নতুন ট্রেড লাইসেন্স
আমি ট্রেড লাইসেন্সের জন্য মোহাম্মদপুর শাখায় গিয়েছিলাম। সেখানে সরকারি/অফিশিয়াল কস্ট হিসেবে ৭,৮৭০ টাকা দেখাচ্ছিল। কিন্তু তারা জানিয়েছে, তাদের মাধ্যমে করাতে হলে ১২,০০০ টাকার নিচে করে দেবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ট্রেড লাইসেন্সের জন্য মোহাম্মদপুর শাখায় গিয়েছিলাম। সেখানে সরকারি/অফিশিয়াল কস্ট হিসেবে ৭,৮৭০ টাকা দেখাচ্ছিল। কিন্তু তারা জানিয়েছে, তাদের মাধ্যমে করাতে হলে ১২,০০০ টাকার নিচে করে দেবে না।
কুমিল্লার দাউদকান্দি আঞ্চলিক কর অফিসে কর দিতে গেলে সবাইকেই ঘুস দিয়ে করতে হয় এইটা ওপেন সিক্রেট,যদি কেউ TIN ট্যাক্স /ভ্যাট রিটার্ন দিতে যায় তাহলে তাদের সার্ভিস চার্জ নামক ঘুস দিতেই হবে, আমিও গিয়েছিলাম ৩০০০ হাজার টাকা রিটার্ন দিতে তারা আমার কাছে দাবী করেছে রিটার্ন ৩০০০+ আর ঘুস ৪০০০হাজার টাকা, পরে তা ২০০০ হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়।
আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিল ঘুষ না দিলে ভুল রিপোর্ট নেগেটিভ দিবে তাই বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ও অনলাইন সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি/নির্ধারিত ফি প্রায় ১,৫০০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১১,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত প্রায় ৯,৫০০ টাকা কোনো সরকারি ফি, কর বা বৈধ সার্ভিস চার্জ নয়; বরং অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘুষ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকের জন্য সরাসরি “Renewal/নবায়ন” অপশন যথাযথভাবে পাওয়া যাচ্ছে না বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সরিয়
আমার স্বামী মারা যায় 2024 সালের শুরুর দিকে, আমার ছেলেরা বাড়ির বাইরে থাকে তাদের কাজের জন্য। তাই আমি নিজেই কাগজ পত্র তৈরী করার জন্য নেমে পরি। যাদের কাছে কাগজগুলোর জন্য যাই তারা ঠিকই আমাকে সেগুলো ভালোভাবে কোন বাধা ছাড়াই বানিয়ে দেয়, কিন্তু যখন তাদের কাছে যাই তখন তারা বলে এগুলোতে হবে না, ওরকম ভাবে লাগবে। এইভাবে প্রায় 4মাস ঘোরানোর পরে আমি হতাস হয়ে তাদেরকে বলি আপনারাই বলে দেন আমি কী করবো। তাও তারা বলে না। রাগ করে চলে আসি বাড়িতে। তখন আমার প্রতিবেশী একজনকে সাহায্যের জন্য তাদের কাছে পাঠালে তার কাছে টাকা দাবি করে এবং পুরনো একটা ফাইলের কপি ধরিয়ে দিয়ে বলে এভাবে করে আনবেন। আমি হতাশা থেকে বাচতে রাজি হয়ে যাই। এবং তার পরবর্তী 20 দিনের মধ্যে আমার কাজ করে আমাকে ফোন করে বুঝিয়ে দেয়।
আমার সন্তানের জরুরী ভিত্তিতে জরুরী ভিত্তিতে জন্ম নিবন্ধন দরকার ছিল। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ে ও আমার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বলে অন্তত ২০ দিন সময় লাগবে । তখন আমি তাড়াতাড়ি চাইলে বললেই হবে না । তখন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে ৩ হাজার টাকা দিলে কালকেই পাবে । তখন আমি ২৬০০ টাকা দিয়ে করিয়ে নিয়েছি। ঘটনাটি আরও এক বছর আগে।
ঝালকাঠী অফিসে পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গেলে নিজের এন এআইডি কার্ডের তথ্য দিলেও পিতার আইডি কার্ডে নাম, মাতার আইডি কার্ডে নাম, স্বামীর আইডি কার্ডে নাম, হোল্ডিং নাম্বার, কাবিন নামার কপি ইত্যাদির অজুহাত দিয়ে এবং এনআইডির ভেরিভাই কপিতে যে পেশা আছে বর্তমানে সেই পেশা না থাকে আবেদন বাতিল করতে হবে। অথচ পাসপোর্ট অফিসে পাশে একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সমস্যার কথা বললে সেই বাতিল হওয়া আবেদন কপিতে কলম দিয়ে ছোট একটি সংকেত দিয়ে নগদ 3000 হাজার টাকা নিয়ে পূনরায় অফিসে গেলে সেই একই অফিসার ঐ সংকেত দেখে আবেদন গ্রহন করে।
আমার জন্ম নিবন্ধন এর সাথে আরেকজনের জন্য নিবন্ধন অনলাইনে পৃষ্ঠায় দেখাচ্ছে ,যখন আমি জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে অনলাইনে সার্চ দেই | আমি সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সত্যায়িত করা আবেদনপত্র নিয়ে ঢাকায় জন্ম নিবন্ধন হেড অফিসে দিয়েছিলাম |সেখানে যে আবেদনপত্র জমা নেয় , তার ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ, সে আমার কাজ সমাধান করিনি বরং সে আমার কাছে টাকা দাবি করেছিল আমি এখন পর্যন্ত সমাধান পাইনি |
আমার বাবার এঞ্জিওগ্রাম করার জন্য ৫ হাজার ৫০০ টাকা চায়,হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাবে কর্তব্যরতরা, এটা এঞ্জিওগ্রাম খরচ, আমি রাজী হই, তারপর ও কবে করবে তার কোন সঠিক তারিখ দিচ্ছিলো না, পরে একটা লোক আমাকে বললো এক্সট্রা কিছু টাকা দিয়ে দাও করে দেবে, আমি বাবা অস্স্থুতার কথা চিন্তা করে রাজী হই। এবং সাড়ে হাজার টাকায় এঞ্জিওগ্রাম করাই, করানোর পরে যে সরকারি রশিদ পেয়েছি তাতে ২ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা, আজ দেড় মাস হলো আমি রিপোর্ট হাতে পাইনি আরো টাকা দেইনা বলে। যে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে এন্জিওগ্রাম যেখানে করে সেইখানে ডাক্তাদের সাথে থাকে নাম সো,,,,ল, সেই ব্যক্তি ঘুষ লেনদেন করে, টাকা দিলে রিপোর্ট দেয় নয়তুবা রিপোর্ট আটকে রাখে, ঠিক আমারটার মত।
ঘুষ নিয়েছে ৬২০০০ টাকা, আপনার অ্যাপে ড্রপ সিস্টেমে কেন? যেন সরাসরি অংকে ও কথায় লেখা যায়, সেটা তৈরী করেন। জমির খারিজ সংক্রান্ত আমার বড় ভাইয়ের কাছে ৬২০০০, বাষট্টি হাজার টাকা নিয়েছেন। ভাইয়ার দাবি তার এক তাবলীগের সহকর্মীর সাথে অফিরে লোকের অনেক ভালো সম্পর্ক এর কারনে এত কম, না হলে তাদের ১০০০০০ এক লক্ষ টাকার কমে কাজ করে দিতেন না, সুতরাং আমাকেও ১/৩ অংশ টাকা বহন করতে হয়েছে। আমি বলেছি নির্ধারিত ফি এর বাইরে এক টাকাও দেবো না, সে বলেছে তাহলে খারিজ হবে না। আরও কি কি যেন অযুহাত দেখিয়ে বার বার শুধু টাকা নেয়, এর আগে একবার ২০০০০ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি তো বাড়িতে থাকি না, তাই এসবের প্রতিবাদ করারও সুযোগ নেই্ । আমার বড় ভাই অনেক সত মানুষ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই, এলাকার সবাই তাকে সেভাবেই জানে ও মানে...
টাকা না দিলে ফেল করায় ২ মাস পর ডেট দিচ্ছিলো। প্রথম বার হয়রানীর স্বীকার হই
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছিলাম আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় এবং পরবর্তীতে একটু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুষ দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে ।।
আমি নিজে ঘুষ, হাদিয়া হারাম উপার্জন করি না। সুদ লেনদেন করি না। তারপরও ভ্রমণ ব্যয়বিল উত্তোলনের সময় ৫% তাদের দেওয়া লাগে।
আমি আমার মা এর সাথে সঞ্চয় পত্র করতে হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস এ যাই। সেখানে পোস্ট মাস্টার প্রথমে 8000 টাকা চেয়েছিল পরে 5000 টাকা দিয়ে সঞ্চয় পত্র করা হয়।
আমার কাছে টাকা চেয়েছে
Office of the Registrar of Joint stock companies and firms. অডিট রিপোর্ট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর পকেট খরচ না দিলে জীবনে পাশ হয় না।
ডিফেন্স সাইড এ দেখা যাই যারা রিট্যার্ড করেন তাদের পেনশন এর টাকার জন্য ৫০০ -২০০০০+ ঘুষ প্রদান করা হয়। যদি না দেওয়া হয় তাহলে কাজ গুলো প্রক্রিয়াধিন থেকে যাই। বি: দ্র: মানুষ তার নিজের কাজ টা বেতন এর বাহিরের টাকা ছাড়া কবে থেকে করবে??
ইউনিয়ন অফিসে চেয়ারম্যান একটা স্বাক্ষর জন্য গ্রাম পুলিশকে দিতে হয়েছে মারিয়া ইউনিয়ন অফিস
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে