পরিবেশ অধিদপ্তর
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি ময়মনসিংহ জেলার,ত্রিশাল উপজেলা, বালিপাড়া ইউনিয়ন এর,,, আমি আমার একটা জমির নাম জারি করার জন্য ২ বার আবেদন করার পরেও তারা মুঞ্জর করতেছিল না ৬ মাস ঘুরার পরে বাধ্য হয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করা লাগছে,,,,,
আমি আমার মায়ের জন্যে একটি প্রতিবন্ধি ভাতার আবেদন করেছিলাম। অনেক দিন হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু তাও কোন আপডেট না থাকার কারণে অফিসে গেলে একজন বলে কিছু খরচ পাতি দাও হয়ে যাবে এরপর ২ বারে ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করি। তার প্রায় ৪ বছর পর এক দাদার জন্যে বয়স্ক ভাতার আবেদন করি কিন্তু তাও এমন ই আটকে রয়েছে অফিসে গেলে বলে বরাদ্দ নাই অথচ আবেদন করেছি তার আজকে প্রায় ১ বছর হয়ে গেলো তার অফিসার এর ফোন নাম্বার নিয়ে এসে তাকে কল দিলাম বললো খরচ পাতি দিতে হবে।
পরিক্ষা দিলে ফেইল করিয়ে দেয়, জব করি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে।
আমি নিজে অনলাইনে আবেদনটি সম্পন্ন করেছিলাম। কিন্তু তাদের নির্ধারিত দোকান থেকে কাজটি না করানোর কারণে আমাকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এই সময়ে আমাকে প্রায় ৮–১০ বার নির্বাচন অফিসে যেতে হয়েছে। প্রতিবারই নতুন নতুন সমস্যা দেখিয়ে বলা হয়েছে—এটা নেই, ওটা নেই, এটি ঠিক করতে হবে, সেটি সংশোধন করতে হবে ইত্যাদি। পরিশেষে আমার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করিয়ে আমাকে তাদের নির্ধারিত দোকানে গিয়ে পুনরায় কাজটি করাতে বাধ্য করা হয়। সেখানে একই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১২০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার ধারণা, ওই দোকান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও কমিশন পেয়ে থাকেন। একটি সাধারণ অনলাইন আবেদন নিজে করার পরও যদি নির্ধারিত দোকান থেকে কাজ না করানোর কারণে একজন নাগরিককে এভাবে দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হয় এবং শেষ পর্যন
গ্রাহক বিদেশে থাকায় তার খাজনা প্রতিনিধি এর মাধ্যমে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল।
আমি একজন প্রবাসী। প্রথমে সব কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে জমা দিলে একজন অফিসার বলল ,আমরা ভেরিফাইড করবো সময় লাগবে। তার নয় মাস পরে আমি আবার দেশে যাই এবং একজনের মাধ্যমে একই অফিসারের নিকট যাই। সেই আগের কাগজপত্রে এবার মাত্র পনেরো দিনের মধ্যে আমি ফিঙ্গার দিয়।
আমার বাবার ক্রয় কৃত জমিটি অন্য একজনের নামে রেকর্ড ভুক্ত থাকায় আমি ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। মামলায় বিবাদী পক্ষের কোন ধরনের আপত্তি না থাকায়, আমার পক্ষে মামলার রায় পাই। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট গেলে ওনার সহকারি যিনি রেকর্ড সংশোধনের দায়িত্বে আছেন তিনি ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন, পরবর্তীতে নগদ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি কাজটি করে দিতে রাজি হয়েছেন।
ঘটনা টা ২০২৪ সালে। তখন আমি আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য অনলাইনে সব তথ্য সম্পুর্ন করে ডকুমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিস বাহ্মণবাড়িয়া তে যাই, সেখানকার দায়িত্বরত অফিসার ১ম চেকিং দিয়ে বলে আমার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে তার পর পরে নিয়ে যায় আবার আরেকদিন একই অফিসারের কাছে সম্পুর্ন ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে বলে পিতা মাতার অনলাইন ভেরিফিকেশন লাগবে, দেন পরে আমি আমার পরিচিত একজন দালাল কে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পর আরো অতিরিক্ত ৩৫০০ টাকা দিয়ে গেলে আমার কাজ টা কমপ্লিট হয়। অথচ ১মে দালালের মাধ্যমে টাকা না দেওয়াতে ২ বার হয়রানি হতে হয়েছে, এই কষ্ট টা এখনো মনে পড়ে?
আমার বাসায় নতুন মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করি। তাদের যাবতীয় শর্ত পূরণ করি।তারপর ১/ ওয়ারিং চেক করতে আসবে কিন্তু আমি বাসায় না থাকায় অফিসে বসে আমাকে কল দিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে।দিতে রাজি না হওয়ায় আবেদন বাতিল করে। তারপর আবার আবেদন করি ২/ এবার জেখতে আসে। আমি নতুন বাড়ি করবো বিধায় গোসলখানা থেকে ১০ ফুট দুরে নতুন ওয়ালে ওয়ারিং দেখে বাতিল করে দেয়। তারপর আবার আবেদন করি ৩/ এবার এসে কোন সমস্যা না ধরতে পেরে বিয়ের কাবিন নামা চায়।আমি অনুরোধ করলে পরের দিন বাজারে গিয়ে ৫০০০ টাকা নাস্তা করাইতে বলে।
প্রথমে আমি গেলাম ভূমি অফিসে ওনারা বল্ল বহিরে দোকানে গিয়ে অনলাইনে কর পরশোধ করে নিয়ে আসেন।তার পর গেলাম পরিশোধ করে আনলাম বলে জমির দাগ নাম্বার টিক নায় আবার গেলাম দোকানে আবার চেক করলাম দেখি সব টিক আছে। পরে দোকান দার ওয়ালা বল্ল ঘুষ দিলে এখন সাতে টিক করে দিবে আপনি পিওন কে বলেন ওনি দর দাম টিক করে ওখানে। পরে ওনার কথা মতো আবার গেলাম বলে আমি স্যারের সাতে কথা বলে দেখি কি হয়। একটু পর বের হয়ে বলে কিছু কর দিতে হবে। আমি বল্লাম কতো ২০০০ টাকা। পরে আমি বল্লাম সরকার পাচ্চে ১৮৪ টাকা আর আপনারা ২০০০ টাকা সরকার কে তো আপনারা চলান মনে হয়।এটায় দেশের অবস্তা।
আমি ড্রাইবিং লাইসেন্স বানানোর জন্য অনলাইনে সব ডকুমেন্টস দিয়ে টাকা পরিশোধ করে তারিখ অনুযায়ী গিয়েছে সশরীরে গিয়ে ডাইভিং পরিক্ষা দেই সবকিছু ঠিক থাকলেও আমাকে রিজেক্ট করা হয়, পরবর্তীতে আমি আর দালাল কে অতিরিক্ত ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পরিক্ষা দিলে আমার অনলাইনে ডাইভিং লাইসেন্স আসে, দালাল না ধরে কোনো কাজ ই করা যায় না এই দেশে।
বাংলাদেশে প্রথম NID শুরু হয় তখন NID করি , as usual আরো অন্য মানুষের মতো হাজার ভুলে ভরা NID মতো আমার NID নাম জন্ম তারিক ২ টাই ভুল , এখন সংশোধনের জইন্য ২ বার অনলাইন আবেদন করছি পে করছি , আবেদন কয়েক মাস পেন্ডিং থাকে এর পর বাতিল করে দেয় , সল্যুশন কি জনাতে নীরবাচন অফিস গেল কোনো সহযুগিতা পাইনা , কিন্তু নির্বাচন অফিস সামনে ফটোকপি দোকানের দালাল রা ৩০ হাজার টাকা চায় , তাই সংশোধণ শেষ পর্যন্ত করা হয় নাই , দালাল গ্যারান্টি দিয়ে বলে ৩০ হাজার টাকা দিলে সংশোধণ করে দেবে , কেন এতো টাকা জানতে চাইলে বলে জন্ম তারিক এন্ড নাম ২ টা ভুল এজইন্ন , কিন্তু ভুল গুলা তো আমরা করি নাই করছে নির্বাচন অফিস প্রথম NID করার সময় , এত বেশি হয়রানী এখনো ভুলে ভরা NID নিয়ে ঘুরি , টিক করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সনদে বাবার নাম ভুল থাকাতে আবেদন করেছি পরবর্তী কারেকশনের পরে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে গেলাম। তখন টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানা করতেছিল। পরবর্তীতে টাকা দেয়ার পরে অফিস শেষ করে সনদগুলা বুঝিয়ে দিল।
মেহেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিস এ, আমার ছোট ভায়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গেলে, নানা অজুহাতে, আমাদের ঘুরাতে থাকে,শেষে যখন হলো না, আমরা তাদের বললাম, কি করলে আজকে, ফিংগার, হয়ে যাবে, তখন তারা পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে একটা কম্পিউটারের দোকানে পাঠিয়ে দিলো, ওই খানে গিয়ে বললাম, আজকেই ফিংগার দিয়ে যাবো, বললো ১৫০০ টাকা লাগবে, আমরা ১০০০ টাকা দিতে চেয়েছি হয়নি, ওই দিন আমরা ঘুরে চলে আসছি, কিন্তু তার পরের দিন একি রকম হয়রানি, শেষে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ করে চলে আসছি
ভুমি অফিসের ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলতে হয় কর দেওয়ার জন্য, আর একাউন্টি মুলত অফিস থেকে ফ্রিতেই করে দেওয়ার কথা, এবং এটা করতে কোন টাকা লাগে না, কিন্তু অফিসের কর্মকর্তা ৪০০ টাকা নিছে
অভিযোগ ভিত্তিতে আসামির বাড়ি যাওয়ায় পুলিশ আসা যাওয়ার খরচ বাবদ টাকা দাবি করে কমপক্ষে ২০০০। অথচ সরকারি পুলিশের গাড়ি দিয়ে ১ কিমি এর ভেতর গিয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার সময় আমার হাতে লেখা জন্ম সনদ ও সারটিফিকেটে জন্ম তারিখের মিল না থাকার কারনে ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ দিলে কাজ হবে, না হলে কাজ হবে না।
আমি ৩৮ সেন্ট জমি খারিজের জন্য ভূমি অফিসে গেলে কাগজ পত্র যাচাই করে সঠিক আছে বলে জানান। তিনি খরচ পাতি হিসাবে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বললাম সরকারি ফি ১১০০ লাগে।আপনি ৫০০ টাকা বকশিস নেন। তিনি বললেন কানুন গো এবং এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয়না। তারপর ৬৫০০ টাকা নিলেন।
জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার কর্তৃক। টাকা গ্রহণ করা হয় এবং পাসপোড প্রদান করা হয়। এবং পুলিশের ভেরিফিকেশনের জন্য মোট টাকার পরিমান দিছি।