পাসপোট
পাসপোট করতে গিয়ে এই টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোট করতে গিয়ে এই টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি।
নামজারির আবেদন করতে গেলে সেই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা থাকে বলে সার্ভারে সমস্যা নেট নেই ইত্যাদি। যাদি তাকে 1000 টাকা না দেই তাহলে সেই আবেদন গ্রহন করে না বরং বিভিন্ন অজুহাতে আবেদন খারিজ করে দেয়। আর যখনি 1000 টাকা পরিশোধ করেছি ঠিক তখনি খসরা খতিয়ান প্রস্তুত করে হাসিমুখে বলে যান আপনার কাজ হয়ে গেছে।
পেনশনের এককালীন টাকা উত্তোলন ও মাসিক ভাতা চালুকরণ এর জন্য ১০০০০/- টাকা দাবী করেন হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর, আমি শুরুতে নাকচ করে দেই, পরবর্তীতে তাদের সাথে নেগশিয়েশনে যাই ৫০০০/ টাকার বিনিময়ে এছাড়াও পেনশনারের নিজ অফিস ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলায় খরচ না হলেও জেলা শিক্ষা অফিস, বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে লাম্প গ্রান্ট, জিপিএফ মঞ্জুর করতেও টাকা ঢালতে হয়েছে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট হতে একজন অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মনোনয়ন নিতে গিয়ে এই ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি গত 2024 সালের মার্চের দিকে। খোদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের জন্য 3000 হাজার, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার 3000 আর ইউএনওর অফিস সহকারী 1500 টাকা নেয় ।
ইচ্ছে করে কর বাড়তি লিখে কমানো জন্য টাকা দাবি করে
নাগরিক সনদের জন্য গেছিলাম তারা দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করেন ১/ সরাসরি কাজ করেন ২/ নির্দিষ্ট দোকানে পাঠানো। সরাসরি মহিলা কাজ করলো ১২০/- টাকা চাইলো কিন্তু কোন রসিদ দিলো না। আরেক কাজে পুরুষ একজন পাঠালো নির্ধারিত দোকানে সেখানে দোকানদার তার মতো রাখলো।
আমি একজন খুচরা ওষুধ ব্যবসায়ী, ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য যাবতীয় কাগজ জমা দিয়েছি জেলা ড্রাগ অফিসে কিন্তু ওখান থেকে ফোন করে আমাকে বলে আপনার লাইসেন্স নিতে ১২০০০৳ দিতে হবে কারণ আপনি নিজে একজন ফার্মাসিস্ট,আর যদি নিজে না হতেন তাহলে ২৫০০০৳ লাগত। আমি বললাম সরকারি ফি তো জমা দিয়েছি বলল এটা বিভিন্ন জনকে দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা আমার কাছে নাই, পরে কথা বলার এক পর্যায়ে বললাম আমার পক্ষে সম্ভব না।
Bangladesh Registrar of Joint Stock Companies And Firms (RJSC) ei Department a Ghus Cara ekti file o Table Change Hoi Na. Ai Department Somporke Onakai Tamon kicu Jane na. Karon Bangladesh a Akta company run korta gelai sudu ai department ar theka registation neta hoi. Tai sadoron manus ai department ar kono information tamo jane na. Ar ai sujog a Sorkari officer gon ai Jaiga teka besal poriman akta gush banijjo kora. ai department ar officer sonkha o kub kom. adar bank account cheak korta jai poriman taka pawa somvob ta amader cintar o baire. Adar sobar beruddha action nawa kub e dorkar.
দলিল যাচাই করতে গিয়েছিলাম।আমাকে বলল এখন দেখতে ১০০০ টাকা লাগবে নতুবা অনেক নিয়মের মধ্যে যেতে হবে অনেক সময় লাগবে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেছিলাম। ফোন নম্বর আর কাগজ নেওয়ার পর ৫০০ টাকা দাবি করে ওখানকার কর্মী। দালাল আর কর্মীদের ঘুষ নেওয়ার দৌরাত্ম্য বেড়েছে অনেক। পরে ফিরে এসে ভালোভাবে ওয়েবসাইটে খোঁজ নিয়ে কাজ করেছি।
মিটার এর আবেদন করলেও কাজ হয় না,পাশের একজন টাকা দিছে ১ মাসের মধ্য মিটার দিয়ে দিছে,
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন করাতে চাইলে। আপনি শো রুমের মাধ্যমে ব্যতীত কাগজ জমা দিতে পারবেন না। এক কর্মচারীকে এক হাজার টাকা দিয়ে জমা দিছিলাম। তবুও তারা রেজিস্ট্রেশন করে দেয় নি। কারণ শো রুম ছাড়া দিলে তারা টাকা পাবে না। আমার এক হাজার টাকা মেরে দিছে, ১৮ মাস ধরে ফাইল ও ফেলে রাখছে। এখন বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়ে শোরুমে জমা দিয়েছি।
তারা বলে ছিল এই খতিয়ানে আড়াই একর জমি আছে সবগুলো জমির খাজনা দিতে হবে, অথচ আমার জমি মাত্র সাত শতাংশ, মোট খাজনা আসে বকেয়া সহ 86 হাজার টাকা আসে। তারা আমার কাছে অফার দিল চার হাজার টাকা দেন সব ঠিক করে দিব, দিলাম , তারা খাজনা দিল 23 টাকা, আর আমার নিকট থেকে নিল 4000 টাকা। প্রতিবাদ করার মতো কোন ভাষা নেই কারন আমার খারিজ করতে হবে, খাজনা না দিলে খারিজ হবে না ।
আমার একটা জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার দলিলটা উনি দেখে আমাকে বিশ হাজার টাকা. দেওয়া জন্য বলছে তারপরেও খারিজ করে দিব বলছে আমাদের বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কোন সরকারি কর্মচারী ৮০% কর্মচারী কাজ করে না ধন্যবাদ আপনাদেরকে এরকম একটা সাইট খোলার জন্য অন্তত আমরা বলতে পারি এখানে
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ১০ বছর পূর্তিতে সরকার উচ্চতর গ্রেডের ব্যবস্থা রাখছে যেটা কর্মচারীর প্রাপ্য। সেই উচ্চতর গ্রেট চালু করাইতে জনপ্রতি লোকাল অফিস জেলা অফিস একাউন্টস অফিস, তিনটে অফিসেই অগ্রিম টাকা দিতে হয়।
আমার জমি,সেই জমির উপড় মামলা হয়, আর ঐ মামলায় উপজেলা ভুমি অফিসে পরির্দশনের জন্য নোটিষ আসে,সেটা আবার ইউনিয়ন ভুমি অফিসে নোটিশ আসে,সেই নোটিশে পর, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা, জমি পরির্দশনে আসে,তারা বিস্তারিত দেখে তারা রির্পোট পাঠায়, উপজেলা ভুমি অফিসের অধিনে, গাইবান্ধা জর্জ কোর্টে রিপোর্ট দেয়,কিন্তু দেখা যায়, যে রিপোর্ট দেয়,সেই রিপোর্ট আমাদের বিরুদ্ধে লিখেছে,এটা তারা বিপক্ষ দল থেকে, টাকা খেয়ে এই রিপোর্ট দেয়
আমার নামে খোলা ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক করে নিয়ে বেট আইডি সাইডে চালানো হয়।কিন্তু আমি সেটা টের পাইনি, এতে করে ৩ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার একটা লেনদেন প্রতরণা হয় এবং বাদী পক্ষ মাললা করে এবং আমি বাসা থেকে গ্রেপ্তার হই।পরবর্তী আমি সব জানতে পারি আমার কাছ থেকে মামলার ১৮ লক্ষ টাকা দাবী করে এবং পরবর্তীতে এক এস আই খিলগাঁও থানা কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা চায় মাললা থেকে নাম বাদ দিবে বলে কিন্তু মামলা শেষ করেনি বরং আরোও বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেয়। টাকাটা সে এমন জায়গায় নেয় যেখানে কোন ক্যামেরা বা কোন লোক ছিলো না।
Yearly Environment Certificate renewal purpose. Authority asking for renewal this amount . We have nothing to do as its a very important certificate for our 100% export oriented business. We have handover the amount today and they have agreed to issue the certificate.
কোন কারণ বশত আমার ফোন হারিয়ে যায় আট মাস পর পুলিশ ফোনটি উদ্ধার করে বলে যে ফোনটি কক্সবাজার আছে নিয়ে আসতে হবে টাকা লাগবে পরে আমি রংপুর কোতোয়ালি থানার কম্পিউটার ওপারেটর আমাকে বলে টাকা দাও ৪০০০হাজার পরে ২৭০০ টাকা নেয় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। টাকা নেওয়া সাথে সাথে ফোন দিয়েছে
সাধারণ ফি ৫১০০-৫৩০০. আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে।