Tongi Gov. Hospital
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
প্রধান শিক্ষকদের টি এ ডি এ বিল আটকে রেখে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং বিদ্যুত বিল আটকে রেখে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে এ দাবি পরিশোধের পর টিএডিএ ও বিদ্যুত দেওয়া হয়
আনুমানিক ৪ বছর আগে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার পদে চাকুরির জন্য এক ব্যাক্তি আমার কাছে ১৫ লক্ষ অর্থ দাবি করে। আমি চাকুরির আশায় তা দিয়ে দেই।
আমার বাসা ভূমি অফিসের পাসে,প্রতিদিন ভূমি অফিসে শতশত লোক আসে আর অধিকাংশ লোক আসে নামজারি বা খারিজ করতে।আমি বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানতে পারি সরকারি ফ্রি এর চেয়ে করেক গুন বেশি টাকা দিয়ে খারাজি করতে হয়ে।বর্তমান ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকতা তার মত করে নামজারির ফ্রি নির্দারন করেছে ৭০০০ হাজার টাকা।৭০০০ হাজার টাকার কম কোন খারিজ হয় না।তার রেইট শুরু হয় ৭০০০ হাজার টাকা থেকে। আমার কথা যদি কারো বিশ্বাস না হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড স্যার বা ডিসি স্যার এর কাছে সদয় অনুরুধ আপনারা গত ১০ দিনের নামজারি হওয়ার কেইস নম্বার থেকে গ্রাহকের নাম্বার সংগ্রহ করে গ্রাহকদেরকে জিঙ্গেস করেন।অথবা বিসকা ইউনিয়ন এ সরসরি তদন্ত করতে পারেন।যারা যারা খারিজ করেছে তাদেরকে জিঙ্গেস করলেই সকল তথ্য ফেয়ে যাব
এনআইডি কার্ড এর জন্য গেছিলাম সব ঠিক ছিল প্রথম বার করে নাই । দ্বিতীয় বার চা- পানি বলে ২০০০ টাকা দিছি সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলছে । এর আগে অনেকবার তড়িঘড়ি করছে।
প্রতি মাসে মাসিক ১৩,০০০.০০ টাকা করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীরা ঘুষ গ্রহন করে থাকে।
সেবাটি জমি নামজারি করার বিষয় ছিলো, টাকা সরাসরি চাইছিল পেমেন্ট দেওয়ার পরে কাজ হয়ে গেছে।
আমার পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেওয়ার সময় অফিস কতৃপক্ষ জমা নেয় না, বলে একটা কাগজে সমস্যা, কিন্তু আমার সাথে পাসপোর্ট করতে আশা অন্য লোকদের দেখলাম আমার মতো কাগজ একই কিন্তু তাদের টা জমা নেওয়া হয়েছে, আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম আমার টা জমা নেয় না কেন কি সমস্যা, তখন একজন বললো তুমি কি দালাল ছাড়া আসছো, আমি বললাম হুম, তখন আমি বের হয়ে গেলাম এমনি এক দালাল বললো তোমার সমস্যা আমি সমাধান করে দিবো ২০০০ হাজার টাকা দিবা পরে আমি ১৫০০ টাকা দিবো বলে ঠিক করে তারপর উনি আমার আবেদন কপিতে একটা কিছু লিখে দিছে তারপর অফিস জমা নিছে।
কেসে রায় হওয়ার পরও ৪ মাস কেটে গেছে কিন্তু আজও রেকর্ড সংশোধনী হয়নি। ইতোমধ্যে ১২০০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ফলাফল শুন্য। অথচ রায়ে বলা আছে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন করতে। ভুমি রেকর্ড রুমে বারবার যোগাযোগ করে একজন অফিসের স্টাফ বলেছেন শতক প্রতি আরও ১০০০ করে টাকা লাগবে নতুবা রায়ের কোন দাম নাই। টাকা দিলেই দাম হবে।
আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার,তাই আমার থানায় গিয়ে আবেদন করি, আমার কোন মামলা ছিলো না,তবুও তারা আমাকে দিনের পর দিন গুরায়,এবং পরে বলে আপনি শিক্ষিত মানুষ এটুকু বোঝেন না,খরচা লাগে,৩৫০০টাকা দিন কাল হয়ে যাবে,থানা এস আই বলে,পরে ২৫০০টাকা এ এস আই নেয়,
আমার বাবার জমি বাঁধের আওতাভুক্ত হয় জমির টাকা উত্তোলনের জন্য ভূমি অফিসে যান সেখানে গিয়ে জানতে পারেন প্রতি ১ লক্ষ টাকার জন্য আমার বাবা ও তার ভাই,বোনদের পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হবে এছাড়া টাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং জমির ফাইল পাস হবে না।
অনিয়ম ও দুর্নীতি উৎকোচ/ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানি বিভিন্ন ফাইল ও অনলাইন কাজের জন্য অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ কর্মক্ষেত্রে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ
আমার কাছে এসিলেনট অফিসের নাজির সাহেব সবার সামনে টাকা চেয়েছেন।কিছু করার নাই সবাই টাকা দিয়ায় কাজ করে।আমি আর কি করবো বলেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ৪০ নং ওয়ার্ডের মাজুখান মৌজায় একটি হোল্ডিং নং এর মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের তালুটিয়া অফিসে যোগাযোগ করলে জানানো হয় যে, বাড়িটির ক্রয় মূল্যের ১% সমমান ৩০ হাজার টাকা লাগবে। তবে ২০ হাজার টাকায় করে দেয়া যাবে।
প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য শিক্ষককে দিতে হবে
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মহরি জিনি দলিল লিখে সেই সরকারি কর সাড়ে ৭ % বলে উনি দাবি করেন কিন্তু আমার কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকার জমিতে উনি ১৮ হাজার টাকা দাবি করেন, আমি প্রশ্ন করার পর উনি বললেন কম হবে না এই টাকা এদিক সেদিক হয়,, কিছু করার নেই,,এক পর্যায়ে উনি বলেন আমাদের এখান থেকে কোন বেতন দেওয়া হয় না,, পার্সেন্ট অনুযায়ী তারা টাকা নিয়ে থাকেন,,আমি নিজ চোখে আরো দেখেছি প্রতিটি মানুষের থেকে লাখে আড়াই থেকে তিন পার্সেন্ট বেশি টাকা তারা নিয়ে থাকেন..এই টাকার ভাগ অনেক জন কে তারা দেয় কথায় উঠে এসেছে,,এটা প্রতিনিয়ত ঘটছে. যে কোন কাজে অনেক ঘুস তারা নিয়ে থাকেন,আমার দেখায় নাম জারি করতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকার মতো,
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
প্রত্যেক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার/নাবিকদের জাহাজ থেকে নামার এক মাসের মধ্যে সরকার প্রদত্ত সার্ভিস বুক (CDC) এ শিপিং মাস্টারের সীলমোহর সহ একটা সাইন করতে হয় যেটা পরবর্তীতে তারা অনলাইনে এন্ডোসম্যান্ট করে। তো এই সীল মোহর সহ সাইন শিপিং মাস্টারের থেকে নিতে পিয়নকে দিতে হয় ঘুস।
আমি নামজারির জন্য আবেদন করছি ওনি আমার থেকে ২০০ টাকা নিছে পরে শুনানির জন্য আরো ৫০০ এখন সব শেষে বলে আমাকে ৭৫০০ টাকা দিয়ে যান
আমার একটি অটো রিক্সার গ্যারেজ আছে। অটো রিক্সা ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়ি থামিয়ে বললেন রং পার্কিং হয়েছে। এজন্য অর্থ দিতে হবে না হয় মামলা দিয়ে দেব তাই আমি ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।