গাড়ির নাম্বার প্লেট সংগ্রহ
মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট সংগ্রহের জন্য জনপ্রতি ১০০/- টাকা করে দেওয়া লাগে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট সংগ্রহের জন্য জনপ্রতি ১০০/- টাকা করে দেওয়া লাগে।
এটা একটা ডেন্টাল কলেজের কাহিনী আমি সেখানে অডিট করতাম। সেখানে দেখি মিছিলিনিয়াস নামে একটা খরচের হেড আছে। আমি বললাম খরচ টা কিসের আমাকে ওখানকার একজন বয়স্ক জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের একাউন্টিং কনসালটেন্ট উত্তর দিল এমন যে আমার জীবনে আমি শিক্ষক হয়ে আমার ছাত্র যে কিনা রাজুকে চাকরি করে তাকে ঘুষ দিলাম। এবং কাঁদতে কাঁদতে ওই স্যার আমাকে বলল তার ছাত্র নাকি তাকে বলেছে স্যার শুধু আপনি বলে এই টাকাটা ২৪০০০০০ ভিতর সীমাবদ্ধ থাকলো। আপনার জায়গায় অন্য কেউ হইলে এত কমে কেউ করাইতে পারতো না।
আমি রাস্তার পাশে যেখানে অন্য কয়েকটি মোটর সাইকেল ছিল। উনার গাড়ি ছিল।ওখানে রেখে জরুরি ঔষধ নিতে ফার্মেসি তে গেলাম,আসার পর উনি কাগজ পত্র দেখতো চাইলো দেখালাম। তারপর টাকা চাইল না দিলে পার্কিং এর মামলা দেবে। বললাম আমি বেআইনি হলে তো অন্যান্য মোটরসাইকেল ও বেআইনি ভাবে রাখছে।আমাকে ধমকি দিয়ে গা তেড়ে আসলো।
পাস পোর্ট বানাতে গিয়ে ৮২০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানানো হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে সকল কম্পিউটার এর দোকানদার দালাল।
আমি আইআরসি করতে গেছিলাম পঞ্চাশ লাখ টাকার ডকুমেন্ট তৈরি করেছি যার সরকারি ট্রেজারি চালান ছিল 27500/ টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়ে অফিসের পিয়ন ১০০ টাকা চায়, এবং এডমিট কার্ড গ্রহণ করতে যাওয়ার পর জনপ্রতি ২০-৫০ টাকা করে চেয়েছেন। সবাই দিচ্ছিলো আমি প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম, পরে আমার ফ্রেন্ড বললো কিছু না বলে দিয়ে দেয় নয়তো ইনকোর্স পরীক্ষায় মার্ক না দিলে বা হয়রানি করলে কি করবি।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১২ মাসে ১২০০০/- টাকা ইন্টারনেট বিল পাওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারীরা এবং একজন প্রধান শিক্ষক স্কুল প্রতি ৪০০/- টাকা দাবি করে এবং অনেক প্রধান শিক্ষক ৪০০/- করে টাকা ঘুস দেয়।
আমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে গেলে তশিলদার ৮০০০/= দাবি করে সাথে শাবেক খতিয়ান অনলাইন করার জন্য আলাদা টাকা দিতে হবে, আমি রাজি হইনি, পরে তাদেরই একজন দালাল আমাকে বলে ৭০০০/= দিলে আর কোনো ঝামেলা হবেনা, আমি রাজি হই, সেদিনই ২৫০০/= দিলাম আবেদন হলো পরের সপ্তাহে ভুমি অফিস রিপোর্ট দেওয়ার কথা, না দিয়ে জানাল খতিয়ান অনলাইন করার জন্য দেরি হবে সে টাকা নিল কিছু দিন ঘুরিয়ে রিপোর্ট দিল ১ দিন পারে শুনানির দিনছিল শুনানি নাকরেই খারিজ করে দিল, কারণ দ্যাখাল অনলাইন নেই , (জেটান জন্য তশিলদার টাকা নিলো,) জেটা ইতি মধ্যে থাকার কথা ছিলো এটা ভুমি অফিস নিজের কাজ ছিল।
ভ্যানডার আমার থেকে এই অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমার এবং আমার ওয়াইফের ১০ বছরের জন্য ২টা পাসপোর্ট বানাতে গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, তারিখে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম। সেখানে ২টা পাসপোর্টের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা ইশারা ইঙ্গিতে আরও ৪-৫ হাজার টাকা চাচ্ছিলো। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় তারা খুবই বাজে আচরণ করেছে এবং বারবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ভুল দেখাচ্ছে। একবার বলছে এই ভুল তো আরেকবার বলছে ওই ভুল।একবার বলছে এই রুমে যান সেখানে গেলে বলছে অন্য রুমে যান। এভাবে সেই সকাল থেকে একদম দূপুর পর্যন্ত তারা পুরো পাসপোর্ট অফিস ঘুরিয়েছে। পরে লাঞ্চ ব্রেকের সময় বলছে আজকে আর হবে অন্য একদিন আসেন। অথচ সব কাগজ পত্র একদম ঠিক ছিলো।তারা খালি কাগজে ভুল দেখাচ্ছে কিন্তু কেন ভুল বা ঠিক কীভাবে করবো তার স্পষ্ট কিছুই বলতে পারছিলো না এবং খারাপভাবে আচরণ করছিল
ঢাকার ভাটারা তহসিল অফিসে নামজারির ভুল সংশোধনের জন্য দুই লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারের ফি ছিল মনে হয় কয়েক শত টাকা।
আমার কাবিননামা চায়তেছে বলতেছে কাবিন নামা ছাড়া হবে না৷ তার পর ২ হাজার টাকা টুপ দিলাম বলে লাগবে না 🤣
কিছু মামলার কাগজ translate করিয়ে সত্যায়িত করতে গেছিলাম অনেক্ষন ভুজুম ভাজুম বলে 20000 হাজার চাইলো আমি বললাম ভেবে দেখি বলে চলে আসছি
লাইসেন্স অনলাইনে নবায়ন করা যায়, গতো বছর করেছি যখন ইউনুস সরকার ছিল কিন্তু এই বছর আর ঐ নবায়ন লিংকে বার বার চেষ্টা করেও ঢুকতে না পেরে, সিটি কর্পোরেশনে গেলে সরাসরি বলে, আমি করে দিচ্ছি, ৩০০ টাকা লাগবে, আমি বললাম আমি কেন করতে পারছিনা, বলল তা তো জানিনা, অথচ পাসওয়ার্ড ও ইউজার নাম লাগে, কিছুই নিলোনা কিন্তু নবায়নের আবেদন করে দিলো, ৫০০ চেয়েছিল ৩০০ দিয়েছি।
আমার বাবা গিয়েছিলেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমাদের জমির খারিজ বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছেন। টাকা না দেওয়ার কারণে আমাদের এই জমির খারিজের আবেদন বারবার জেলা ভূমি অফিস থেকে আমাদের খারিজ আবেদনটি রিজেক্ট করে দিচ্ছে। এবং জেলা ভূমি অফিস থেকে বলে দিয়েছেন যে আপনারা আপনাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সচিবের সাথে কথা বলুন।
কিশোরগঞ্জ ফিঙ্গার অফিসে প্রতিটি লোকের কাছ থেকে বাধ্যতা মুলক ভাবে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এই পুরা টাকা ঘুষের টাকা।হিসাব করলে প্রতিদিন ৫০০ লোকের যাতায়াত এই অফিসে।।যা ৫০ টাকা করে নিলে বছরে এই টাকার পরিমাণ দারাই নব্বই লাখ টাকা(৯০,০০০০০)।। কি পরিমাণ দূর্নীতি হচ্ছে এই ছোট খাটো অফিসে একটু চিন্তা করেন।।
ইউনিয়নের খাতায় নথিভুক্ত আছে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী টাকা না দিলে সংশোধন করা যাবে না
মামলার রায় দেয়ার জন্য দুই লক্ষ টাকা দাবী করে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে সমস্যার সমাধান হয়।
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্য ৷ আমার কাছে থেকে ৮,০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো ৷ আমি প্রথম দিকে কোনো টাকা দিতে রাজি হইনি ৷ এবং আমি নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম ৷ কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট দিয়েছিলো আমার জমির মালিকানা প্রমাণিত হয়নি ৷ এরপর এসি ল্যান্ড শুনানির জন্য তারিখ দিয়েছিলো ৷ আমি শুনানিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আগের সকলে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ায়, নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছিলো ৷ পরবর্তীতে আবার নামজারির আবেদন করে নিজে নিজেই অফিসে ঘুরে ঘুরে ৪৫৭০/- টাকা দিয়ে নামজারি করিয়ে নিয়েছি ৷ ৪৫৭০/- টাকার মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ১৫০০/- দিয়েছি এবং এসি ল্যান্ড অফিসে ৩০৭০/- ( অরিজিনাল সরকারি ১১৭০/- টাকা সহ) টাকা দিয়েছি ৷
চিয়ারে নিয়ে গিয়ে ১০০ টাকা ভাড়া। গেট পাশ বাবদ ৪০ টাকা রাখা।