নতুন পাসওয়ার্ড করতে গেছিলাম
১.বললো অন্যজনের জিমেইল ব্যবহার করে আবেদন কেন করেছেন...? আমি আবেদন করতে পারি না । ২.কর্মস্থলের সনদ ...? আমি ছোট একটি দোকানে চাকরি করি ছন্দ কোথায় পাবো । তার পর একজন কে ১৫০০ টাকা দিলাম পরে এই কাগজ পত্র ছারা ই হয়ে গেলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১.বললো অন্যজনের জিমেইল ব্যবহার করে আবেদন কেন করেছেন...? আমি আবেদন করতে পারি না । ২.কর্মস্থলের সনদ ...? আমি ছোট একটি দোকানে চাকরি করি ছন্দ কোথায় পাবো । তার পর একজন কে ১৫০০ টাকা দিলাম পরে এই কাগজ পত্র ছারা ই হয়ে গেলো
ই-নামজারি করার লক্ষ্যে আমার কাছে অভিযোগ চেয়েছিল, আমি আমার কাজটি করার জন্য দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার একটা মোবাইল ফোন হারানো যায় তাতে অনেক মূল্যবান জিনিস কাগজপত্র অনেকের নাম্বার এবং ছবি রয়েছে,,সর্বপ্রথম থানার সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে একটি আবেদন লেখা হয়,আবেদনটি জমা করে একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করা হয়,,বললো ফোন পাওয়া গেলে আপনাকে জানানো হবে,,মাঝে মাঝে একটু খোঁজখবর রাখতাম, কয়েক মাস চলে যাওয়ার পরে,, দেখি কোন কিছুই হচ্ছে না,, এক পুলিশ ভাইয়ের সাথে আলোচনা করলাম,, বলল আপনার আবেদনটি ওভাবেই পড়ে থাকবে কোন কাজ হবে না,, আপনি যদি ৬ হাজার টাকা খরচ করতে পারেন তাহলে আপনার আবেদনটি দেখতে পারি,,,,
জমির খাজনা আসছিল-৪০০ টাকা, কর্মকর্তা দাবি করেছে-১০০০ টাকা. স্লিপ ও কেটেছিল -৪০০ টাকা, বাকি ৬০০ টাকা ঐ কর্মকর্তার পকেটে গেছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসআই আমাদেরকে পুলিশ অফিসে ডাকলো। আমি, আমার বাবা পুলিশ অফিসে গেলাম। সেই এসআই তিন হাজার টাকা দাবি করল পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য। আমার বাবা একজন অবসর আর্মি পারসন। তার পরিচয় দেওয়ার পরও অনেক তালবাহানা করল শেষ পর্যন্ত তারা ২৬০০ টাকাতে থামল, এবং তারা বলল এই টাকাটা আমার উপরের বস সহ অনেকেই খাবে। যাই হোক এই পাসপোর্টটা আমার অনেক জরুরী ছিল। তাই টাকাটা পরিশোধ করেছিলাম। এই ঘটনাটা আজ থেকে ১০/১১ বছর আগের।
খরচাপাতি হিসেবে কিছু দিতে হবে বলেছিল। কিছুক্ষণ দিতে চাইনি। পরে ৫০০ দিলেও মেনে নিচ্ছিলো না। ১০০০ চাচ্ছিল। শেষে আরও ১০০ যোগ করে ৬০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
ঘটনা ৩০ এপ্রিল ২০২৩। পাসপোর্ট অফিস জানায়, আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেবে এবং ১০ টাই দিতে সক্ষম না হলে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে বাকি কাগজের সাথে। পরে আমি যাই National Institute of Traumatology and Orthopaedic Rehabilitation এ, যেখানে শুরুতে আমাকে একজন গার্ড ২ ঘণ্টা ঘুরান এই বলে যে এখানে এরকম কোনো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়না । যখন উনি বুঝেন যে আমার অনেক দরকার তখন সাইড এ নিয়ে বলেন ৫k দিলে উনি ব্যাবস্থা করে দিবেন। আর উপায় না পেয়ে ওইদিন তাই করতে হয়েছিল, তবে মনে একটা খটকা থেকেই গেল, সামান্য congenital condition এর জন্য ঘুষ দিয়ে একটি সার্টিফিকেট তোলা লাগলো! এই ছিলো ঘটনা।
ফাইল টা জমা নেয় না,কিছু বলাও যায় না এত খারাপ ব্যবহার তাদের,অফিস এর বাইরে যেই কয় টা দোকান আছে সব গুলা দালাল গো দোকান,দালালদের দোকানের মাধ্যমেই টাকা টা অফিস এর লোক পায়। আমার ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর কাজ হইয়া গেসে।
বিএডিসি সেচ প্রকল্পের আওতায় লাইসেন্স করতে গেলে আমাকে ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দীর্ঘ আবেদন আটকে রাখে,,পরবর্তীতে খুঁজো নিতে গেলে উপর মহলের চা পানের খরচ বাবদ আমার থেকে ১৫শ টাকা নেয়।
আমি আমার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য বোলা বিআরটি এ যাই সেখানকার অফিস সহকারী আমার কাছে ৩৫০০ টাকা দাবি করেন পরিখায় পাশ করার জন্য। তার ব্যাবহার ছিল এরকম যে এই টাকা দিয়ে যদি ১ পয়সা হারিও যায় তার পরে কম হবে না
অফিসের ছোটবাবুর কাছে যেকোন কাজে গেলে খারাপ ব্যাবহার করে। উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের অভিজ্ঞতা একই। পরে টাকার কাজে যতদিন যেতে হয় ততদিন টাকা নেয় না দিলে আবার খারাপ ব্যবহার করে। অনন্যা স্টাফরা ভাল, টাকা পয়সা খায় না ব্যবহারও ভাল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে কখনো শুনিনাই ঘুষ দেওয়া বাদে কেউ কৃতকার্য হয়। বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট চার্জ এর বাইরে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলো। অনেকের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫০০০+
আমি ০৩/০৮/২০২৬ ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও তিলপা পাড়া অফিসে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে দেখলাম অনেক লোক ট্রেড লাইসেন্স রেনিউ করতে বা নবায়ন করতে এসে অফিসের দেয়া ডেট অনুযায়ী দুইবার তিনবার এসোও বারবার ফেরত যাচ্ছে। তারা বলে এখনো হয় নাই পরে আসেন। আবার কাউকে কাউকে দেখলাম সার্ভারের দোহাই দিয়ে বলছে আবার পরে আসতে। আমার জরুরী বিধায় তাদের সাথে কথা বলে অফিসের বাইরে একজন লোক গাছের নীছে দাঁড়ানো থাকে, তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে বললাম ভাই এখন তো সাড়ে দশটা বাজে আমাকে নবায়ন করে করে দেন। সে বলল বিকাল তিনটায় আসেন হয়ে যাবে। ঘুসের টাকা দেয়ার কারণে একদিনেই নবায়ন করে দেয় অথচ যারা ঘুস দেয় নাই তাদেরকে ১০ দিন ১৫ দিন পরে ডেট দিয়ে ঘুরাচ্ছে সার্ভার নষ্ট বা বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। ২/৩ বার না আসতে হয়।
নামজারি প্রক্রিয়া দিনের পর দিন পরে ছিল কেও ফাইল ধরেনাই ধল্লা,সিংগাইর মানিকগঞ্জ,
পাসপোর্টের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট প্রয়োজন হওয়ায় সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু সার্টিফিকেট নিতে ৫০০ টাকা চাওয়া হয় এবং বলা হয় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগবে। জরুরি প্রয়োজনের কথা জানিয়েও দ্রুত কোনো সহযোগিতা পাইনি। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১১ দিন পর, অনুরোধ করে ৪০০ টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হয়েছে। আক্ষেপের বিষয় হলো, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দেওয়ার পরও টাকা ছাড়া কাজ এগোয় না। সাধারণ মানুষের জরুরি প্রয়োজন ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ—এ ধরনের হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি যেন গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।
খুলনা বি,আর,টি এ লাইসেন্স নবান অথবা গাড়ির কাগজ রিনিউ করতে গেলে, অতীতেও ছিল এবং বর্তমান বিদ্যমান আছে, গাড়ি চালিয়ে লাইসেন্সের জন্য দেখানোর পরেও যদি ৩০০০ টাকা ইন্সপেক্টর সাহেব কে পরিশোধ করা না হয় তাহলে পাস হবে না,! ঠিক এরকমই গাড়ির ফিটনেস বা অন্যান্য কাগজ রিমু করানোর জন্য গেলে, ফিটনেস এর জন্য ৩০০০ , নতুন নাম্বার প্লেট উত্তোলনের জন্য ১০০০ এছাড়াও যেকোনো কাজে বিআরটিএ গেলেই অর্থ ছাড়া কোন কাজ হয় না, সারা জমিনে ঠকিয়ে দেখলে সবকিছুই বুঝতে পারবেন,!
আমি সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করার জন্য আবেদন করি। যেই সেবাটি ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া যায় সেই সেবা আমি ৭২ ঘণ্টা পরও পেলাম না। তারপর নাজিরের সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে ১০০০ টাকা দাবি করে। সহকারীকে ৫০০ টাকা দিলে আমাকে ১ ঘণ্টার মধ্যে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করে দেয়।
For filing holding TAX for the first time 55% rebate with apile = 15000 Taka After that, last rebate 25% - 8000 Taka Total 23000 taka Dhaka City Corporation Onchol: 3, Mohakhali.
আমার একটা জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার দলিলটা উনি দেখে আমাকে বিশ হাজার টাকা. দেওয়া জন্য বলছে তারপরেও খারিজ করে দিব বলছে আমাদের বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কোন সরকারি কর্মচারী ৮০% কর্মচারী কাজ করে না ধন্যবাদ আপনাদেরকে এরকম একটা সাইট খোলার জন্য অন্তত আমরা বলতে পারি এখানে
আমি আমার জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং সেটা অনুমোদন করানোর জন্য ভুমি অফিসে যাই তখন আমাক বলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তখন খুব রাগান্বিত হয়ে যাই এবং আমি বলি আমার জমিতে কি সমস্যা আছে যে আপনাকে টাকা দিতে হবে। এর পর আরেক জনের মধ্যস্থতায় ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আবেদন অনুমোদন দেয়।এর পর আমি আমার খাজনা অনলাইনে পেমেন্ট করি।