ভূমি নামজারি
নামজারি করতে ৫ হাজার টাকা লাগে কারো কাছতেকে আরো বেসিও নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে ৫ হাজার টাকা লাগে কারো কাছতেকে আরো বেসিও নেয়
২০১৭ সালে ঈদ পরবর্তী দিনে আমরা তিন বন্ধু বাইকে ঘোরতে বের হলে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ আমাদেরকে দাড় করিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ২০ টাকা পরিশোধ করে আমরা আসতে পারি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া টি.এ রোডে রাত ৮ টার দিকে র ঘটনা।
আমার কাছ থেকে এই টাকাটা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়েছে
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার ফি কোথায় কত কেউ জানে না। সরকারি সুনির্দিষ্ট ফি রেখেও অতিরিক্ত অনেক টাকা লেনদেন হয়।
কিছুদিন আগে আমার মোবাইল ঘর থেকে চুরি হয় সেই মোবাইল পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করি দুই মাস পর থানার অফিসার আমার ফোন দিয়া বলে মোবাইল পাওয়া গেছে তার সাথে দেখা করার জন্য আর কিছু খরচ লাগবে আমি যখন দেখা করতে চাই তখন বলে সাথে কত টাকা আছে আমি বললাম ৫০০ থেকে ৭০০ উনি বলেন ৫০০ আর ৭০০ টাকায় কেউ মোবাইল দিবেন না। যাই হোক পরে এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিয়া মোবাইল নিয়ে আসি
২০২০ এর ঘটনা। আমার চাকুরী স্থায়ী হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি, আনন্দিত।এই খুশিতে তারা মিষ্টি খেতে চায়।মিষ্টি খাওয়ার টাকা।দিতে চেয়েছিলাম না।তাও ১ হাজার দিতে চাচ্ছিলাম কিন্তু তাতে নাকি মিষ্টি খাওয়া হবে না।তার বড় স্যারকেই নাকি দেয়া লাগবে ২ হাজার।৫ হাজার চাইছিল। ৩ হাজারে সন্তুষ্ট হয়েছে।
আমি প্রচার তুলেছি সেখানে সরকারি ফি 120 টাকা কেন 300টাকা দিতে হবে?
নামজারি বা মিউটেশন আবেদন করেছিলাম।৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল।না দিতে চাওয়ায় সমস্ত ডুকুমেন্ট থাকা সত্বেওে তিনবারই না মন্জুর করে দেয়।
পুলিশ verification করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে । চট্টগ্রাম জেলা অফিস। আমাকে ভয় দেখিয়েছিল যে রিপোর্ট খারাপ দিবে।
Amamr 2 lac taka toltay giya 6500 gosh niyachay post master 3 bochorayr poro lobbanhsho
নামজারীতে জমির অংশ কম দেখিয়ে আবেদন বাতিল করার বা পুনরায় আবেদন করার জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো।
১৬ সালে আদালত রায় দিয়েছে, কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ আসামি ধরেনা, আমাদের থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আসামি আমাদের ভয় বিতী দেখায়
পুলিশ বেরিফিকেশন এর সময় টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে তা না হলে তারা বেরিফিকেশনে বেগ পোহাতে হয়
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
অফিসে গেলে বেশি টাকা দাবি করে
আমার সব কাগজ পত্র সঠিক ছিল। মায়ের নামের পরে আমার certificate বেগম দেওয়া ছিল না। মায়ের আইডি কার্ডে শেষে বেগম ছিল। এই জন্য আমাকে বলছে এটা ঠিক করে আনুন। ১৫০০ টাকা নিয়া বেশি দিয়া কম্পিউটারের কাছে দিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে জায় ভুতুরে বেপার এই ঘুসের টাকার সাথে জরিত আছেন অফিসে জাদের কাছে আবেদন কাগজ জমা দেওয়া হয়।
আমাকে আমার কাগজের ভুল ধরা হয় তারপর বাইরে বের হয়ে দেখি কিছু দালাল গ্রুপ রয়েছে দাবি করে যে টাকা দিলে তারা কাজ কমপ্লিট করে দেবে তারপরে তাদের টাকা দেই তারা কাজটা উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথপ যোগাযোগ করে কাজটা কমপ্লিট করে দেয়।টাকা দেয়ার পর আর কোন কাগজে সমস্যা হয়নি।
আমি সৌদী প্রবাসী দেশে এসে দেখি আমার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেছে, ইসি আফিসে আছে অনলাইলে চেক করে জানতে পারি। আমার স্মার্ট কার্ড যখনি নিতে যাই তখনি বলতো এখন হবে না পরে আসেন, অবশেষে২৫০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে স্মার্ডকার্ড দেওয়া হয়।
বিএড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি,কিন্তু গতি ১২/৮/২০২৬ ইং ২০০০ টাকা না দেওয়ার কারণে হবিগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার( ডিও) আমার ফাইল রিজেক্ট করেছে। যারা টাকা দিছে তাদের ফাইল ডান হয়েছে।
আমার সবকিছু ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় নাই, যখন টাকা দেই তখন আমি ভিতরে যাওয়া ও লাগে নাই। সরকারি অফিসে সম্ভবত উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৯৯% ঘুষ খায়। আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন ও তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে ।