নামজারি
সেবা পেতে অর্থ দাবি করেছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবা পেতে অর্থ দাবি করেছিল
নাম জারি করাতে গিয়ে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের আশেপাশে প্রচুর দালাল থাকে তারা সরকারি চেয়ারে বসেই ঘুষ দাবি করে বলেই ফেলে সরকারি খরচে তে পারেন সে ক্ষেত্রে কতদিন সময় লাগবে বলতে পারছিনা হতে পারে ছয় মাস কিন্তু আপনি যদি আট হাজার টাকা দেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে এক সপ্তাহের মধ্যে করে দিতে পারব। বাধ্য হয়ে মানুষ তিক্ততায় পড়ে সরকারি অফিসের কর্মকর্তাকেই দিতে বাধ্য থাকে তাদের শক্ত একটি দালাল চক্র সব সময়ই আশেপাশে থাকে। এই টাকা ভূমি অফিসের সকলেই এমনকি এসিলেন্ড সহ তারা খায়। এটা শুধু আলেকজান্ডার রামগতি থানার লক্ষ্মীপুরে নয় সারা বাংলাদেশে একি কাহিনী। সুতরাং মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন কর্তৃক এটা কে শক্তভাবে হস্তক্ষেপ না করলে প্রত্যেকটি মানুষকে তারা এইভাবে বাধ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করেই যাবে।
একটি প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হওয়ায় বিদ্যালয় থেকে আমাকে শিক্ষা অফিসে বই নিতে পাঠায়। সময় টা ছিল রমজান মাস।গিয়ে দেখি সেখানে আমার মতো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এসেছে বই নিতে।শিক্ষা অফিসের দুজন কর্মচারী এসে বই বিতারন শুরু করে।অর্ধেকের মতো বই দেওয়া হলে বই বিতরণ বন্ধ করে দেয় এবং ঘুসের টাকা পরিসধ করে বাকি বই নিতে বলে। এসময় আমি অর্ধেক বই নিয়েই বিদ্যালয়ে ফিরে আসি
লাইসেন্স এর জন্য টাকা দিয়েছি
পীরগঞ্জ, রংপুরে পশু বিভাগের কর্মকর্তারা বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের জন্য সবসময় টাকা দাবি করেন। এমনকি ছোট গরুর খামারে পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানালেও, আমাদের তাঁদের টাকা দিতে হয়।
তিন চাকার ভটভটি সরকার থেকে লাইসেন্স দেয় না । খালি গাড়ি বাসায় ফেরত আসার সময় আটকিয়ে লাইসেন্স নাই বলে টাকা দাবি করে ২৫০০ । তার সঙ্গে আরও একজন ছিল সিভিল ড্রেসে সে আমাদের সাইটে গেলে মানে দেখি যা ছিল তাই দিয়ে দিতে হয় । ট্রাফিক পুলিশ অফিসারের কোন প্রকার রিসিভ না কেটে তার সাথে থাকা ব্যক্তির দ্বারা এ কাজ সম্পন্ন করে । যদিও তার বুকে ক্যামেরা লাগা ছিল সেটা বোধহয় শোয়াবের জন্য সরকার দিয়েছে ।
1100 টাকার সার্ভিস 8 হাজার টাকা নিচে
টাকা না দিলে কাজ হবেনা বলে দিছে
প্রথমে আমাকে বলে কম্পিউটাররের দোকান থেকে আবেদন কপি পূরণ করতে হবে, আমি নিজে নিজে পূরণ করেছি সেটি নাকি ভূল, এবং আরো ও বলে ১৫ দিনে পার্সপোর্ট দিবে ৩৫০০ টাকা বেশি দেওয়া লাগবে, না দিলে ৩ মাস লাগবে পার্সপোর্ট আসতে
দ্রুত পেতে হলে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া হবে না, ঝামেলাহীনভাবে হবে। কোন ভুল ধরবে না
পরচা নম্বর দেখে তথ্য জানতে চাইলে শুধু মাত্র ফোন এ বা ওয়াটচাপ নাম্বারে ফটো আকারে আনতে প্রতি পরচা নাম্বারের জন্য কমপক্ষে ২০০ বা তার বেশি টাকা দিতে হয় না দিলে তথ্য সংগ্রহ করে দেওয়া হয় না
পাওয়ার রেজিষ্ট্রী করতে সরকারি ফি অতিরিক্ত দাবি করেন সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্টার অফিসের কর্মকর্তা। এবং আরো বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হয় সেবা গ্রহীতা ও দলিল লেখকগণ।
সেবাটি নাম জারি ছিল ক্যাশে টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল পরিশোধ করার পরে এখনো পর্যন্ত কাজ ঠিক করে দেয়নি বলে আরো টাকা লাগবে
১৮ শতাংশ জন্য ২,৭০,০০০/- ১০ শতাংশ জন্য ৪,০০,০০০/- ৯.৬৯ শতাংশ জন্য ২,০০,০০০/- ৬ শতাংশ জন্য ২,৫০,০০০/- টাকা ছেয়েছে, এখন পর্যন্ত ৩,২০,০০০/- টাকা দিয়েছি, টাকার জন্য এখনো ঘুরাচ্ছে
কোন ফাইল সরাতে হলে বা কাজ করতে হলে ১০০০/১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে।
চাকরির জন্য পুলিশ একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং স্থায়ী ঠিকানা ভেরিফাই করতে গিয়ে দায়িত্বরত এস আই মিষ্টি খাওয়ার টাকা চেয়ছিল। আমি টাকা না দিয়ে তাদের জন্য মিষ্টি কিনে দিতে চাইলে তারা সেটাকে ঘুড়িয়ে পেচিয়ে টাকা দেয়ার জন্যই চাপ দিচ্ছিল। শেষে নিরুপায় হয়ে আমি ১০০০ টাকা বের করে দিলে তারা সেটাকে ঘুড়িয়ে পেচিয়ে আরো বেশি দাবি করে। অবশেষে আমি আরো ৫০০ টাকা দিয়ে থানা থেকে চলে আসি আমার কর্মস্থলে। তারা পরেরদিন আবারো আমার ঠিকানা অনুযায়ী বাড়িতে গিয়ে আব্বা আর আম্মা কে ভয় দেখায় যে ভেরিফাই ঠিক মত না হলে চাকরি চলে যেতে পারে এই বলে সাথে ৫০০০ টাকা দাবি করে আব্বা ভয় পেয়ে কোনপ্রকার উপায় না পেয়ে আরো ১০০০ টাকা দিয়ে তাদেরকে বিদায় করার চেষ্টা করে তবুও তারা আরও টাকা চেয়েছিলেন। শেষে এলাকার একজন মুরুব্বির কথায় তারা চলে যায়।
amr dadar jomi kha topsil vukto hoyese.. ami seita obomuktir jonno 2 bochor age apply kori kintu sirajganj sador vumi office a amr kase 7 hajar tk chay..ami onek hate paye dhore 4 hajar tk diyechilam amay bolechilo 3 diner vetor kagoj peye jabe..kintu 6 mash par howar poreu amay kagoj deyni akhono..ajke na kal..kalke na porshu korei jacche..onar name ta mone nei..kintu Uni hindu onar basha sirajganj shohorer dhanbandhi alakay .. ami er akti sothik bichar chai..jani apnara korte parben na..kintu ami allahr kase chai er bichar
প্রায়শই নানা কাজে ঘুষ চাওয়া হয়
ফুলকোচা বিদ্যুৎ অফিসে কারেন্টের মিটার নামানোর জন্য ৩,০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। কাজটির জন্য ৩,০০০ টাকা দেওয়া সত্ত্বেও গত ৩ মাস ধরে মিটার নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে না এবং শুধু ঘোড়ানো হচ্ছে।" দালাল চক্রের অবাব নেই প্রকাশ্যে
১৫ হাজার টাকা দিয়ে দিছি নয় মাস আগে, এখনো অনুমোদন পত্র হাতে পায়নি, আজকাল করে করে ঘোরাচ্ছে।