পর্চা
আমি প্রচার তুলেছি সেখানে সরকারি ফি 120 টাকা কেন 300টাকা দিতে হবে?
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রচার তুলেছি সেখানে সরকারি ফি 120 টাকা কেন 300টাকা দিতে হবে?
নামজারি বা মিউটেশন আবেদন করেছিলাম।৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল।না দিতে চাওয়ায় সমস্ত ডুকুমেন্ট থাকা সত্বেওে তিনবারই না মন্জুর করে দেয়।
পুলিশ verification করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে । চট্টগ্রাম জেলা অফিস। আমাকে ভয় দেখিয়েছিল যে রিপোর্ট খারাপ দিবে।
Amamr 2 lac taka toltay giya 6500 gosh niyachay post master 3 bochorayr poro lobbanhsho
নামজারীতে জমির অংশ কম দেখিয়ে আবেদন বাতিল করার বা পুনরায় আবেদন করার জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো।
১৬ সালে আদালত রায় দিয়েছে, কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ আসামি ধরেনা, আমাদের থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আসামি আমাদের ভয় বিতী দেখায়
পুলিশ বেরিফিকেশন এর সময় টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে তা না হলে তারা বেরিফিকেশনে বেগ পোহাতে হয়
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
অফিসে গেলে বেশি টাকা দাবি করে
আমার সব কাগজ পত্র সঠিক ছিল। মায়ের নামের পরে আমার certificate বেগম দেওয়া ছিল না। মায়ের আইডি কার্ডে শেষে বেগম ছিল। এই জন্য আমাকে বলছে এটা ঠিক করে আনুন। ১৫০০ টাকা নিয়া বেশি দিয়া কম্পিউটারের কাছে দিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে জায় ভুতুরে বেপার এই ঘুসের টাকার সাথে জরিত আছেন অফিসে জাদের কাছে আবেদন কাগজ জমা দেওয়া হয়।
আমাকে আমার কাগজের ভুল ধরা হয় তারপর বাইরে বের হয়ে দেখি কিছু দালাল গ্রুপ রয়েছে দাবি করে যে টাকা দিলে তারা কাজ কমপ্লিট করে দেবে তারপরে তাদের টাকা দেই তারা কাজটা উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথপ যোগাযোগ করে কাজটা কমপ্লিট করে দেয়।টাকা দেয়ার পর আর কোন কাগজে সমস্যা হয়নি।
আমি সৌদী প্রবাসী দেশে এসে দেখি আমার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেছে, ইসি আফিসে আছে অনলাইলে চেক করে জানতে পারি। আমার স্মার্ট কার্ড যখনি নিতে যাই তখনি বলতো এখন হবে না পরে আসেন, অবশেষে২৫০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে স্মার্ডকার্ড দেওয়া হয়।
বিএড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি,কিন্তু গতি ১২/৮/২০২৬ ইং ২০০০ টাকা না দেওয়ার কারণে হবিগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার( ডিও) আমার ফাইল রিজেক্ট করেছে। যারা টাকা দিছে তাদের ফাইল ডান হয়েছে।
আমার সবকিছু ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় নাই, যখন টাকা দেই তখন আমি ভিতরে যাওয়া ও লাগে নাই। সরকারি অফিসে সম্ভবত উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৯৯% ঘুষ খায়। আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন ও তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে ।
আমি যখন বিদেশে আসার জন্য সকল কাগজপত্র রেডি করি তখন এজেন্সি জানায় বিদেশ আসার জন্য পাইজার টিকার সার্টিফিকেট লাগবে। এই সার্টিফিকেট এর জন্য সরকারি ভাবে টিকার আবেদন করি কয়েক বার কিন্তু কোনো কাজে আসে নাই। তার পর এজেন্সিতে থাকা এক জন লোক বল্লো ১০ হাজার টাকা দিলে আমাকে টিকার সাটিফিকেট মেনেজ করে দিবে। আর যেহেতু কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেছি বিদেশ এর জন্য টিকার জন্য ত আর বিদেশ দিতে পারি না।তাই ওনার সাথে দামদামি করে ৭ হাজার টাকায় পাইজার টিকার সাটিফিকেট বের করে বিদেশ আসছি
অতিরিক্ত টাকা ছাড়া নাম জারী হয়না, নালিতাবাড়ী শেরপুরে ১১৭০টাকার কাজে তাদেরকে দিতে হবে ৫০০০/৬০০০ টাকা
আমি একটা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করি। চাকরি করতে গিয়ে আমার প্রোডাক্ট ইনফরমেশন কাজ করতে হয় তাদের সাথে। বিনিময়ে টাকা দাবি করে, এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে যত কোম্পানি কোম্পানী যারা আছে সবার কাছ থেকে সাদা দাবি করে, শুধু তাই নয় নিজের চেম্বার তৈরি করার জন্য ৫০ টা কোম্পানির কাছ থেকে দুই হাজার টাকা করে দাবী করেন চাপের মুখে পড়ে যা অনেকে দিতে বাধ্য হয়, কোম্পানির হায়ার ম্যানেজমেন্ট কে ফোন করে দিতে বাধ্য করা হয়, যারা দিতে ব্যর্থ হয় তাদের ঔষধ প্রেসক্রিপশন না করার হুমকি দেওয়া হয় এবং বাইরের যত ব্যবসায়ী আছে তাদেরকে এই বিষয়ে ভয় দেখানো হয়।
আমার বউ ধর্মান্তিরিত হয়েছিল সেহেতু তার সব জুডিসিয়াল মেজিস্ট্রেটের সব কাগজ নোটারি ডকুমেন্ট সব আছে কিন্তু এন আইডি সংশোদন কোনভাভেই করতে পারছিনা দপায় দপায় ১৬০০০০ টাকা খেয়ে নিলো ভিভিন্ন টেবিলে নিন্তু আজ পর্যন্ত এন আইডি কার্ড সংশোদন করতে পারলাম না। ।আরো কত টাকা যে লাগবে তা একনো নিশ্চিত বলতে পারছিনা।।
জমির খারিজ করতে সরকারি টাকা লাগে ১১৭০ টাকা। আমার কাছ থেকে ঘুষ নিচে সাত হাজার টাকা।
বাজারে জুয়া খেলা দিয়ে তাকে বাজারে কমিটির আর থানায় দিয়ে তাকে ঘুম