খাজনা
জমির খাজনা ছিলো ১৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খাজনা ছিলো ১৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০ টাকা
নিয়ম অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ফিল্ম সোসাইটি/ ফিল্ম ক্লাব নিবন্ধন করার জন্য বাংলাদেশ সার্টিফিকেশন বোর্ডে আবেদন করতে হয়, আবেদন করার পরে, বোর্ড তদ্বন্ত করে সনদ প্রদান করে। ফিল্ম সোসাইটি একটি অলাভজনক সেচ্চাসেবী সংগঠন। এই ধরণের কোন সংগঠনের কোন আয় থাকেনা। তবুও বোর্ডের ভাইচ চেয়ারম্যান টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না। বহু সোসাইটির ফাইল তার টেবিলে পড়ে আছে, ২ মাসের কাজ ৬ মাসেও তিনি শেষ করেন না।
অডিটররা টিএডিএ, পেনশন, শ্রান্তিকালীন ভাতাসহ সকল বিল পাস করতে ঘুষ নিয়ে থাকে। তাদের হাত থেকে সেনাবাহিনীর সামরিক, অসামরিকরাও রেহাই পায় না। বিল পাশ করাতে ২০% ঘুষ নিয়ে থাকে, সঠিক প্রক্রিয়ায় বিল বানানোর পরেও টাকা দিতে হয়। আমি তার নিজেও ভুক্তভোগী।
টাকা না দিলে পাসপোট হবে না বিভিন্ন কাগজ ভুল ধরে টাকা দেলে সব ঠিক
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গেলে বলে যে সরকারি ফি ১৫৫০ টাকা তবে বাড়তি খরচসহক্লিয়ারেন্স দিবে ২৮০০ টাকা লাগবে।যখন বলছি ১৫৫০ টাকায় হবে না? তখন বললো বাইরে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে আবেদন করতাম আর তাদের সাথে কথা বলতাম।তারা ২৮০০ টাকা ই লাগবে বললো নাইলে এটা অনেকদিন যাবত ঘুরাবে তাই বাধ্য হয়েই করতে হল।(অবশ্য কোন মামলা নাই)
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের ডে শিফট থেকে মর্নিং শিফটে বাচ্চাকে আনতে চেয়েছিলাম। প্রিন্সিপাল থেকে শাখা প্রধান সবাই বলেছে সম্ভব না। বাস্তব চিত্র অনেকেই করেছে এই চেঞ্জ। আমি পরে অফিসে যোগাযোগ করলে দুই লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছে। বলেছে গভর্নিং বডির লোককে দিতে হবে।
জমি খারিজ করার জন্য ১৪৫০ /- সরকারি ফি থাকলেও ৬০০০/- ছাড়া কাজ হয় না। সব স্যার দের কে ভাগ করে দিতে হয় এই টাকা না হলে জমি খারিজ হবে না অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয় যা আমার পক্ষে করা সময় সাপেক্ষ নয় আমি চাকুরী করি তাই ৬০০০/- টাকা দিয়েই জমি খারিজ করতে বাধ্য হয়েছি। নিজেকে অসহায় এর মত মনে হয়েছে আসলে ঘুস এর বিরুদ্ধে দেখার কেও নাই বাংলাদেশে।
ঘটনাটি অনেকদিন আগের,, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আমার বোনের একটি কন্যা সন্তান হয়,, সন্তান জন্মদানের পরে নার্স রা ঘুষ দাবি করে,, দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরে দিতে বাধ্য হই।
একটা ইমপোর্ট ডকুমেন্ট, যেখানে একটা আইটেম উল্লেখ করা হয়েছে। কাস্টম অফিসার এটার ক্যাটালগ দাবি করেছিল। কিন্তু মূলত এই ক্যাটালগটা সহজে হয় না, কারণ এটা এমন কিছু কিছু অংশ বাইরে থেকে কিনে তারপর একসাথে করা হয়। অফিসার দাবি করছে এটা ডিউটি দিতে হবে যার মূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মত। আবার ইমপোর্টার এই পণ্যটি শুল্কমুক্ত হিসেবে পায়। কোনভাবে কাস্টমার অফিসার কে বোঝানো যাচ্ছে না যে, যেভাবে ক্যাটালগ চাচ্ছে সেভাবে হয় না। তবে উনাকে একটা ক্যাটালগ বানিয়ে দিয়েছিল কিন্তু সেটাও মেনে নিচ্ছে না। যার কারণে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল।
২০২৫ সালের জুন মাসে পাসপোর্ট তৈরির জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা কাগজপত্র আনতে বলে। আর যদি বাইরে তাদের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি তাহলে শুধু নিজের এল আইডি কার্ড দিয়ে আবেদন করলেই হয়ে যাবে এইদিকে বাইরের কম্পিউটারের দোকানে সরকারি ফি থেকে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করা হচ্ছিল অন্যথায় তা যদি না করি আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক লেট হতে পারে এইগুলা বলে।পরে কাজটি দ্রুত করার জন্য কম্পিউটারের দোকান থেকেই করি
বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঠিকানা: গ্রাম/রাস্তা: বোগদইড়, বোগদইড়, ডাকঘর: বোগদইড় হাট–৫২২৬, কাহারোল, দিনাজপুর। বিষয়: SSC পরীক্ষার টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করা, অর্থ দাবি এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে গোপনীয় অভিযোগ। জনাব/জনাবা, আমি বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার সঙ্গে বিদ্যালয়ে গুরুতর অনিয়ম করা হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার অভিযোগ অনুযায়ী, SSC-এর টেস্ট পরীক্ষায় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে। পরবর্তীতে আমাকে বলা হয় যে, টেস্ট পরীক্ষায় পাস না করলে SSC পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে টেস্ট পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দাবি করা হয়েছে বলে
গত কয়েক মাস আগে ফুটবল খেলে আমার পায়ে সমস্যা হয়েছিল, তারপর সন্দেহজনক আমি সরকারি হসপিটালে যায় x-ray করার জন্য, সরকারি ফি হচ্ছে ২০০ টাকা, আরো ৪০ জনের মতন আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম তাদের লিমিট বলে শেষ বলতেছে,পরে সবাই চলে যাওয়ার পর আমি তাকে ১০০ টাকা দেই পরে ওই লোক আমাকে সিরিয়াল দিয়ে দেয়,আমার কথা হচ্ছে লিমিট শেষ হলে আমার সিরিয়ালটা আসলো কোথায় থেকে 😅 সরকারি হসপিটালের প্রত্যেকটা জায়গা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।
মা বাবার নাম আমার আইডি কার্ডের সাথে একটু বানান ভুল ছিল তাই তাদেরকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
গাড়ির নাম্বার প্লেট এর জন্য, সরকারি অফিসে দালাল বসে কাজ করে এটা আমার ভিষণ খারাপ লেগেছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৳12000 পেয়েছে
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং চাকরি নবায়নের জন্য আমি সহ আমার সহকর্মীদের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ঘুষ চাই না দিলে চাকরি থেকে বের করে দিবে এমন কথা আমাদেরকে বলেছে তাই আমরা বাধ্য হয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে দিছি।
If you want birth certificate then you have to pay extra money.For making them happy.
মুক্তিযোদ্ধা লোন নিতে গিয়েছিলাম বাবাকে সাথে নিয়ে সোনালী ব্যাংকে,সেখানে ম্যানেজার ১২০০০/- না দিলে লোন পাবেন না,এই টাকাটা লাগবেই,জিজ্ঞাসা করলাম কেন লাগবে? উনার উত্তর হলো মিস্টি খাবে।
প্রথমে জমি খারিজ করতে ৪০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল পরবর্তীতে খারিজ করে খারিজ বলা হয় জমির মৌজার মাঠ পর্চা ভুল হয়েছে এখন 3500 টাকা দিলে সংশোধন করা সম্ভব
বছরের শুরুতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বই বিতরণের সময় প্রত্যেক স্কুল থেকে ৪০০ টাকা কৌশলে টিও নিয়েছেন।