Driving licence
আমাকে ডেকে নিয়ে বলে আপনার লাইসেন্স তারা তারি আসবে, তার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে আমি এক্সাম পাশ করার পর ও।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাকে ডেকে নিয়ে বলে আপনার লাইসেন্স তারা তারি আসবে, তার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে আমি এক্সাম পাশ করার পর ও।
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
One VAT officer demand 5 lac. I proposed 30k but he denied.
extra 1500 tk dite hoice
I applied online for a Police Clearance Certificate and paid the official ৳1,500 fee. About a week later, someone claiming to be from Patiya Police Station called and asked me to visit the station. I went there with all the documents listed on the official website. He said that a Chairman Certificate was mandatory, although it was not mentioned on the website. After some discussion, he agreed to process my clearance. He then demanded ৳1,000, claiming it was his “fixed rate.” He charged the same amount to everyone who was present there for police clearance at that time. As I urgently needed the certificate, I paid the money.
জমি খারিজ করতে যাওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা দেখাইয়া টাকা চাইছে
আমি ২০২২ সালে আমার আম্মু কে নিয়া সিলেট এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ নিয়ে ভর্তি করি নিউরো সার্জারি বিভাগে,,ভর্তি হওয়ার পর আমাদের কে বেডের নিচে ফ্লোরে সিট দেওয়া হয় তখন আমার আম্মার অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন একটা বেড দরকার ছিল তার পর আমি একজন ওয়ার্ডবয় কে বেডে স্থানান্তর করার কথা বলি উনি আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় আমি প্রথমে দিতে চাইনি,, কিন্তু মায়ের অবস্থা দেখে শেষ মেষ ৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হই, তার পর যখন বিছানার নতুন চাদর চাই আরো ১০০ টাকা দিতে হয়েছিল,সেটা ছিলো মেডিকেলের , পুরান বিল্ডিং ৪ তলা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডে,,নিউরো সার্জারি বিভাগ,,,
আমার ওয়াইফের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম । সেখানে যা যা ডকুমেন্ট দরকার সবকিছু দেওয়ার পর ফরম উঠানো হয় এবং সবকিছু দেওয়া হয়। ডকুমেন্ট সবকিছু সাবমিট করার পরে তারা আমাকে জানায় সার্ভারের সমস্যা আজকে হবে না কালকে আসেন। পরদিন গেলে জানাই আজকে চেয়ারম্যান নাই কালকে আসেন। এরকম প্রায় ৮ থেকে ১০ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। কি আর করার প্রতিদিন গিয়ে তিন-চার ঘন্টা বসে থেকে চলে এসেছি । কোন কিছুতেই কোন কিছু হচ্ছিল না তারপরে পাশের দোকানের ওখানে এক লোকের সাথে শেয়ার করার পরে সে আমাকে জানায় কাজ করা যাবে কিন্তু টাকা লাগবে আমি আর ধৈর্য না ধরতে পেরে রাজি হই প্রথমে ৭০০ টাকা নিয়েছিল তারপরে তার কাছে ডকুমেন্ট দিলাম তার এক মাস পরে আরো ৮০০ টাকা দিয়ে তার থেকে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপিটা নিলাম
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।
লাইন ছাড়া দ্রুত ফাইল চেক করা ও ছবি তোলা ।
স্কুলের কর্মচারী সবার কাছে টাকা চেয়েছে টাকা দিলে বলেছে ফুলমার্ক দিয়ে দিবে SSC প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায়। স্কুল শিক্ষকরা পাশেই অবস্থান করছিলেন।
Ami Gulshan a nijer kisu kagojpotro hariye jaoyay gd Korte gesilam. Tarpor prothome Ami gd ta korechilo sundor moto. Kintu sekhane onaraamar passport no. Lekhe ni . Tai amake punoray sei gd ta Korte hobe. Ami next a gesilam .onara Amar gd ta ar korben na. Pore ek police officer eshe bole Tomar student manush ja icche dao.pore 200 taka disi ,niye nilo.
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যেনো ঘুষের মহাস্বর্গ। সেখানে পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে একজন আবেদন গ্রহনকারী সব কাগজ নিরীক্ষণের ভিড়ে বিশেষ কিছু ছিলের খুঁজে ব্যস্ত থাকেন। কাগজে দালালের ছিল নেই মানে আবেদন গহণ হবে না। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্তেও আবেদন গ্রহণ হয় নি। বিশেষ কিছু এজেন্টের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত পেমেন্ট করায় পরবর্তিতে সাথে সাথে আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা পায়। প্রসাশন আর দালালরা মিলে মিশে ঘুষ খাচ্ছেন নির্ভিঘ্নে।
জন্ম নিবন্ধন, পাঁচটির জন্য ৭৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে,
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
দালালের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ১০০০০/- ও গাড়ির নাম বদলাতে ৩০০০০/- পরিশোধ করতে হয় ।
আমার মা ও বাবার পেনশনের টাকা উত্তলনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস জেলা শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারী অফিসে প্রায় ৮০০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল। মসজিদের মাইক কেনার জন্য কিছু টাকা রেখেছিলাম, তার থেকেও সেই সময় আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজ লাগবে বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে সময় নস্ট করত। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ১ বছর ঘুরাঘুরি করে কোন সমাধান না পেয়ে এক রকম ব্যাদ্ধ হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা দেবার পরে কোন সমস্যা ছাড়াই বা মার পেনশনের টাকা টা পেয়ে যাই।
আমার দাদার জমির খাজনা বকেয়া থাকায় আমি দিতে গেলে তারা অনেক টাকা জরিমানা দাবি করে । তারপর তাদের পরামর্শে খাজনা পরিশোধ ও জরিমানার বদলে তাদের খুশি করতে বলে । তখন তারা টাকা দাবি করে ।
সরকার কর্তৃক ঘোষিত নামপত্তনের জন্য যে পরিমান টাকা দিতে হয়, তার কয়েকগুন পরিমান টাকা দিয়ে একটা জমির নামপত্তন করতে হয়। যার ফলে প্রতিয়মান হয় ভূমি সেবায় বাংলাদেশের মানুষ অধিক পরিমান দূর্ণীতিগ্রস্থের স্বীকার হচ্ছে। এই দূর্ণীতির আতুর ঘর হচ্ছে মফস্বল শহর। যেখান থেকে বেশী দূর্ণীতি হয় এবং সারা দেশে বিস্তার ঘটায়। তাই দূর্ণীতিরোধে বিষয়টি সরকার বা আপনারা বিবেচনায় রাখতে পারেন।
বিচারিক কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ৯০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় বিচারিক সেবা পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ৯০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।