পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন।
আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিল ঘুষ না দিলে ভুল রিপোর্ট নেগেটিভ দিবে তাই বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিল ঘুষ না দিলে ভুল রিপোর্ট নেগেটিভ দিবে তাই বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ও অনলাইন সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি/নির্ধারিত ফি প্রায় ১,৫০০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১১,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত প্রায় ৯,৫০০ টাকা কোনো সরকারি ফি, কর বা বৈধ সার্ভিস চার্জ নয়; বরং অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘুষ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকের জন্য সরাসরি “Renewal/নবায়ন” অপশন যথাযথভাবে পাওয়া যাচ্ছে না বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সরিয়
সোনারগাঁও ভূমি অফিস এর নয়েব প্রধান সহকারি উনি আমার কাছে ২০০০০ টাকা চাইছে খারিজ এর জন্য।
আমি আমার স্ত্রী ও আমার বাচ্চার জন্য অনলাইনে e-Passport-এর আবেদন সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমার আবেদনপত্র গ্রহণ না করে জানান যে, আরও কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন কিন্তু বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। কারণ, পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবা দোকানের মাধ্যমে প্রতি পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা প্রদান করে আমার পূর্বে করা একই আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিলে পাসপোর্ট অফিস কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করে এখানে আমার প্রশ্ন হলো প্রথমবার একই আবেদনপত্র ও কাগজপত্র নিয়ে গেলে যদি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে কোনো লাগলোনা
আমার জন্ম নিবন্ধনটি ডিজিটাল করার জন্য তিন বছর পর্যন্ত পৌরসভায় ঘোরাঘুরি করেছে আজ নয়তো কাল কাল নয় তো পরশু আসেন সার্ভার নেই এসব কথা বলে বলে আমাকে তিন বছর ঘুরে এসে অতঃপর আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে তারপরে আমি ৩০০ টাকা দেই অতঃপর তারা কাজ করে এবং তিন বছর পরে আমাকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন দেয়
জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর ২৪ নং ওয়ার্ডের, তেজগাঁও দাবি করেন ডিসি সাক্ষরের জন্য জনপ্রতি ১০০০। দুই জনের জন্য ২০০০।
জমির নামজারি , রেকর্ড সংশোধন, খাজনা পরিশোধ ইত্যাদি কাজ এর জন্য মূল টাকার বাইরে বাড়তি আর 1 Lac টাকা দাবি করেছে
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে ভূমি অফিসে নথি জমা দিয়ে আসার পর ৬ মাস পড়ে ছিল। উল্লেখ্য যে এর মধ্যে বহুবার উক্ত ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। কিন্তু ঘুষের টাকার জন্য নামজারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়নি। পরে বিরক্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত নামজারি করাতে হয়। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ঘুষ নিয়েছিল অফিস সহকারী, তহশীলদার, কানুনগো, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, শুনানীর সময় আবার অফিস সহকারীর মাধ্যমে এসিল্যান্ডের জন্য টাকা নেয়। সর্বমোট আমার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
২ নং বড় উঠান ্উনিয়ন পরিষদের সচিব, জালিয়াতির মাধ্যমে জম্ম ও মৃত্যু সনদ তৈরি করে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে।এখন আমি ওয়ারিশ সনদ কনতে গেলে বলে যে এখানে আরও ওয়ারিশ আছে। অথছ আমার সকল কাগজপত্র সঠিক আছে। এখন বলতেছে ঐ জম্ম ও মৃত্যুসনদ বাতিল করে ওয়াারশ সনদ দিবে,যদি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দি।আমি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি
আমি নামজারি করতে পরামর্শ করতে গেলে ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে বলে।
জেলা একাউন্ট অফিস,যেখানে সকল সরকারী কর্মচারীদের বেতন নিয়ে কাজ করে,এই জেলায় নতুন কেও জয়েন করলে তাদের কাছে টাকা ছাড়া কোন পেপারস সাবমিট হয় না,দিনের পর পর দিন ফাইল আটকে রাখে,টাকা দিলে তাড়াতাড়ি বেতন প্রদান করে,এমন কি কেও বদলী হলে শেষ বেতনের প্রতয়ন দিতে চায় না,কিছু করতে গেলে টাকা
ড্রাইভিং টেস্ট পরীক্ষা দেওয়ার পর বললো আপনি ফেইল করেছেন। টাকা না দিলে পাশ হবে না।
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এর সকল সার্ভে অফিসে জাহাজের সার্ভে রেনু ও মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশন ও বেক্রসিং এর জন্য ঘুষ দিতে হয় ৫-২০ হাজার পরযন্ত প্রতিটা ডকুমেন্ট আপডেট করার জন্য
সরকারি চাকুরী হবার পরে বেতন চালু করতে হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দেবার পরে বেতন চালু করে।
ভুমিসেবা আমি একটা নামজারি খতিয়ান ভাঙা তে যায় দায়িত্বরত অফিস আমাকে কাছে ১০০০০ টাকা চাই। যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকা বেশি না।
এপ্লিকেশন সবকিছু ঠিক ছিল তবুও জমা নিবে না কারণ ঘুষ দিতে হবে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসারদের বদলির জন্য অযাচিতভাবে বিভিন্ন ফর্মে টাকা দাবি করা হয়। দুইটা চক্র সেখানে সক্রিয়। টাকা না দিলে কোন পদায়ন হয় না। এই কাজটা মূলত খামারবাড়ি, ঢাকা হেড অফিসে হয়ে থাকে।
আমি ২ টা খতিয়ান নামজারি জন্য আবেদন করি, প্রথম টি আমার বাবার নামে , সেটার জন্য ৭হাজার দাবি করলো, ২য় টা আমার নামে ,২য় টা অনলাইনে আবেদন করি কিন্ত আবেদন বাতিল করে দিলো বললো তহশীলদার সাথে দেখা করিনি কেন ,পরে আবার করি সেটাও এসি ল্যান্ডকে দিয়া বাতিল করতে চাইলো, আমি উপরস্থ কর্মকর্তাকে জানাইলে সেটা করে দে । আমাকে খতিয়ানের জন্য ৩মাস পর্যন্ত হয়রানি করলো । টাকা দেইনি কেন ?
জন্ম নিবন্ধনের নামের একটি বিরামচিহ্ন সংশোধন করার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভাতে কর্মরত ব্যাক্তিরা আমার থেকে ২৫০০ টাকা চায়। কিন্তু দেশের বাড়ি বা গ্রামের বাড়ির (কালুখালী উপজেলা, রাজবাড়ী) কারো জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংক্রান্ত সমস্যা তারা ৫০০ টাকার বিনিময়ে সমাধান করে থাকে। এই অর্থ কি ঘুষ নয় তা আমার প্রশ্ন। ধন্যবাদ।