খাজনা
তুমি আমার বাড়ির খাজনা প্রথমবারের মতো দিতে গিয়েছিলাম, তখন বলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে পরে অনেক ঘুরার পরে 10000 টাকার বিনিময়ে সে ১৩০ টাকার খাজনা আমাকে কেটে দেয়, ঠিকানা, ঝিটকা ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তুমি আমার বাড়ির খাজনা প্রথমবারের মতো দিতে গিয়েছিলাম, তখন বলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে পরে অনেক ঘুরার পরে 10000 টাকার বিনিময়ে সে ১৩০ টাকার খাজনা আমাকে কেটে দেয়, ঠিকানা, ঝিটকা ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
আমি আমার পে ফিক্সেশন করতে গেলে টাকা চেয়েছিল। বলল চা নাস্তার টাকা দিতে হবে। এটা ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
কলকারখানা অফিস থেকে দেবার লাইসেন্স নবায়ন ফি বাবদ পরিশোধ ৩০০ টাকা আর ঘুষ দিতে হয় ৪৭০০ টাকা মোট -৫০০০ টাকা। পরিশোধ করলাম।
Without money Brta table not Moving
অগ্রহনি ব্যাংকে ডিপিএস কররে গিয়েছে ২ টা একাউন্ট খোলার জন্য সেখানে আমার কাছে ১০০০ টাকা চেয়েছে তাই আমি চলে আসলাম
রোগীকে নিজতলা থেকে দ্বিতীয় তলায় তুলার জন্য হুইল চেয়ার দিতে রাজি হয় নাই। ২৫০ টাকা দাবি করে।
আমার জমির নামজারি করতে করতে গিয়েছিলাম ভাঙ্গুড়া পৌর ভূমি অফিসে, সেখানে 19000 টাকা ঘুস দাবি করে, কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে শেষমেষ 13000 টাকা দিয়ে নামজারি করেছি।
খাজনা বাবদ আমার হয়েছিল ১২০ টাকা। এখন সেটা অনলাইনে করেছে ১৪৭৯৬ টাকা।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে পুলিশকে টাকা দিতে হয়েছে। না হলে লেইট হবে সময় লাগবে বলে।।বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ ২৬০০ টাকা নিয়েছে। ওনি বলল ভেরিফিকেশন করতে ৩০০০ টাকা সরকারি ফী লাগে। আমি অনেক বুঝালাম। তারপরেও ২৬০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নামজারি করতে,টাকা বেশী নিতে বাহিরে,তাদের কম্পিওটার দোকানের সাথে সব কিছু জমা দিলে,সুন্দর মত করে দিবে।বলছে।
আমাকে ডেকে নিয়ে বলে আপনার লাইসেন্স তারা তারি আসবে, তার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে আমি এক্সাম পাশ করার পর ও।
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
One VAT officer demand 5 lac. I proposed 30k but he denied.
extra 1500 tk dite hoice
I applied online for a Police Clearance Certificate and paid the official ৳1,500 fee. About a week later, someone claiming to be from Patiya Police Station called and asked me to visit the station. I went there with all the documents listed on the official website. He said that a Chairman Certificate was mandatory, although it was not mentioned on the website. After some discussion, he agreed to process my clearance. He then demanded ৳1,000, claiming it was his “fixed rate.” He charged the same amount to everyone who was present there for police clearance at that time. As I urgently needed the certificate, I paid the money.
জমি খারিজ করতে যাওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা দেখাইয়া টাকা চাইছে
আমি ২০২২ সালে আমার আম্মু কে নিয়া সিলেট এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ নিয়ে ভর্তি করি নিউরো সার্জারি বিভাগে,,ভর্তি হওয়ার পর আমাদের কে বেডের নিচে ফ্লোরে সিট দেওয়া হয় তখন আমার আম্মার অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন একটা বেড দরকার ছিল তার পর আমি একজন ওয়ার্ডবয় কে বেডে স্থানান্তর করার কথা বলি উনি আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় আমি প্রথমে দিতে চাইনি,, কিন্তু মায়ের অবস্থা দেখে শেষ মেষ ৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হই, তার পর যখন বিছানার নতুন চাদর চাই আরো ১০০ টাকা দিতে হয়েছিল,সেটা ছিলো মেডিকেলের , পুরান বিল্ডিং ৪ তলা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডে,,নিউরো সার্জারি বিভাগ,,,
আমার ওয়াইফের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম । সেখানে যা যা ডকুমেন্ট দরকার সবকিছু দেওয়ার পর ফরম উঠানো হয় এবং সবকিছু দেওয়া হয়। ডকুমেন্ট সবকিছু সাবমিট করার পরে তারা আমাকে জানায় সার্ভারের সমস্যা আজকে হবে না কালকে আসেন। পরদিন গেলে জানাই আজকে চেয়ারম্যান নাই কালকে আসেন। এরকম প্রায় ৮ থেকে ১০ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। কি আর করার প্রতিদিন গিয়ে তিন-চার ঘন্টা বসে থেকে চলে এসেছি । কোন কিছুতেই কোন কিছু হচ্ছিল না তারপরে পাশের দোকানের ওখানে এক লোকের সাথে শেয়ার করার পরে সে আমাকে জানায় কাজ করা যাবে কিন্তু টাকা লাগবে আমি আর ধৈর্য না ধরতে পেরে রাজি হই প্রথমে ৭০০ টাকা নিয়েছিল তারপরে তার কাছে ডকুমেন্ট দিলাম তার এক মাস পরে আরো ৮০০ টাকা দিয়ে তার থেকে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপিটা নিলাম
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।