ করতে হবে এবং খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা চায়। আমি বিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
জমির খাজনার রশিদের জন্য ৮৭০০ শতক জায়গায় ৮০০০ টাকা, কিন্তু আমি ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি।তারপর অনলাইন খাজনার রশিদে ৭০ টাকা পরিশোধ করে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষায় টাকা ছাড়া কাউকে পাশ দিচ্ছে না আমি তিনবার টাকা ছাড়া চেষ্টা করেছি বারে বারে ফেল করিয়ে দেয় চতুর্থবার টাকা দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে পাস করে দিয়েছে তেজগা বি আর টি এ
জমি খারিজ করতে অনেক দুর্নীতি হয় আরো অনেক দুর্নীতি কয়টার কথা বলব
লালমনিরহাট জেলার আদিমারী উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি ডিগ্রী কলেজে কর্মরত ৬৩ জন প্রভাষক /সহকারি অধ্যাপক -এর নিকট থেকে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য জন প্রতি ১১০০০ টাকা করে মোট ৬৯৩০০০ টাকা নেয়া হয়। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল, সদ্য সাবেক একজন ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এবং একজন সিনিয়র প্রভাষকের যোগসাজশেএই অপকর্ম গুলি সংঘটিত হয়। শিক্ষক মহোদয়দের চাকরি দ্রুত স্থায়ীকরণ না হলে তারা কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা পাবেন না এবং নানা রকম প্রশাসনিক জটিলতার ভয় ভীতি দেখিয়ে তারা এই অর্থ হাতিয়ে নেয় । ইহা ছাড়াও এই চক্রটি ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক কর্মচারীর স্বার্থের কোনরূপ-রুক্ষেপ না করে তারা সব সময় শুধু তাদের অর্থ ইনকামের চিন্তায় মগ্ন থাকে।
জমির নাম জারি করার জন্য।
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ৮০ হাজার টাকা এবং জমিতে যাওয়ার রাস্তা রেজিস্ট্রেশনের সময় আরও ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, রেজিস্ট্রি অফিসার একই দিনে দুটি কাজ একসঙ্গে করেননি। আলাদাভাবে দুটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে, আর সেই কারণে দুইবার ঘুষ দিতে হয়েছে।
২০২৪ সালে নতুন দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে নগর ভবনে গিয়ে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই; সিঁড়িতে হেনস্তার পর লাইসেন্স শাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট ৩৪০০ টাকা নেন। কয়েক দফা ঘুরিয়ে অবশেষে লাইসেন্সটি দেওয়া হলেও রসিদে দেখি সরকারি খরচ মাত্র ৬০০ টাকা (লাইসেন্স ফি ৫০০ ও সাইনবোর্ড ১০০)। নিয়মমাফিক ৬০০ টাকার জায়গায় নেওয়া বাকি ২৮০০ টাকা কোথায় গেল, সেই হিসাব আজও অমীমাংসিত।
আমিও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম—মিটার নেওয়ার মতো একটি নাগরিক সেবা পেতেও যদি ঘুষ দিতে হয়, তাহলে বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।
অনেকদিন জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না কারণ জমির রেকর্ড ফেল, অর্থাৎ পূর্বের মালিকের নামে জমি রেকর্ড হয়ে গেছে। এখন ধানমন্ডি ভূমি অফিস থেকে অফিসার বললেন এটা সম্ভব না, পরবর্তীতে তিনি বললেন কাটা লাইনে সম্ভব তবে অনেক যায়গায় টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা যেতে পারে ৮০'০০০.০০ টাকা লাগবে, পরবর্তীতে তিনি ৭০'০০০.০০ টাকার বিনিময়ে নামজারি সংশোধন করে দেন এবং খাজনা দেওয়া সম্ভব হয়।
দলিল লেখকের মাধ্যমে সরকারি খরচের সহিত ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য লার্নার আবেদন করার পর পরীক্ষার ডেট পড়েছিল প্রায় 4 মাস পরে। আমি সশরীরে গিয়ে ডেট এগিয়ে নিতে গেলে ব্যর্থ হই। গেট থেকে বের হলে দালালের দেখা মিললে বলে নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত 5000 টাকা দিলে ডেট ও লাইসেন্স কনফার্ম। আমি শুধু ডেট চাইলে হবে না। অতীব জরুরি হওয়ায় এবং সময় অপচয় ঠেকাতে রাজি হলে 3 দিন পরে ডেট দেয় এবং প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় #ইচ্ছাকৃত ফেল করলেও পাস দেখিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইছি।
আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি বাস কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে আছি ঢাকায় মিরপুরের রাতের বেলা আমাদের গাড়ি একটা ইউ টার্ন এ ঘুরালে ট্রাফিক পুলিশ এসে বলে এখানে গাড়ি ঘুরানো যাবে না তো গাড়ির দরজা খুলতে বলে আমি দরজা খুলে দিলে আমার কাছে কাগজপত্র চাই আমি কাগজপত্র দিলে বলে যে টাকা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে যেতে পরে আমি সাথে সাথে 500 টাকা দিয়ে বলে যাতে হবে না এর পরে এক হাজার টাকা দিয়ে তাও বলে না পরে দুই হাজার টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে।
সরকারি চাকরি হলে, বেতন চালু করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি কিন্তু তবুও সেই কাজটি সঠিকভাবে সমাধান করে দেয়নি
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে