বসতবাড়ির গাছ কাটায় বাধা প্রদানে ভোলা থানায় গেলে মিমাংসা নামে অথ নেয় এস আই রিয়াজুল।
বসতবাড়ি গাছ কাটা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বসতবাড়ি গাছ কাটা
আমি আমার ৪ শতক জমির খাজনা অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করার জন্য সব ব্যবস্থা করি, কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস সিস্টেমে অথরাইজ করার জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করে। খাজনা ছিলো মাত্র ১২ টাকা।
আমার ছেলের জন্মদিবন্ধন আবেদন করেচি, প্রথমবারে আবেদন ফ্রী ছাড়া ৫০০ টাকা নেয়, বলচে হবে অপেক্ষা করুণ, পরর্বতীতে আবার যোগযোগ করলে বলা হয় আবেদন পূনরায় করতে হবে আবেদন পুনরায় করলাম তখন পাঁচ'শ টাকা দিতে হয়েছে! দীর্ঘদদিন পরে আবার যোগাযোগ করলাম বলছে এটাতে সসমস্যা আছে টাকা ১৫ শ লাগবে! পরর্বতীতে আবার যোগাযোগ করলে সচিব চার হাজার দাবি করে,সর্বশেষ ২৫শ টাকা দিয়ে জন্মদিবন্ধন বের করি। প্রায় দেড় বছর লেগেছে একটা নিবন্ধন বের করতে, ৭ হাজার খরচ হইচে আর হয়রানি আর কি বলবো।
আমার মা একজন স্কুলশিক্ষক। পেনশনের সম্পূর্ণ টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য থানা শিক্ষা অফিস থেকে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে পেনশনের প্রক্রিয়াটি আটকে ছিল এবং তিনি পেনশন পাচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে আমার মা নিজের ২০,০০০ টাকা এবং ওই প্রধান শিক্ষকের জন্য আরও ২০,০০০ টাকা ঋণ হিসেবে প্রদান করেন। অর্থাৎ, মোট ৪০,০০০ টাকা দেওয়ার পর আমরা আমারা পেনশনের টাকা গ্রহণ করতে সক্ষম হই।
একটি বয়স্ক বাতা কার্ড করে দিবে বলে মেম্বারের ছেলে ৩০০০/-টাকা দাবি করে, আমার আম্মুর কাছ থেকে আগেই কাগজ পত্র নিয়ে গেছে, তারপর মা যখন আমাকে বলে তখন আমি না করে দেই, যে ঘুষ দিয়ে কার্ড নেওয়ার দরকার নেই, তারপর মেম্বারের ছেলেও আমাকে কল করে ফোনে কথা বলে তার সাথে ও আমি না করে দেই, মেম্বারের ছেরে তো কাগজ পত্র আগেই জমা দিয়ে দিয়েছে,যখন টাকা আসে তখন মায়ের কাছ থেকে ৩০০০/- টাকা নিয়ে যায়, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যাদের কে বয়স্ক বাতা বিধবা বাতা কার্ড দিছে তাদের কাছ থেকে ৩০০০/- টাকা এবং যারা বীজ অথবা সার নিছে তাদের কাছ থেকে ১০০০/২০০০/- করে নিছে, মেম্বার ও তার ছেলে মিলে এসব করে চলছে।
সারা বাংলাদেশের বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত প্রায় প্রতিটি বিবাহ নিবন্ধন ও তালাক নিবন্ধন অর্থাৎ কাজি অফিসগুলোতে বিবাহের মোহরাণার ক্ষেত্রে লাখ প্রতি ১৪০০ টাকা অর্থাৎ এক হাজারে ১৪ টাকা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বেশি নেওয়া হয় এবং ৫লাখের উপরে যেকোন অতিরিক্ত মোহরাণা জন্য লাখ হিসাবে প্রতি লাখে ১০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হয়। যেকোনো প্রকার তালাক ফি ১০০০ টাকা হলেও নেওয়া হয় ২০০০ টাকা বা তারও বেশি।এছাড়াও বিবাহ ও তালাকের নকল উত্তোলনের নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা হলেও নেওয়া হয় ৫০০ টাকা বা তারও বেশি। এছাড়াও ৩০০-৪০০ টাকা খরচের কোর্ট এফিডেভিটকে কোর্ট ম্যারেজ নাম দিয়ে চলে হাজার টাকার রমরমা ব্যবসা।পাশাপাশি কাজিদের দ্বারা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে এলাকার জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা ভাগা খায়।
সরকারি প্রজ্ঞা্পন অনুযায়ী আমি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে যুক্ত হওয়া একজন কর্মকর্তা ছিলঅম। বার বার বিভিন্ন কাগজপত্র দেয়া সত্ত্বেও আরো নতুন নতুন তথ্যের জন্য হয়রানি করছিল, পেনশনের চূড়ান্ত ফাইলটি নথিভূক্ত করছিল না বা উর্ধতনের নিকট পৌছানো হচ্ছিল না। বাধ্য হই প্রায় চার মাস পর টাকা দিতে। এবং চার দিনের মধ্যে সকল কাজ সমাধা হয়!!!! এটাই কি ঘুষ বা স্পিড মানি ? এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে চাই, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হলেও কেন জানি িএই হিসাব রক্ষক অফিসকে রেহাই দিয়ে রিপোর্ট করা হয়!!!
সম্ভবত ২০২১ সালের ঘটনা।বর্তমানে আমি সৌদিআরবে আছি।২০২১ সালে যখন আমি সৌদিতে আসার জন্য কাগজ,পত্র রেডি কোরছি তখন আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্চ এর প্রয়জন হয়েছিলো।আমি অনলাইনে সব কিছু ওকে করে যখন থানায় কাগজ কোরতে গিয়েছিলাম তখন এক এ এস আই আমার কাছে টাকা দাবি করে।।ঐ দিন আমি টাকা দেয়নি পরে যখন আমার এলাকায় ভেরিবেকেশনে আসে তখন আমি তাদের টাকা পরিষোধ করি।।পরে ২/৩ দিন পরে থানায় যায় কিন্তুু তারা বলে আপনার ক্লিয়ারেন্চ যশোর ডিএসবি অফিসে চলে এসেছে ওখানে আজকে যেয়ে নিতে পারেন অথবা যদি দুই দিন পর নেন তাহলে থানা থেকে নিতে পারবেন কিন্তুু আমি ঔই দিনই যশোর ডিএসবি অফিসে যেয়ে নিয়ে আসি।।
আমার বাবা পড়াশোনা না করা, একজন গ্রামের সহজ সরল মানুষ। জমির খারিজা করার জন্য কাগজ পত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন, একদিন একটা কাগজের বিষয় নিয়ে কথা হয়। তখন বলে পর্চা কাগজ সম্ভবত হবে। এই কাগজ দাম কতো হবে, আমি বলি কত ২ তিন টাক হবে আর পিন করে দিলে নিবে ১০ টাকা বা ২০ টাকা; তখন আমার বাবা বলে আমার কাছ থেকে কম্পিউটারে বসে থাকে ঐ ছেলেটা ২০০ টাকা নিছে, আমি তখন বাবাকে বললাম এই হলো বাবা সরকারি চাকরি আর দেশের অবস্থা।
আমি সৌদি আরব থাকি আমার দুই জমজ ছেলের পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে আমার দুই ছেলের বর্তমান বয়স এক বছর দশ মাস কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও আমার ওয়াইফ কে হয়রানি করা হয়েছে দুই সন্তানের পাসপোর্ট এর জন্য আড়াই হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং তাদেরকে অনেক হয়রানি করেছে দুই তিন দিন তাদেরকে ঘুরিয়েছে তারা শুধু টাকার জন্য এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে তাদেরকে পাঠিয়েছে ঘুষ দেওয়ার পর আমার ছেলে সন্তানের এর আবেদন গ্রহণ করেছে
জমির নামজারি করার জন্য
সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।
আমার বাবার পাসপোর্টের মেয়াদ এখনও ১ বছর আছে। নতুন করে পাসপোর্ট করতে গেলে বলে ৭৫০০ টাকা হলে করে দেওয়া যাবে।
দলিলে নামের সামান্য হেরফের ছিল তাই রেজিস্টারি করে দিবেনা পরে মরি বলল আমি সাবের সাতে সমজুতা করে নিয়েছি ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ৩০০০০ হাজার টাকা নিয়ে রেজিস্টারি করে দিয়েছে।
নতুন সরকারি চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাড়িতে এসেছিলো, পরে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ১,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। এতে তারা পূর্ণ ভেরিফিকেশন না করে চলে যায় এবং শহরে একটা এড্রেস দিয়ে অন্যদিন ওখানে আসতে বলে, পরে আবার ৫ হাজার টাকা চায়। পরে আমি ১,৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি। অর্থাৎ সর্বমোট ২,৫০০৳
ফ্যামেলী কার্ডের জন্য আমি আমার এলাকার একজন তথ্যসংগ্রহ কারীর সাথে যোগাযোগ করি, যার জন্য আবেদন করবো তিনি ফ্যামেলী কার্ড পাওয়ার জন্য উপযুক্ত, সরকার যে শর্ত গুলো দিয়েছে তার মধ্যে এগুলো রয়েছে, এবং তথ্যসংগ্রহ কারী যে প্রতিনিধি রয়েছেন তিনিও জানেন, কিন্তু এর পরেও তথ্যসংগ্রহ কারী ঐ কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বলেন ঐ টাকা দিলে অনুমোদন করিয়ে দিবেন।
মুজিবনগর, মেহেরপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকাশনী সংস্থার কাছ থেকে টাকা নেই। প্রকাশনী সংস্থাগুলো আবার শিক্ষার্থীদের কাছে বেশি দামে বই বিক্রি করে সেই টাকাগুলো উঠিয়ে নেই।
২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার কমে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না।
একটা নতুন প্রতিষ্ঠান তার প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। সঠিক সময়ে রিটার্ন জমা দেয়ার পরেও অফিসের খরচের জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যদি না দিই সার্টিফিকেট দিবেনা। অথচ সার্টিফিকেট দেয়া তাদের জন্য বাধ্যতামুলক।
সিটি কর্পোরেশনে চাকরি দেয়ার কথা বলে 5 লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের উর্দ্ধতন এক কর্মকর্তা। টাকা পরিশোধ করলেও সে কোন চাকরি প্রদান করেনি।